এফআর টাওয়ার নির্মাণে দুর্নীতি খতিয়ে দেখতে দুদকের অনুসন্ধান শুরু

অন্যরা হলেন-কাশেম ড্রাইসেল ব্যাটারির মালিক ও এফ আর টাওয়ারের বর্ধিত অংশের মালিক তাসভির উল ইসলাম এবং রাজউকের সংশ্লিষ্ট ইমারত পরিদর্শকসহ আরো কয়েকজন।

অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত হওয়ার পর বুধবার দুদকের প্রধান কার্যালয় থেকে সংস্থাটির উপ-পরিচালক আবু বকর সিদ্দিককে অনুসন্ধান কর্মকর্তা নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

ঘুষ দিয়ে রাজউক কর্মকর্তাদের সহযোগিতায় ১৮ তলা অনুমোদন নিয়ে ২৩ তলা ভবন নির্মাণ করেছিলেন বলে অভিযোগে বলা হয়েছে। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তারা অবৈধভাবে ভবন নির্মাণ ও অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখার জন্য দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অনুসন্ধানকারী কর্মকর্তাকে।

এর আগে গত ৩১ মার্চ দুদকের চেয়ারম্যান ইকবাল মাহমুদ অনুসন্ধানের বিষয়টি ইঙ্গিত দিয়েছিলেন।

 

দুদক চেয়ারম্যান বলেন, এফ আর টাওয়ারের ১৮ তলা অনুমোদন নিয়ে ২৩ তলা করেছে। এই অনিয়মের সঙ্গে কারা জড়িত, এটা আস্তে আস্তে বেরিয়ে আসছে এবং বেরিয়ে আসবে। আমি বিশ্বাস করি এদের ক্ষমা হবে না। যদি এরা কোর্ট থেকেও ছাড়া পায়, দুদক থেকে তারা ছাড়া পাবে না। এভাবে জনগণকে নিয়ে ছিনিমিনি খেলা আর সহ্য করা উচিত না। তারা কোর্ট থেকে ছাড়া পেলেও দুদক থেকে ছাড়া পাবে না।

গত ২৮ মার্চ দুপুরে বনানীর এফ আর টাওয়ারে আগুন লাগে। এখন পর্যন্ত বনানীর আগুনের ঘটনায় নিহত হয়েছেন ২৬ জন। বহু লোক গুরুতর আহত হয়ে রাজধানীর বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। বনানীর আগুনের হতাহত হওয়ার ঘটনায় মামলা হয়।

 

মামলার এজাহারে তিনজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করা হয়েছে। তিন আসামি হলেন প্রকৌশলী ফারুক হোসেন, রূপায়ণ গ্রুপের চেয়ারম্যান লিয়াকত আলী খান মুকুল এবং বিএনপি নেতা তাসভির উল ইসলাম।

অভিযোগে বলা হয়, এফ আর (ফারুক রূপায়ন) টাওয়ারের মালিক ইঞ্জিনিয়ার এস এম এইচ আই ফারুক হোসেন ও অন্যান্যদের বিরুদ্ধে রাজউক কর্মকর্তাদেরকে ঘুষ দিয়ে তাদের সহযোগিতায় রাজউক অনুমোদিত ১৮ তলা নকশার ওপর অবৈধভাবে ২৩ তলা ভবন নির্মাণ করা হয়। এতে নকশার ত্রুটি বিচ্যুতি ও অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।