বাগেরহাট জেলা প্রশাসকসহ ৯ কর্মকর্তাকে হাইকোর্টে তলব

বাগেরহাট প্রতিনিধি : আদালতের আদেশ অমান্য করার অভিযোগে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি)সহ ৯ কর্মকর্তাকে তলব করছেন হাইকোর্ট।

আগামী ৮ জানুয়ারি (মঙ্গলবার) সকাল সাড়ে ১০টায় সশরীর হাজির হয়ে আদালতের আদেশ কেন প্রতিপালন করা হয়নি সে বিষয় ব্যাখ্যা দিতে বলা হয়েছে।

গত ৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মামুনুর রহমান ও বিচারপিত আশীষ রঞ্জন দাসের সমন্বয় গঠিত বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

মামলা পরিচালনা পক্ষের আইনজীবী এবিএম বায়েজিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আদেশে বাগেরহাট জেলা প্রশাসক (ডিসি) তপন কুমার বিশ্বাস, পাউবোর বাগেরহাট জেলা নির্বাহী প্রকৌশলী মা. রুহুল ইসলাম, (সিইআইপি-১) প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মা. হাবিবুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী মা. আ. হানান, শরণখোলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লিংকন বিশ্বাস, সহকারী কমিশনার ভূমি কর্মকর্তা শরণখোলা, পাউবোর বাগেরহাটর উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মা. ফারুক আহম্মদ, উপ-সহকারী প্রকৌশলী মা. আলতাফ হোসেন, শরণখোলা উপজেলার রায়েন্দা ভূমি অফিসার সহকারী কর্মকর্তা এসএম জিল্লুর রহমানসহ ৯ জনকে আদালতে হাজির হতে বলা হয়েছে।

মামলার বাদী শরণখোলা উপজেলার বাসিন্দা ও ঢাকাস্থ দীপ্ত বাংলা হিউম্যান রাইটস ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান মা. রেজাউল করিম খান রেজা জানান, শরণখোলা উপজেলার প্রাণকেন্দ্র ঐতিহ্যবাহী রায়েন্দা খালের উভয় পাশের অবৈধ দখলদারদের উচ্ছেদ, সেচ ও নৌ চলাচলসহ জনসাধারনের দৈনদিন কাজের সুবিধার্থে ভরাট হওয়া খালটি সিএস ম্যাপ অনুসার পুনর্খনন করে আগের অবস্থায় ফিরিয়ে আনার নির্দশনা চেয়ে তিনি ২০১৮ সালর ২৪ জানুয়ারি হাইকোর্টে ৯২৯নং একটি রিট পিটিশন (আবেদন করেন)। আবেদনটি হাইকার্ট আমলে নিয়ে একটি রুল ইস্যু করেন। রুলের আদেশে ৬০ দিনের মধ্য খালের উভয় পাশ উচ্ছেদ পদক্ষেপ গ্রহণ করে ৩০ দিনের মধ্য অগ্রগতি প্রতিবেদন দাখিল করার নির্দেশ দেন আদালত। কিন্তু বিবাদীরা ওই আদেশের কোনো গুরুত্ব না দেয়ায় নতুন করে ৩১৮নং রিট পিটিশনের অনুকূলে ২০১৮ সালের ৭ আগস্ট আদালত পুনরায় আদেশ প্রদান করেন। তারও কোনো প্রতিবেদন না পাওয়ায় গত ৫ ডিসম্বর এক আদেশ সংশ্লিষ্ট ৯ ব্যক্তিকে সশরীর হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেয়ার নির্দশ প্রদান করেন।

এ ব্যাপারে বাগেরহাটর জেলা প্রশাসক তপন কুমার বিশ্বাসের সঙ্গে মুঠাফোনে যোগাযোগ করা হলে এ বিষয় তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।