চিটাগংয়ের পাহাড় টপকাতে পারল না খুলনা

এদিন প্রথমে ব্যাট করে নির্ধারিত ২০ ওভারে ৪ উইকেটে ২১৪ রান করে চিটাগং। যা বিপিএলের ইতিহাসের দ্বিতীয় সর্বোচ্চ দলী স্কোর। টুর্নামেন্টের সর্বোচ্চ টোটাল অবশ্য ঢাকা ডায়নামাইটসের দখলে। ২০১৩ সালের আসরে ৪ উইকেটে ২১৭ রান করেছিল তারা।

টিটাগংয়ের দেওয়া লক্ষ্যে ব্যাট করতে নেমে এক মাহমুদউল্লাহ ছাড়া আর কোন ব্যাটসম্যানই প্রতিরোধ গড়তে পারেননি। খুলনার প্রথম তিন ব্যাটসম্যানের রান ০, ১২ ও ৫। এর মধ্যে গেল ম্যাচে ঝড় তোলা জুইনাইদ ও আল আমিন আউট হয়েছেন যথাক্রমে ১২ ও ৫ রানে।

এরকম একটা শুরুর পর ঘুরে দাঁড়ানো বেশ কঠিনই। সেই কঠিন কাজটাই ব্রেন্ডন টেইলরকে নিয়ে করছিলেন মাহমুদউল্লাহ। দুই জন মিলে দলের স্কোর দ্রুতই রান তুলছিলেন। কিন্তু তাতে বাধ সাধেন নাঈম হাসান। বোল্ড করেন টেইলরকে। আউট হওয়ার আগে ১৬ বলে ২৮ রান করেছেন তিনি। খুলনার দলীয় রান তখন ৮৬।

এরপর দলীয় ১০২ রানে চূড়ান্ত ধাক্কাটি খায় তারা। মাহমুদউল্লাহকে বোল্ড করেন ক্যামেরন ডেলপোর্ট। ফলে ৫০ রানে থেমে যায় খুলনার অধিনায়কের ঝড়ো ইনিংসটি। তার ২৬ বলের ইনিংসটিতে ছিল চারটি ছক্কা ও ৩টি চারের মার। আর এখানেই নিভে জায় খুলনার জয়ের আশার অবশিষ্ট আলো।

তারপর বাকী সময়টা ছিল নিছক আনুষ্ঠানিকতা। অবশ্য শেষ দিকে তাইজুল ইসলামকে নিয়ে ঝড় তোলেন ডেভিড ওয়েসি। দুইজনের জুটিতে দ্রুতই উঠে আসে ৬৫ রান। কিন্তু ওয়েসি আউট হয়ে গেলে সেই প্রতিরোধও থেমে যায়। খালেদ আহমেদের বলে আউট হওয়ার আগে ২০ বলে ৪০ রান করেছেন ওয়েসি। মেরেছেন ৪টি ছক্কা ও ২টি চার।

সর্বশেষ ২০ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৮ রান পর্যন্ত করতে পারে খুলনা। তাইজুল ২২ও লাসিথ মালিঙ্গা ৫ রানে অপরাজিত ছিলেন।

চিটাগংয়ের হয়ে ৩৩ রানে ৩ উইকেট নিয়েছেন আবু জায়েদ রাহী। এছাড়া দুইটি করে উইকেট নিয়েছেন খালেদ আহমেদ ও ডেলপোর্ট।