৮১% কোম্পানির শেয়ারের দরপতন

অন্যদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ১২৪.০৭ পয়েন্ট। এ সময় সিএসইতে ১৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

ডিএসই’র বাজার পর্যালোচনায় দেখা গেছে, দেশের বৃহত্তম এই পুঁজিবাজারে লেনদেন হওয়া ৩৪৫টি কোম্পানি ও ফান্ডের মধ্যে দর বেড়েছে মাত্র ৪২টির। বিপরীতে দর কমেছে ২৭৯টির। দর অপরিবর্তিত আছে ২৪টি কোম্পানির। দিন শেষে ডিএসইতে ৮ কোটি ৮২ লাখ ২৬ হাজার ১৮৮টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

এদিন ডিএসইতে টাকার অঙ্কে লেনদেন হয়েছে ৪৭৬ কোটি ৬৭ লাখ টাকার। কিন্তু, গত বৃহস্পতিবার শেষ কার্যদিবসে ডিএসইতে ৫৮৫ কোটি টাকার শেয়ার ও ইউনিট লেনদেন হয়েছিল।

লেনদেন শেষে ডিএসই’র সার্বিক মূল্য সূচক কমেছে ৫০.৯১ পয়েন্ট। এ সময় ডিএসইএক্স সূচক ৫৬০৪ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। অন্যদিকে, ডিএসইএস সূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ৯.৮১ পয়েন্ট কমে গেছে।

টাকার অঙ্কে ডিএসইতে সবচেয়ে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্র্যাক ব্যাংকের শেয়ার। কোম্পানিটির ৩৮ কোটি ২০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। লেনদেনে দ্বিতীয় স্থানে থাকা ব্রিটিশ আমেরিকান টোবাকোর ৩২ কোটি ১৩ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। ২১ কোটি ৫৮ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনে তৃতীয় স্থানে রয়েছে ইউনাইটেড পাওয়ার।

লেনদেনে এরপর রয়েছে— স্কয়ার ফার্মা, ডাচ-বাংলা ব্যাংক, সিঙ্গার বিডি, মুন্নু সিরামিক, ম্যারিকো, বাটা সু ও লিগ্যাসি ফুটওয়্যার।

অন্যদিকে, সোমবার চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ১২৪.৭০ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ৩৯০ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারে লেনদেন হয়েছে ১৭ কোটি ৪৯ লাখ টাকা।

লেনদেন হওয়া ২৩১টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ২৬টির দাম বেড়েছে, কমেছে ১৯১টির। আর অপরিবর্তিত রয়েছে ১৪টির দাম।