মণিরামপুরে কিশোরীকে গণধর্ষণ ও অন্ত:সত্ত্বার অভিযোগে আদালতে মামলা

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোর মণিরামপুরের কুচলিয়া গ্রামের এক কিশোরীকে গণধর্ষণ ও অন্ত:সত্ত্বার অভিযোগে দুইজনকে আসামি করে আদালতে একটি মামলা হয়েছে। কিশোরী নিজে বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেছেন। নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল-২ এর বিচারক অভিযোগটি গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশকে (পিবিআই) মেডিকেল রিপোর্টসহ তদন্ত করে প্রতিবেদন জমা দেয়ার আদেশ দিয়েছেন। আসামিরা হলো কুচলিয়া গ্রামের গৌতম মল্লিকের ছেলে পিয়াস মল্লিক ও লেবুগাতি গ্রামের নিরঞ্জন বিশ্বাসের ছেলে বাধন বিশ্বাস।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ওই কিশোরী স্থানীয় একটি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ৬ষ্ঠ শ্রেনীর ছাত্রী। স্কুলে যাওয়া আসার পথে আসামিরা তাকে উত্ত্যক্ত করত। বিষয়টি কিশোরী তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। এরপর ওই দুই আসামির বাড়িতে জানালে তারা চরম ক্ষিপ্ত হয়। এরপর কিশোরীকে অপহরণ ও ধর্ষণের হুমকি দেয়। ২০১৮ সালের ২৫ মে রাতে ওই কিশোরী বাথরুমে যাওয়ার জন্য ঘর থেকে বের হয়। এ সময় আসামিরা তার গলায় ছুরি ঠেকিয়ে পুকুর পাড়ে নিয়ে যায়। দুইজন পালাক্রমে ধর্ষণ শেষে ঘটনা কাউকে জানালে খুন করবে বলে হুমকি দিয়ে চলে যায়। ভয়ে বিষয়টি কাউকে কিছু না বললেও কয়েক মাস পর বাড়ির সকলে বুঝতে পারে সে অন্ত:সত্তা হয়েছে। এরপর ওই কিশোরী বিষয়টি তার পরিবারের সদস্যদের জানায়। এ ব্যাপারে ওই দুই আসামি বাড়ির লোকজনের সাথে কথা বললে তারা কিশোরীর পরিবারের সকলকে দেশ ছাড়ার হুমকি দিয়ে তাড়িয়ে দেয়। বর্তমানে ওই কিশোরী আট মাসের অন্ত:সত্তা। একপর্যায়ে আত্মীয়স্বজনের সাথে পরামর্শ করে অবশেষে কিশোরী নিজে বাদী হয়ে আদালতে এ মামলা করেছেন।