ঝিনাইদহের অপহৃত স্কুল ছাত্র ঢাকায় উদ্ধার

ঝিনাইদহের অপহৃত স্কুল ছাত্র ঢাকায় উদ্ধার

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : কালীগঞ্জে অপহরণের ৩ দিন পর ঢাকার কেরানিগঞ্জ থেকে অপহৃত স্কুলছাত্র রিয়াদকে উদ্ধার ও অপহরণকারী মুন্নাকে আটক করেছে পুলিশ। মঙ্গলবার দুপুরে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে কালীগঞ্জ থানা পুলিশ ঢাকার কেরানিগঞ্জে মহুরী পট্টি জনৈক সাগরের ভাড়াটিয়া বাড়িতে অভিযান চালিয়ে স্কুলছাত্র রিয়াদকে উদ্ধারসহ অপহরণকারী মুন্নাকে আটক করা হয়। মুন্না বগেরগাছী গ্রামের শুকুর মেল্লা ড্রাইভারের ছেলে।

তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই দেলোয়ার হোসেন বলেন, অপহরণকারী মুন্না স্কুলছাত্র রিয়াদকে অপহরণের পর থেকে ৩ লক্ষ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে আসছিল ।অন্যথায় খুন করারও হুমকি দেয়। অপহৃত স্কুল ছাত্রের পিতা ফারুক হোসেনকে সাথে নিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জে মুন্নার মোবাইল ফোন ট্রেকিং করে বাড়ি নং-২, রোড নং-বি২, মুহুরী পট্টী জনৈক সাগর এর ভাড়াটিয়া বাড়ি থেকে স্কুলছাত্র রিয়াদকে উদ্ধার ও অপহরণকারী তাইজুল ইসলাম ওরফে স্বপন ওরফে মুন্নাকে আটক করা হয়।

এসআই দেলোয়ার আরো বলেন, অসুস্থ্ মায়ের নাস্তা আনতে অপহরণকারী মুন্না স্কুলছাত্র রিয়াদকে নিয়ে বগেরগাছি বাজারে যাওয়ার কথা বলে পথিমধ্যে রিয়াদকে ঘুমের ওষধ খাওয়ায়ে ঢাকায় নিয়ে যায়।

কালীগঞ্জ থানার ওসি ইউনুচ আলী বলেন, এসআই দেলোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে কালীগঞ্জ থানা পুলিশের একটি টিম অভিযান চালিয়ে ঢাকার কেরানীগঞ্জে জনৈক সাগরের ভাড়াটিয়া বাড়ি থেকে স্কুলছাত্র রিয়াদকে উদ্ধার ও অপহরণকারী তাইজুল ইসলাম ওরফে স্বপন ওরফে মুন্নাকে আটক করে কালীগঞ্জ থানাতে আনা হয়।

এঘটনায় অপহৃত রিয়াদের পিতা ফারুক হোসেন অপহরণকারী মুন্নাসহ ৩ জনকে আসামি করে  অপহরণ মামলা দায়ের করেছেন। মামলা অপর দুই আসামি মুন্নার বাবা শুকুর মোল্লা ও মুন্নার স্ত্রী সুইটি আক্তার আনোয়ারা পালাতক রয়েছে।

প্রসঙ্গত. শনিবার সকালে অপহরণকারী মুন্না উপজেলার বগেরগাছি গ্রামে আত্মীয় পরিচয়ে ফারুকের বাড়িতে উঠে ছেলে রিয়াদ হোসেন (১০)কে অপহরণর করে। পরিবারের লোকজন অনেক খোঁজাখুঁজি করেও স্কুলছাত্র রিয়াদ ও অপহরণকারী মুন্নার কোন খোঁজ না পেয়ে রবিবার রিয়াদের পিতা ফারুক হোসেন কালীগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

স্কুলছাত্র রিয়াদ বগেরগাছি গ্রামের ফারুক হোসেনের পুত্র ও বগেরগাছি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৪র্থ শ্রেণির ছাত্র।