‘অছাত্র হয়েও বুয়েটের হলে শ্যালকের রুমে থাকতাম, সবাই ডাকত দুলাভাই’

তিনি বলেছেন, বুয়েটের ছাত্র না হওয়ায় হলের ডাইনিংয়ে খেতে পারতাম না। পাশেই হাসিনা হোটেলে মাত্র পাঁচ-ছয় আনা হলেই পেট ভরে খাওয়া যেত।

মঙ্গলবার বুয়েটের ১১তম সমাবর্তন অনুষ্ঠানে ভাষণ দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের চ্যান্সেলর রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ।

১৯৬৪ সালে বুয়েটের হলে থাকার স্মৃতিচারণ করে এসব কথা বলেন।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ছাত্র আমি ভালো ছিলাম না। ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে ভর্তি হই নাই। আমি ইন্টারমিডিয়েটে যুক্তিবিদ্যায় রেফার্ড পাইছিলাম। তখন সারা দেশের রেফার্ড বিষয়ের পরীক্ষাগুলো ঢাকা কলেজে নেয়া হতো।

তিনি বলেন, রেফার্ড পরীক্ষা দিতে ঢাকায় এসে বুয়েটের শেরেবাংলা হোস্টেলে স্ত্রীর ছোট ভাইয়ের (শালার) রুমে উঠি। এক-দেড় মাস হলে থাকার সুবাদে সবাই জেনে যায় আমি একজনের দুলাভাই লাগি। তারা আমারে দুলাভাই ডাকে আর আমি পাইকারিভাবে শালা ডাকতাম।

রাষ্ট্রপতি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র না হওয়ায় হলের ডাইনিংয়ে খেতে পারতাম না। পাশেই হাসিনা হোটেলে মাত্র পাঁচ-ছয় আনা হলেই পেট ভরে খাওয়া যেত। আবার একটু পায়ে হেঁটে মেডিকেলের সামনে পপুলার হোটেলে গেলে চার আনা খেলেই পেট ভরতো।

রাষ্ট্রপতি বলেন, ওই সময় বুয়েটে কোনো নারী শিক্ষার্থী ছিল না। বর্তমানে প্রায় ৩০ ভাগ শিক্ষার্থী ছাত্রী। দেশের মেয়েরা এগিয়ে যাচ্ছে এটাই তার প্রমাণ।