কেশবপুরে স্কুলছাত্রী ধর্ষণ ও গর্ভপাতের অভিযোগ

প্রতীকী ছবি

::কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি::
কেশবপুরে ৯ম শ্রেণির এক ছাত্রীকে ফুসলিয়ে ধর্ষণ ও পরবর্তীতে অবৈধভাবে গর্ভপাতের অভিযোগে কেশবপুর থানায় মামলা হয়েছে। ছাত্রীর মামা বাদী হয়ে লম্পট বিল্লাল হোসেনের (৪৫) নামে মামলাটি করেছেন। চুরির ভয়ে নবজাতকের মাটি চাপা দেয়া স্থানে পুলিশ পাহারা বসানো হয়েছে।

কেশবপুর থানায় মামলা ও সরেজমিন জানা গেছে, নবম শ্রেণি পড়ুয়া শিক্ষার্থী মামা বাড়িতে থেকে লেখাপড়া করতো। এ সময় উপজেলার সারুটিয়া গ্রামের খালেক সরদারের ছেলে বিল্লাল তার সাথে সখ্যতা গড়ে তোলে। মেয়েটি বিল্লালকে নানা সম্পর্কে ডাকতো। বিল্লাল সুযোগ বুঝে প্রলোভন দেখিয়ে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে ধর্ষণ করে। এক পর্যায়ে ৬/৭ মাসের গর্ভবতী হয়ে পড়ে। বিষয়টি সে বিল্লালকে জানালে গত ২৪ জুন সে বাচ্চা নষ্ট করার ওষুধ তাকে খেতে বাধ্য করে। মামা-মামী বাড়িতে না থাকার সুযোগে বিল্লাল নিজে পেটের বাচ্চার অবৈধ গর্ভপাত ঘটায়। নবজাতকের লাশটি প্রথমে পাশের পুকুরে ফেলে দেয়।

ঘটনা জানাজানি হলে পরে পুকুর থেকে ওই লাশটি তুলে কবরস্থানে পুতে রাখে। বিষয়টি ধামাচাপা দিতে এলাকার একটি মহল ব্যাপক চেষ্টা চালায়।

খবর পেয়ে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিন ঘটনাস্থলে পুলিশ ফোর্স পাঠান। চুরির আশংকায় নবজাতকের মাটিচাপা দেয়া স্থানে পুলিশ মোতায়েন রয়েছে।

এ ব্যাপারে কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিন জানান, ধর্ষণ ও অবৈধ গর্ভপাতের অভিযোগে অভিযুক্ত বিল্লালকে আটকের চেষ্টা চলছে। আদালতের অনুমতি পেলে লাশ উত্তোলন করে ময়না তদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হবে।