যশোর পৌরসভার কর্মকর্তা কর্মচারিদের সাথে বাকবিতন্ডা, এএসআই ক্লোজড

নিজস্ব প্রতিবেদক>
যশোর পৌরসভার কর্মকর্তা ও কর্মচারিদের সাথে অশোভন আচরণ এবং তাদের লাঠিচার্জ করার অভিযোগে কোতয়ালি থানার এক পুলিশ কর্মকর্তাকে পুলিশ লাইনে ক্লোজড করা হয়েছে। ওই অফিসারের নাম তৌহিদ মিয়া। তিনি সহকারী উপ-পরিদর্শক (এএসআই) হিসাবে কর্মরত ছিলেন।
পৌরসভার উপসহকারী প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানিয়েছেন, বুধবার বেলা সাড়ে ১২টার দিকে পৌরসভার সামনে দিয়ে একটি রিকসা অতিক্রম করছিল। সে সময় একটি লেগুনা বেপরোয়া গতিতে ওই রিকসা অতিক্রম করার সময় রিকসাটি পেছন থেকে ধাক্কা দেয়। ওই রিকসায় থাকা দুই শিক্ষার্থী ও তার মা পড়ে গিয়ে সামান্য আহত হন। সে সময় পৌরসভার গেটের সামনে দাঁড়িয়ে থাকা তিনি (কামাল হোসেন), পৌর মেয়রের গাড়ি চালক মেহেদী হাসান এবং ইলিয়াস হোসেন ওই শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবককে সাহায্যে এগিয়ে আসেন। তারা লেগুনাটিকে আটক করে পৌরসভার মধ্যে রাখেন। লেগুনা চালককে গাড়ির কাগজপত্র এবং ড্রাইভিং লাইসেন্স দেখাতে বলেন। কিন্তু তিনি দেখাতে ব্যর্থ হন। সংবাদ পেয়ে কোতয়ালি থানার মোবাইল টিম-১২এর কর্মকর্তা এএসআই তৌহিদ মিয়া ঘটনাস্থলে যান এবং লেগুনাটি নিজেদের দখলে নেয়ার চেষ্টা করেন। সে সময় পৌর কমকর্তা ও কর্মচারিরা বাঁধা দিলে পুলিশের সাথে তাদের বাকবিতন্ডা হয়। এক পর্যায়ে পুলিশ লাঠিচার্জ করতে উদ্যত হলে সংঘর্ষের দিকে রুপ নিতে থাকে। পরিস্থিতি বেগতিক দেখে পৌর কর্মচারিরা প্রধান গেট বন্ধ করে দেয়। এতে পুলিশ আটকা পড়ে। সংবাদ পেয়ে পৌর মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু দোতলা থেকে নিচে নেমে আসেন এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনছার উদ্দিন সংবাদ শুনে ঘটনাস্থলে যান এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। লেগুনাটি পৌরসভার মধ্যেই রয়েছে। চালক চাবি নিয়ে চলে যান।
এএসআই তৌহিদ মিয়ার ক্লোজের বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনছার উদ্দিন ও কোতয়ালি থানার ওসি অপূর্ব হাসানের কাছে মোবাইল করা হয়। কিন্তু তারা ফোন না ধারায় তাদের মন্তব্য জানা যায়নি। তবে পৌরসভার উপসহকারি প্রকৌশলী কামাল হোসেন জানিয়েছেন, ওই অফিসারকে ক্লোজড করা হয়েছে। এএসআই তৌহিদের পুলিশ লাইনে ক্লোজের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কোতয়ালি থানার ডিউটি অফিসার এসআই মিজানুর রহমান।