ফ্রুটিকা খাইয়ে ফখরুলদের অনশন ভাঙলেন এমাজউদ্দীন

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক : দলের চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার চিকিৎসা ও নিঃশর্ত মুক্তির দাবিতে প্রায় সোয়া ছয় ঘন্টার অনশন কর্মসূচি পালন করেছে বিএনপি।

রোববার সকাল সাড়ে ১০টায় রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউট মিলনায়তনে গণঅনশন কর্মসূচি শুরু করে বিএনপি নেতারা। শেষ হয় বিকাল ৪টা ৪০ মিনিটে। গণঅনশন কর্মসূচি আয়োজন করে বিএনপি।

দলের মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের বক্তব্যের মধ্য দিয়ে কর্মসূচি শেষ হলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য এমাজউদ্দীন আহমদ নেতাদের ফ্রুটিকা পান করিয়ে এ অনশন ভাঙ্গান।

এর আগে সভাপতির বক্তব্যে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, যেকোনো মূল্যে দেশনেত্রী খালেদা জিয়াকে মুক্ত করতে হবে। সেজন্য আমাদের আন্দোলন শুরু করতে হবে।

তিনি বলেন, দেশনেত্রীর চিকিৎসা হচ্ছে না। আমরা বিশেষায়িত হাসপাতালে তার চিকিৎসার কথা বলেছি। কারণ সরকারি হাসপাতাল সরকারের নিয়ন্ত্রণ থাকে, চিকিৎসাও সেইভাবে দেয়া হয়।

খালেদা জিয়ার প্যারোলে মুক্তির বিষয় নিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালের বক্তব্যের দিকে ইঙ্গিত করে ফখরুল বলেন, আমরা দেশনেত্রীর নিঃশর্ত মুক্তির কথা বলছি। আমরা কোনো প্যারোলে মুক্তির কথা বলিনি। জামিনের কথা বলেছি।

খালেদা জিয়াকে তারা বাইরে আনতে ভয় পায় উল্লেখ করে ফখরুল আরো বলেন, গণতন্ত্র বাঁচাতে হলে খালেদা জিয়াকে বাইরে আনতে হবে। তার নেতৃত্বে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধার হবে।

জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট ও ২০ দলীয় জোটের শীর্ষ নেতারাও অনশনে সংহতি প্রকাশ করে বক্তব্য দেন।

এর মধ্যে কৃষক শ্রমিক জনতা লীগের সভাপতি বঙ্গবীর আবদুল কাদির সিদ্দিকী, জেএসডির আসম আবদুর রব, নাগরিক ঐক্যের মাহমুদুর রহমান মান্না, গণফোরামের মোস্তফা মহসিন মন্টু অন্যতম।

এছাড়া, ২০ দলের শরিক কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান সৈয়দ মুহাম্মদ ইবরাহীম, লেবার পার্টির মোস্তাফিজুর রহমান ইরান, জমিয়তে ওলামার মহিউদ্দিন ইকরাম প্রমুখ বক্তব্য দেন।

অনশনে অংশ নেন, বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ব্যারিস্টার মওদুদ আহমদ, নজরুল ইসলাম খান, ভাইস চেয়ারম্যান ডা: এ জেড এম জাহিদ হোসেন, আহমদ আজম খান, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা আব্দুস সালাম, হাবিবুর রহমান হাবিব, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আব্দুস সালাম, প্রচার সম্পাদক শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, সহ-প্রচার সম্পাদক কৃষিবিদ শামিমুর রহমান, আমিরুল ইসলাম খান আলিম প্রমুখ।