বেনাপোলে স্বেচ্ছাসেবকলীগ নেতা মন্টুকে হত্যার উদ্দেশ্যে বোমা হামলা চালিয়েছিল মেয়র লিটনের মদদপুষ্ট আকুল বাহিনী

নিজস্ব প্রতিবেদক:বেনাপোল পৌরসভার মেয়র আশরাফুল আলম লিটনের মদদপুষ্ট সন্ত্রাসী আকুল বাহিনীর সন্ত্রাসীরা পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টুকে হত্যার উদ্দ্যেশ্যে বোমা হামলা চালিয়েছিল। গত ১৩ জুন রাতে বাড়ির সামনে বোমা হামলায় সামান্যের জন্যে প্রাণে রক্ষা পান মন্টু। কিন্তু এব্যাপারে মামলা হলেও কেউ আটক হয়নি। এক সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি জানান বেনাপোল স্বেচ্ছাসেবকলীগের নেতৃবৃন্দ।
শনিবার সকালে প্রেসক্লাব যশোরের সম্মেলন কক্ষে এই সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক কামাল হোসেন। এসময় উপস্থিত ছিলেন সভাপতি জুলফিকার আলী মন্টু জেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ ইমামুল কবীর, শার্শা উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ওয়াহিদুজ্জামান, সাধারণ সম্পাদক সোহরাব হোসেন, উপজেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল হোসেন রাসেল, বেনাপোল স্বেচ্ছাসেবকলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক কেএম সরোয়ার হোসেন, পৌর ছাত্রলীগের সভাপতি আব্দুল্লাহ্ আল মামুন জোয়াদ্দার, সাধারণ সম্পাদক তৌহিদুল ইসলামসহ স্বেচ্ছাসেবকলীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগের শীর্ষনেতৃবৃন্দ ।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয় ২০০৩ সালে বিএনপি-জামায়াত জোটের শাসনামলে বেনাপোল ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হন জুলফিকার আলী মন্টু। পরবর্তিতে ২০১৬ সালে সম্মেলনের মাধ্যমে বেনাপোল পৌর স্বেচ্ছাসেবকলীগের সভাপতি নির্বাচিত হন তিনি। এসময় নেতৃবৃন্দ বলেন শান্ত বেনাপোলকে অশান্ত করতে জামায়াত পরিবারের সদস্য মেয়র লিটন ও তার সন্ত্রাসী বাহিনীর সদস্যরা নানা অপকর্ম করে যাচ্ছে। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের যুগ্ম কমিশনার মুস্তাফিজুর রহমানের উপর মেয়রের নির্দেশে আকুল বাহিনী হামলা চালায় এবং এ বিষয়ে মামলাও হয়েছে। ২০১৭ সালের ৯ এপ্রিল খুলনা – কলকাতা দ্বিতীয় মৈত্রী এক্সপ্রেস চালুর দিনে ইউপি চেয়ারম্যান ইলিয়াস কবীর বকুলকে লাঞ্ছিত করে আকুল বাহিনী। ২০১৮ সালের ২৩ জানুয়ারি আকুল ও রাশেদ বাহিনী শ্রমিকদের উপর হামলা চালায়। এসময় ছোট আঁচড়া মোড়ে আওয়ামী লীগের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে বঙ্গবন্ধু ও জননেত্রী শেখ হাসিনার ছবি ভাঙচুর করে তারা। বেনাপোলস্থ আকুলের বাসভবন থেকে প্রশাসন কয়েকবার তল্লাশী চালিয়ে দেশীয় অস্ত্র ও মাদক উদ্ধার করে। তার নামে বেনাপোল পোর্ট থানায় একাধিক মামলা আছে। নেতৃবৃন্দ মন্টুর উপর বোমাহামলা কারিদের অবিলম্বে গ্রেফতারের দাবি জানিয়েছেন প্রশাসনের কাছে।