মহেশপুরে করতোয়ার খনন শেষ, চলছে কোদলা খননের প্রস্তুতি

::অসীম মোদক, মহেশপুর::
ঝিনাইদহের মহেশপুরের সীমান্তবর্তী করতোয়া নদী খনন শেষে এবার ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত এলাকার কোদলা নদী খননের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এটি খনন হলে কৃষকদের দীর্ঘদিনের দাবি পুরণ হবে।

মাত্র কয়েকদিন পুর্বে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে ১৬ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য করতোয়া নদী খননের কাজ শেষ হয়েছে। দীর্ঘদিন যাবৎ এই নদীটিও এলাকার ভুমিদস্যূদের দখলে ছিল। একাধিকবার স্থানীয় পর্যায়ে খননের চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছে। চলতি বছরে স্থানীয় সংসদ সদস্য আলহাজ শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চলের প্রচেষ্টায় খননের প্রক্রিয়া শুরু হয়।

২০১৮-১৯ অর্থ বছরে আড়াই কোটি টাকা ব্যয়ে পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে কুষ্টিয়ার জনৈক ঠিকাদার দত্তনগর থেকে রুলি পর্যন্ত ১৬ কিলোমিটার করতোয়া নদীটি খননের কাজ শেষ করেন।

মহেশপুর উপজেলার করতোয়া, কোদলা, ইছামতি, কপোতাক্ষ ও ভৈরব নদী প্রবাহমান। এলাকার ভূমিদস্যুরা ক্রমান্বয়ে এ সকল নদী বাধ, পুকুর খনন করে নদীর শ্রেণি পরিবর্তন করে ডাঙ্গা সৃষ্টি করে গাছপালা লাগিয়ে এবং বসতবাড়ী তৈরি করে দখল করে রেখেছে। কোদলা ও করতোয়া নদীটি মহেশপুর উপজেলার ২৫/৩০ কিলোমিটার দৈর্ঘ্য। এর মধ্যে ১৬ কিমি খনন করা হলেও বাকীটা এখনও ভূমি দস্যুদের দখলে রয়েছে।

স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খাঁন চঞ্চল জানান, দখলদারা যত শক্তিশালীই হোক তাদেরকে উচ্ছেদ করে সরকারি নকশা অনুযায়ী নদীটির খনন করা হবে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের ঝিনাইদহের নির্বাহী প্রকৌশলী সরোয়ার জাহান সুজন বলেন, ২০১৯ সালে ১৬ কি.মি খননের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। নদীর বাকী অংশ খননের জন্য প্রকল্প প্রস্তাব মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে অনুমোদন স্বাপেক্ষে আগামী অর্থ বছরে সম্পন্ন করা হবে।