আবারো কমেছে সূচক, লেনদেন তলানিতে

বুধবার দিনশেষে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জের (ডিএসই) সার্বিক মূল্যসূচক কমেছে ২৭.৫৮ টাকা। এ সময় ডিএসইতে ৩৫৩ কোটি ৪০ লাখ টাকার লেনদেনে হয়েছে। যা গত ১৮ ডিসেম্বরের পর সর্বনিম্ন।

অপরদিকে চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের (সিএসই) সাধারণ মূল্যসূচক কমেছে ২৫.৫৭ পয়েন্ট। এসমঢ সিএসইতে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। ডিএসই ও সিএসই’র বাজার বিশ্লেষণে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার বিশ্লেষণে দেখা যায়, দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হওয়া ১২১টি প্রতিষ্ঠানের শেয়ার ও ইউনিটের দদর বেড়েছে, দর কমেছে ১৬৫টির। আর ৬১টির দর অপরিবর্তিত ছিল। এ সময় ডিএসইতে ৬ কোটি ৪৮ লাখ ৪৭৩টি শেয়ার লেনদেন হয়েছে।

বেশির ভাগ প্রতিষ্ঠানের শেয়ারের এমন দর কমায় ডিএসইর প্রধান মূল্যসূচক আগের কার্যদিবসের তুলনায় ২৭ পয়েন্ট কমে ৫ হাজার ৫০২ পয়েন্টে স্থিতি পেয়েছে। এ সময় ডিএসই-৩০ আগের দিনের তুলনায় ১১.৩২ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ৯৬৮ পয়েন্টে দাঁড়িয়েছে। আর ডিএসই শরিয়াহ সূচক ৪.৫৯ পয়েন্ট কমে ১ হাজার ২৮১ পয়েন্টে অবস্থান করছে।

দিনশেষে ডিএসইতে লেনদেন হয়েছে ৩৫৩ কোটি ৪০ লাখ টাকা। আগের কার্যদিবসে লেনদেন হয় ৩৮৫ কোটি ৭৭ লাখ টাকা।

টাকার অঙ্কে এ দিন ডিএসইতে সব থেকে বেশি লেনদেন হয়েছে ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্রাকোর শেয়ার। কোম্পানিটির ২৬ কোটি ৭০ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেন হয়েছে। এর পরেই রয়েছে মুন্নু সিরামিক। কোম্পানিটির শেয়ার লেনদেন হয়েছে ২৫ কোটি ৩১ লাখ টাকার। ১৪ কোটি ৪১ লাখ টাকার শেয়ার লেনদেনের মধ্যে দিয়ে টার্নওভারের তৃতীয় অবস্থানে ছিল স্কয়ার ফার্মা।

টার্নওভার তালিকায় থাকা অন্যান্য কোম্পানিগুলো হলো—সিঙ্গার বাংলাদেশ, গ্রামীণফোন, ইউনাইটেড পাওয়ার, জেএমআই সিরিঞ্জ, ব্র্যাক ব্যাংক, ইন্দোবাংলা ফার্মা ও খুলনা পাওয়ার কোম্পানি।

অপরদিকে, চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জের সার্বিক মূল্যসূচক সিএসসিএক্স ২৫.৫৭ পয়েন্ট কমে ১০ হাজার ২১২ পয়েন্টে অবস্থান করছে। বাজারটিতে লেনদেন হয়েছে ২৩ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। লেনদেন হওয়া ২১৮টি প্রতিষ্ঠানের মধ্যে ৮২টির দর বেড়েছে। বিপরীতে দর কমেছে ১০৪টির। আর দর অপরিবর্তিত রয়েছে ৩২টির।