যশোরে ব্যবসায়ী খুনের দৃশ্য সিসিটিভিতে, ২ তরুণ গ্রেফতার

যশোরে ব্যবসায়ী খুনের দৃশ্য সিসিটিভিতে, ২ তরুণ গ্রেফতার

যশোরে মোটরপার্টস ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম সাফা (৩৭) হত্যাকাণ্ডে জড়িত সন্দেহে দুইজনকে গ্রেফতার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)।

পলাতক অপর এক সন্দেহভাজন খুনীকে খুঁজছে পুলিশ।

রোববার রাতে শহরের শংকরপুর এলাকা থেকে দুজনকে গ্রেফতার করা হয়।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা জানিয়েছে, দুই লাখ টাকার চুক্তিতে ভাড়াটিয়া কিলার হিসেবে সাফাকে খুন করা হয়েছে।

গ্রেফতার দুজন হলো- শহরের শংকরপুর ছোটনের মোড় এলাকার আকরাম মোল্লার ছেলে রানা মোল্লা (১৯) ও তার সহযোগী একই এলাকার লিটন বাবুর ছেলে রাকিব (১৯)।

সোমবার দুপুরে বিফ্রিংকালে যশোর জেলা গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের ওসি মনিরুজ্জামান জানান, সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ দেখে দুই সন্দেহভাজন খুনীকে সনাক্ত করা হয়েছে। এদের মধ্যে রানাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। অপর এক ঘাতক পলাতক রয়েছেন। তাকেও খোঁজা হচ্ছে।

রানার স্বীকারোক্তি অনুযায়ী তার সহযোগী রাকিবকেও গ্রেফতার করা হয়েছে। তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে।

ওসি মনিরুজ্জামান আরও জানান, গত ৪ জানুয়ারি মহিদুল ইসলাম সাফা হত্যা মামলা কোতয়ালি থানা থেকে ডিবি পুলিশের কাছে হস্তান্তর করা হয়। মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই শামীম ও  আইটি শাখার এসআই মফিজুর রহমান প্রযুক্তির মাধ্যমে হত্যাকারীদের সনাক্ত করেন।

এরপর রোববার রাতে অভিযান চালিয়ে হত্যাকারী রানা ও তার সহযোগীকে গ্রেফতার করা হয়। পরে শহরের গাড়ীখানা রোডের নির্বাচনী প্রচারণা অফিসের পিছনে পরিত্যক্ত জায়গা থেকে হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে।

গত ১ জানুয়ারি সন্ধ্যায় যশোর শহরের মুজিব সড়কস্থ ঈদগাহ ময়দানের পূর্বপাশে মাসুদ কম্পিউটারের সামনে আমদানিকারক ও মোটরপার্টস ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম সাফাকে (৩৭) গলায় ছুরি মেরে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা।

পরে পুলিশ ঘটনাস্থল মাসুদ কম্পিউটার দোকানের দক্ষিণ ও উত্তর পাশের দোকানে লাগানো সিসি টিভির ফুটেজ পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। তারা সিসি টিভিতে দেখতে পান মাসুদ কম্পিউটার দোকানের সামনে সাদা ও লাল রংয়ের শার্ট পরিহিত ২০/২২ বছর বয়সী দু’জন তরুণ মহিদুল ইসলাম সাফাকে ছুরিকাঘাত করছে। এরপর তারা দ্রুত দড়াটানার দিকে দৌড়ে পালিয়ে যাচ্ছে।

২ জানুয়ারি কোতয়ালি থানায় ৩-৪জনকে অজ্ঞাত আসামি করে মামলা করেন নিহতের ভাই জাহিদুল ইসলাম।