ঝিকরগাছার আব্বাস আলী হত্যা মামলার চার্জশিট, অভিযুক্ত ১৫

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোরের ঝিকরগাছার চন্দ্রপুর গ্রামের আব্বাস আলী হত্যা মামলায় ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। মামলার এজাহার নামীয় আসামি লিটন হোসেন বন্দুকযুদ্ধে মারা যাওয়ায় চার্জশিটে অব্যহতির আবেদন করা হয়েছে। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই কামরুজ্জামান জিয়া।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো মির্জাপুর গ্রামের সুলতান হোসেনের ছেলে মিন্টু আতিয়ার রহমানের ছেলে মোহন, সুমন হোসেন, আব্দুর রহমানের ছেলে আলিম, আত্তাবের ছেলে সরুজ, সবুজ, কৃষ্ণনগর গ্রামের মৃত আলাউদ্দিনের ছেলে মাজহারুল ইসলাম শুভ, মৃত ইসলামের ছেলে মানিক, লক্ষীপুর আব্দুল আজিজের ছেলে শিমুল, কাশিপুর গ্রামের আব্দুল কাদেরের ছেলে আমিনুর রহমান, মফিজুরের ছেলে মিয়ারাজ হোসেন, মণিরামপুরের পট্টি গ্রামের হজেল আহম্মদের ছেলে আলমগীর হোসেন বেপারি, আজগর আলীর ছেলে রিয়াজ, বাসুদেবপুর গ্রামের নুর ইসলামের ছেলে ইলিয়াস ও মুড়াগাছা গ্রামের কাওছার হাজীর ছেলে মনোয়ার মেম্বর।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, নিহত আব্বাস আলীর ভাই ইউপি মেম্বর আব্দুস সালাম বাড়িতে একটি পাঁকা বাড়ি তৈরির কাজ শুরু করেন। এ সময় আসামিরা তার কাছে ৫ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করে হুমকি দিয়ে আসছিল। সালাম চাঁদার টাকা দিতে অস্বীকার করায় আসামিরা চরমভাবে ক্ষিপ্ত হয়। ২০১৮ সালের ৩ জানুয়ারি ভবনের ঢালাইয়ের কাজ চলছিল। এ সময় আসামিরা এসে চাঁদার ৫ লাখ টাকা দাবি করে। কথাকাটাকাটির এক পর্যায়ে আসামিরা হামলা চালিয়ে আব্বাস আলী, আব্দুস সালাম ও কালামকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে চলে যায়। এর মধ্যে গুরুতর আহত আব্বাস আলী মারা যান। এ ব্যাপারে নিহতের স্ত্রী নাছিমা খাতুন বাদী হয়ে ৭ জনের নাম উল্লেখসহ অপরিচিত ৮/১০ জনকে আসামি করে ঝিকরগাছা থানায় একটি হত্যা মামলা মামলা করেন। মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও স্বাক্ষীদের বক্তব্যে ঘটনার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে ওই ১৫ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত ৯ জনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।