মাশরাফি ধর্মান্ধ, বিএসএমএমইউ চিকিৎসকের কটাক্ষ

ক্রীড়া প্রতিবেদক : মাত্রই কয়েক দিনের অপেক্ষা। নড়াইল-২ আসনের এমপি মাশরাফি বিন মর্তুজার নেতৃত্বে স্বপ্নের বিশ্বকাপ খেলবে বাংলাদেশ।

আগামী ৩০ মে থেকে ইংল্যান্ডে হতে যাওয়া ক্রিকেট বিশ্বকাপ নিয়ে শেষ সময়ের জোর প্রস্তুতি চলেছে টাইগার শিবিরে। ঘাম ঝরিয়েছেন মাশরাফি-সাকিবরা। বিশ্বকাপ খেলার প্রস্তুতি হিসেবে আয়ারল্যান্ডে খেলবে ত্রিদেশীয় সিরিজ। সেজন্য গতকাল বুধবার তারা দেশ ছেড়েছেন।

কিন্তু, দেশ ছাড়ার আগে বাংলাদেশ দল এবার ভিন্ন এক অভিজ্ঞতা অর্জন করেছে। বলা চলে বিব্রতকর অভিজ্ঞতা। বিশেষ করে সোশ্যাল মিডিয়ায়। শুরুটা হয়েছে ক্রিকেটার মাশরাফি নন, এমপি মাশরাফিকে নিয়ে। পর্যায়ক্রমে ক্রিকেটারদের ব্যক্তিগত জীবন, ধর্মীয় বিশ্বাসকে টেনে এনে কটাক্ষ করা হয়েছে।

নিজ আসনের সদর আধুনিক হাসপাতালে গেয়ে রোগিদের কষ্টে আবেগ ধরে রাখতে পারেননি নড়াইল এক্সপ্রেস। কোনো চিকিৎসককে দায়িত্বে না পেয়ে গত ২৫ এপ্রিল ক্ষুব্ধ হন তিনি। হাজিরা খাতা খতিয়ে দেখেন, চিকিৎসকরা বিনা ছুটিতেই টানা কয়েক দিন কর্মস্থলে নেই।

এরপর প্রথমবার সংসদে যাওয়া মাশরাফি রোগি সেজে সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকদের ফোন দেন। তারা তখন, তাকে ২৮ এপ্রিল হাসপাতালে এসে চিকিৎসা নিতে বলেন। এরপর মাশরাফি নিজের জনপ্রতিনিধিত্বের পরিচয় দিয়ে, তাদের টানা কর্মস্থলে না থাকার বিষয়ে জানতে চান। সদুত্তর না দিয়ে চিকিৎসকরা প্রসঙ্গ পাল্টাতে চাইলে এক পর্যায়ে দেশসেরা এই পেসার এক চিকিৎসককে বলেই বসেন, ‘আপনি কি আমার সঙ্গে ফাজলামো করছেন?’

পরে অবশ্য বিনয়ী মাশরাফির দাবি, তিনি তার ভুল বুঝতে পেরেছেন এবং সংশ্লিষ্ট চিকিৎসককে ‘সরি’ বলতে পাঁচ পাঁচবার ফোন করেছেন।

কিন্তু, হাসপাতালে রোগি সেজে চিকিৎসকের সঙ্গে মাশরাফির কথোপকথন কেউ একজন ভিডিও করে সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে দেন। এরপর থেকেই মূলত চিকিৎসকরা মাশরাফি এবং বাংলাদেশ দলের অন্য ক্রিকেটারদের ঠিকুজি উদ্ধারে উঠেপড়ে লেগেছেন। তারকা চিকিৎসক ও জনপ্রিয় উপস্থাপক আব্দুন নূর তুষার থেকে শুরু করে এই বিষোদগারে শামিল হয়েছেন অনেকেই।

তাদেরই একজন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (বিএসএমএমইউ) হাসপাতালের চিকিৎসক (এফসিপিএস, মেডিসিন ও এমডি, চেস্ট ডিজিস) আমিনুল ইসলাম (Aminul Islam) ।

তিনি মাশরাফির নামায পড়া থেকে শুরু করে পোশাক নিয়ে নানা কটাক্ষ করেছেন।