গান্ধীর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে শপথের দিন শুরু মোদীর

স্পন্দন আন্তর্জাতিক ডেস্ক : টানা দ্বিতীয়বারের মতো ভারতের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে শপথ নিতে যাচ্ছেন বিজেপি নেতা নরেন্দ্র মোদী।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শপথ অনুষ্ঠান হওয়ার কথা, কিন্তু ভোরেই দিল্লির রাজঘাটে মহাত্মা গান্ধী মেমোরিয়াল পরিদর্শনের মাধ্যমে দিনটি শুরু করছেন মোদী, জানিয়েছে এনডিটিভি।

স্থানীয় সময় সকাল ৭টায় গান্ধী মেমোরিয়ালে উপস্থিত হন ভারতের প্রধানমন্ত্রী। সেখানে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করে কিছু সময় অবস্থান করেন তিনি।

এরপর ভারতের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিজেপি নেতা অটল বিহারি বাজপেয়ীর সমাধিতে যান তিনি। গত বছরের ১৬ অগাস্ট বাজপেয়ীর মৃত্যুর পর ডিসেম্বরে তার পদ্ম ফুল আকৃতির সমাধিটি নির্মাণ করা হয়। এখানে শ্রদ্ধা জ্ঞাপনের সময় মোদীর সঙ্গে বিজেপি সভাপতি অমিত শাহ্, বিজেপি নেতা রবি শঙ্কর প্রাসাদ, মানেকা গান্ধী, স্মৃতি ইরানিসহ বিজেপি ও এনডিএ জোটের বেশ কয়েকজন নেতা উপস্থিত ছিলেন।

এরপর মোদী দিল্লির ইন্ডিয়া গেটের কাছে ন্যাশনাল ওয়ার মেমোরিয়ালে যান। এখানে বিভিন্ন যুদ্ধে ভারতের নিহত সৈন্যদের স্মৃতির প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন ও স্যালুট জানান তিনি।

ভারতের রাজধানীর ওই তিনটি স্থানে মোদীর ভ্রমণের সময় কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছিল, বিভিন্ন স্থাপনা ও ভবনের ওপরে স্নাইপার মোতায়েন করা হয়েছিল বলে পুলিশের এক ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার বরাতে জানিয়েছে বার্তা সংস্থা পিটিআই।

সাত দফায় অনুষ্ঠিত ভারতের জাতীয় নির্বাচনের ফলাফল ২৩ মে প্রকাশ করা হয়। বিপুল জয় নিয়ে ফের ক্ষমতায় আসে বিজেপি। এর ঠিক এক সপ্তাহ পর দ্বিতীয় মেয়াদের জন্য শপথ নিচ্ছেন মোদী।

ভারতের স্থানীয় সময় সন্ধ্যা ৭টায় দিল্লির রাষ্ট্রপতি ভবনে শপথ অনুষ্ঠান শুরু হবে। অনুষ্ঠানে প্রায় আট হাজার আমন্ত্রিত অতিথি উপস্থিত থাকবেন। এদের মধ্যে বাংলাদেশ, ভারত, মিয়ানমার, শ্রীলঙ্কা, থাইল্যান্ড, নেপাল ও ভুটানের নেতাদেরও থাকার কথা রয়েছে।

বিশ্ব নেতাদের পর ভারতের বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী, রাজনৈতিক দলের নেতা, ব্যবসায়ী নেতা, কূটনীতিক, রাষ্ট্রদূত, যশস্বী ব্যক্তিবর্গ ও লোকসভার বিরোধীদলীয় সদস্যদের অনুষ্ঠানে উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে।

অনুষ্ঠানে কংগ্রেস দলীয় সভাপতি রাহুল গান্ধী ও তার মা সোনিয়া গান্ধী উপস্থিত থাকবেন বলে কয়েকটি সূত্র এনডিটিভিকে জানিয়েছে।

পিটিআই জানিয়েছে, শপথ অনুষ্ঠান উপলক্ষে কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে অনুষ্ঠানস্থল ও সংশ্লিষ্ট এলাকাগুলোতে দিল্লি পুলিশ ও আধাসামরিক বাহিনীর ১০ হাজার নিরাপত্তা সদস্য মোতায়েন করা হয়েছে।