‘দরিদ্রতাকে পুঁজি করে অনেকে নোবেল পুরস্কার পেয়েছে’

নিজস্ব প্রতিবেদক : গণমাধ্যম ও কিছু সুশীলের সমালোচনা করে আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও নৌ প্রতিমন্ত্রী খালিদ মাহমুদ চৌধুরী বলেছেন, বাসন্তীর ছবি বিক্রি করে অনেকেই বড় লোক হয়ে গেছে; বাসন্তীরা বাসন্তীই আছে। আমাদের দরিদ্রতাকে পুঁজি করে অনেকে নোবেল পুরস্কারও পেয়েছে। কিন্তু সেই দরিদ্রতা দূর করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

‘নদী ও জলকেন্দ্রিক পর্যটন: সম্ভাবনা ও চ্যালেঞ্জ’- শীর্ষক সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

রাজধানীর হোটেল সোনারগাঁওয়ে শুক্রবার ভ্রমণ বিষয়ক ম্যাগাজিন ‘ভ্রমণ’ ও নৌ মন্ত্রণালয়ের যৌথ আয়োজনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

বর্তমান সরকার বহির্বিশ্বে বাংলাদেশকে মেলে ধরার চেষ্টা করছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী বলেন, আমরা দেশটাকে কতটুকু মেলে ধরতে পেরেছি। আমি যদি না জানি কলকাতা শহরটা কী রকম; আমাকে কিন্তু টানবে না। আমি যদি না জানি আমেরিকা কী রকম আমাকে কিন্তু টানবে না।

নৌপথ তৈরি করাকে বর্তমান সরকারের চ্যালেঞ্জ আখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, ২০০৮ সালে আমাদের চ্যালেঞ্জ ছিল বিদ্যুৎ। আমরা তাতে সফল হয়েছি। বর্তমান সরকারের এবারের চ্যালেঞ্জটা হচ্ছে ১০ হাজার কি.মি নৌপথ তৈরি করার। এ নৌপথ যদি আমরা তৈরি করতে পারি- তাহলে পর্যটক এমনিই আসবে।

জনগণের খুব বেশি প্রত্যাশায় উষ্মা প্রকাশ করে তিনি বলেন, আমরা ১০ বছরের মধ্যে বুড়িগঙ্গাকে একটা জায়গায় নিতে চাই।

নৌ মন্ত্রণালয়ের সচিব আবদুস সামাদের সভাপতিত্বে ও ভ্রমণ সম্পাদক আবু সুফিয়ানের সঞ্চালনায় আরো বক্তব্য দেন, পর্যটন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান আখতারুজ্জামান খান কবির, বিআইডব্লিউটিএর চেয়ারম্যান কমোডোর এম মাহবুব উল ইসলাম, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি বিভাগের চেয়ারম্যান ড. বদরুজ্জামান ভূঁইয়া, ডিআইজি (ট্যুরিস্ট পুলিশ) মল্লিক ফখরুল ইসলাম, সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নওয়াজেশ আলী খান প্রমুখ।