যশোরে ৬শ’৯১ কেন্দ্রে দায়িত্বে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ১১ হাজার ৭শ’৬৩ সদস্য ও ৩৩ ম্যাজিস্ট্রেট

নিজস্ব প্রতিবেদক>
চতুর্থধাপে যশোরের ৭ উপজেলা পরিষদের নির্বাচনে ব্যাপক নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে জেলা প্রশাসন। ৮ উপজেলার মধ্যে একমাত্র শার্শা বাদে বাকি ৭ উপজেলায় ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। কারণ শার্শা উপজেলায় আগেই চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজনই বিনা প্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন।
যশোর সদর উপজেলায়ও চেয়ারম্যান পদে বিনাপ্রতিদ্বন্ধিতায় নির্বাচিত হয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান শাহীন চাকলাদার। বাকি দুইটি পদ ভাইস চেয়ারম্যান এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ভোট হবে। ফলে আজ রোববার ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হচ্ছে ৭ উপজেলায় ।
যশোর পুলিশের বিশেষ শাখা থেকে জানাগেছে. যশোরের নির্বাচনে ৬৯১টি কেন্দ্রে আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ১১ হাজার ৭৬৩ জন সদস্য নিয়োগ করা হয়েছে। এদের মধ্যে পুলিশ আছে ২ হাজার ৮শ’ ৪৩ জন, র‌্যাবের ১৪টি মোবাইল টিমে ১৫০জন সদস্য, বিজিবির ২৪ প্লাটুনে ৪৫১ জন সদস্য এবং আনসার বাহিনীর আছে ৮ হাজার ৩৬৪ জন। এ বাদেও ট্রাফিক পুলিশ, সাদা পোশাকের বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করবেন। রিজার্ভ ও স্টাইকিং ফোর্স প্রস্তুত করে রাখা হয়েছে। ৭ উপজেলায় ৩৩ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট দায়িত্ব পালন করবেন বিভিন্ন ভোট কেন্দ্রে। কোন রকম অনিয়ম বা বেআইনি কাজ হলে তারা আটক করে সাজা দিতে পারবেন। মোবাইল কোর্টে দায়িত্বপ্রাপ্তরা ইতোমধ্যে স্ব স্ব নির্বাচনী এলাকায় পৌছে গেছেন।
পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক মো. আল মামুন সরকার জানিয়েছেন, নির্বাচন সুষ্ঠু করতে পুলিশের পক্ষ থেকে সব ধরণের প্রস্তুতি নেয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশসহ আইন শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা পৌছে গেছেন। কেন্দ্রে বা আশেপাশে কোন প্রকার অনিয়ম হলে পুলিশ ব্যবস্থা নেবে। জরুরি প্রয়োজনে জনসাধারণ প্রত্যেক থানার ওসির সাথে যোগাযোগ রাখবেন।
এক প্রশ্নের জবাবে তিনি আরো বলেছেন, সবগুলো কেন্দ্র গুরুত্বপূর্ণ। তবে ৬৯১টি কেন্দ্রের মধ্যে ৩৭৭টি কেন্দ্র বিশেষ নজরে থাকবে। এখানে কোন প্রকার অনিয়ম যাতে না হয় সে জন্য পুলিশ প্রশাসনকে সর্তক থাকতে বিশেষ নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।
যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ডিএসবি) আনছার উদ্দিন আশা প্রকাশ করে বলেছেন, যশোরের উপজেলার পরিষদের নির্বাচন সুষ্ঠু ও সুন্দর হবে। এজন্য সাধারণ মানুষের সহযোগিতা প্রত্যাশা জরুরি। যেকোন প্রয়োজনে সাধারণ মানুষ পুলিশের স্মরণাপন্ন হতে পারবে।
এ দিকে নির্বাচন কমিশন সূত্রে জানাগেছে, সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে। এখন অপেক্ষা পালা ভোট গ্রহণ। যশোরের ৭টি উপজেলায় ভোট গ্রহণ করা হবে। এরজন্য ৬৯১টি কেন্দ্রে প্রিজাইডিং ও সহকারী প্রিজাইডিং অফিসার দিয়ে মোট ১৬ হাজার ১১১জনকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।