হাতে কলমে শিক্ষা পাচ্ছে যবিপ্রবির পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের শিক্ষার্থীরা

মোসাব্বির হোসাইন, যবিপ্রবি প্রতিনিধি :

নিরাপদ খাদ্য ও পুষ্টিকর জীবন-যাপন এর চাহিদা পূরণের লক্ষ্যে নিত্য নতুন প্রযুক্তি ও জ্ঞানশক্তি কাজে লাগিয়ে খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ, পুষ্টিগুণ বৃদ্ধি , পরিমিত পরিমাণ খাদ্য গ্রহণ ও পুষ্টি ও খাদ্য বিষয়ক বিভিন্ন বিষয়ে হাতে কলমে শিক্ষা পাচ্ছে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়য়ের (যবিপ্রবি) পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি (এনএফটি) বিভাগেরশিক্ষার্থীরা। শিক্ষা ও প্রজুক্তিকে কাজে লাগিয়ে যুগের সাথে তাল মিলিয়ে শিক্ষাকে অধিক গ্রহণযোগ্য ও ফলপ্রসূ করার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছেন পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহকারি অধ্যাপক তানভির আহমেদ।

সনাতন পদ্ধতি থেকে বের হয়ে শিক্ষাকে একধাপ এগিয়ে নিতে শিক্ষার্থীদের সবসময় ইন্টারনেট ভিত্তিক পড়াশুনা ও গবেষণামুলক কাজের দিকে মনোযোগ দেবার পরামর্শ দেন। মেধার বিকাশ ঘটিয়ে ছাত্রছাত্রীদেরকে কর্মমুখী শিক্ষার দ্বারে পৌঁছে দিতে শিক্ষার্থীদের উদ্বুদ্ধ করেন।

শিক্ষক তানভির আহমেদ বলেন, পুষ্টি বিষয়টি সবসময় পরিবর্তনশীল, যার কারনে সবসময় এ বিষয়ে আপডেট তথ্য রাখতে হয়। কারন কোন খাবারে কি ধরনের পুষ্টি উপাদান আছে তা সবসময় পরিবর্তনশীল, সবসময় নতুন নতুন তথ্য ও গবেষণার মাধ্যমে সবার সামনে আসছে। নিয়মিত পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি প্রতিনিয়ত রোগী দেখার পরামর্শ দেন এবং সেটা যদি কোন ধরনের পারিশ্রমিক নাও পাওয়া যায়।

ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশন বিষয়ক এক ব্যাবহারিক ক্লাস নিতে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় স্কুলে গিয়ে তিনি জানান, শারীরিক পুষ্টির অবস্থা জানার জন্য বিভিন্ন ধরনের পদ্ধতি চালু আছে। আমরা কোন ধরনের পরীক্ষা নিরীক্ষা না করেই আমরা কারও শরীরের পুষ্টির অবস্থা বলতে পারি না। আর সে জন্যই আমি শিক্ষার্থীদেরকে সরাসরি হাতে কলমে শেখানোর চেষ্টা করি, আর এর মাধ্যমেই আমার শিক্ষার্থীরা শিখতে পারে।

পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী রিপা নূর চাঁদনী জানান, স্যারের ক্লাসগুলো আমরা খুব উপভোগ করি কারন স্যার শুধু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়য়ের শিক্ষকই নন, তিনি একজন ভাল পুষ্টিবিদও বটে। তিনি প্রতি সপ্তাহে কুষ্টিয়া ও যশোরে নিয়মিত রোগী দেখেন যার কারনে তিনি বুঝতে পারেন শিক্ষার্থীদের কি আর কোন বিষয়গুলো জানা দরকার।

একই বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থীনোমান ইসলাম বলেন, স্যার আমাদের সাথে খুব বন্ধুত্বপূর্ণ আচরন করেন এবং আমাদের মধ্যে জানার আগ্রহ তৈরি করেন। ক্লাস নেবার সময় সর্বদা হাসিমুখে কথা বলেন এবং পড়ার বিষয়ের সাথে ধর্মের যে খুব ভাল সম্পর্ক রয়েছে তিনি সেটাও তুলে ধরেন।

অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যগ্রহনের ফলে বেড়েই চলছে মানুষের স্থুলতা, তাই সুস্থ স্বভাবিক জীবনযাপনের লক্ষ্যে ডায়েটেশিয়ান এবং নিউট্রিশনিস্টদের সঙ্গে সাক্ষাৎ ও বেড়েই চলেছে সমানুপাতিক ভাবে। অপরদিকে বাংলাদেশে দ্রুতগতিতে ফুড প্রসেসিং ইন্ডাস্ট্রির সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলছে। বিভিন্ন সমীক্ষা বলছে আগামী ২ থেকে ৩ বছরে বাংলাদেশের ফুড প্রসেসিং সেক্টর বাড়বে ১০ শতাংশেরও বেশি।