রাষ্ট্রপতির ভাষণ অনুমোদন, যা গুরুত্ব পাবে

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক : একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ যে ভাষণ দিবেন, তার খসড়া অনুমোদন দিয়েছে মন্ত্রিসভা।

সোমবার সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার প্রথম বৈঠকে এ অনুমোদন দেয়া হয়।

পরে রাষ্ট্রপতির ভাষণ বিষয়ে সাংবাদিকদের ব্রিফ করেন মন্ত্রিপরিষদ সচিব মোহাম্মদ শফিউল আলম।

তিনি জানান, রাষ্ট্রপতি ভাষণে দেশের সার্বিক পরিস্থিতি ও সামষ্টিক অর্থনৈতিক চিত্র। সুশাসন প্রতিষ্ঠায় সরকারের গৃহীত কার্যক্রম। রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ বাস্তবায়নে গৃহীত কর্মসূচি গুরুত্ব দেয়া হয়েছে।

আগামী ৩০ জানুয়ারি একাদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন শুরু হবে। নতুন সরকারের প্রথম অধিবেশনে ভাষণ দেবেন রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ।

এ বিষয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘রাষ্ট্রপতির ভাষণে দেশের আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে গৃহীত পদক্ষেপ ও সাফল্য, কৃষির উন্নয়ন ও খাদ্য নিরাপত্তায় সাফল্য, দেশ ও বিদেশে কর্মসংস্থান, সামাজিক নিরাপত্তা বেষ্টনি ইত্যাদি থাকবে।’

এ ছাড়া স্থানীয় সরকার ব্যবস্থা ও গ্রামীণ অর্থনীতির উন্নয়ন, শিক্ষা ও স্বাস্থ্য সেবার উন্নয়ন, যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নয়ন, ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণে আইসিটি প্রযুক্তির উন্নয়নে বিভিন্ন কর্মসূচি বাস্তবায়ন, তথ্য ও গণমাধ্যমের উন্নয়ন, আইনশৃঙ্খলা ও জননিরাপত্তার উন্নয়ন এবং আইন প্রণয়ন ও জনপ্রশাসনের উন্নয়নে গৃহীত কার্যক্রমও থাকবে ভাষণে।

শফিউল আলম বলেন, ‘বৈদেশিক প্রতিটি ক্ষেত্রে অর্জিত সাফল্য, প্রশাসনের নীতি ও কৌশল, উন্নয়ন কৌশল এবং অগ্রযাত্রায় নির্দেশনার বিষয়গুলো রাষ্ট্রপতি তার বক্তব্যে তুলে ধরবেন।’

তিনি উল্লেখ করেন, আইনগত বাধ্যবাধকতার জন্য বছরের শুরুতে বা যেকোনো সরকার গঠনের শুরুতে প্রথম যে সংসদ অধিবেশন হয়, সেখানে রাষ্ট্রপতি ভাষণ দেন। প্রতিবারের মতো এবারও মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ একটি এনালাইসিস ঠিক করেছেন। এরপর চূড়ান্ত অনুমোদনের পর রাষ্ট্রপতি সংসদে ভাষণ দিবেন।

ভাষণ তৈরিতে আমরা আমাদের সহকর্মী সচিবদের কাছ থেকে যে তথ্য পেয়েছি, তার আলোকে একটি সঙ্কলন করা হয়েছে বলেও জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব।

রাষ্ট্রপতির মূল ভাষণের সঙ্কলনটি ৭৫ হাজার শব্দ সংবলিত। এ ভাষণ পুরোটা সংসদে দাঁড়িয়ে পড়া অনেক কঠিন। তাই এর মধ্যে থেকে একটি সংক্ষিপ্ত ভাষণ তৈরি করা হয়। সেটি ৬ হাজার শব্দের মধ্যে সীমাবদ্ধ।