ভাবমূর্তি ফেরাতে মরিয়া বিমান

স্পন্দন নিউজ ডেস্ক :  ভাবমূর্তি ফেরাতে চলতি বছর হজ ফ্লাইট অপারেশনে মরিয়া হয়ে কাজ করছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। এছাড়া বিমানের সব পর্যায়ের কর্মকর্তা হজ ফ্লাইটের খুঁটিনাটি তদারকিতে স্বশরীরে কাজ করছেন।

জানা গেছে, হজের প্রথম ফ্লাইট থেকে শুরু করে প্রতিটি ফ্লাইট অ্যাডভান্স মনিটরিং করা হচ্ছে চিরায়ত সনাতন নিয়মের বাইরে। প্রত্যাশার চেয়েও বেশি দক্ষতা প্রদর্শন করছে বিমানের কর্মীরা। যে কারণে হজ যাত্রীরা এবার স্বস্তির উড়াল দিচ্ছেন। ফলে ঘটেনি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা।

সূত্র জানায়, ২ জুলাই পরিচালক প্রশাসন পরিদফতর থেকে এক জরুরিপত্র জারি করা হয়। জরুরিপত্রটি সবাইকে অবগত করে নিজ নিজ কাজ সুচারুভাবে করতে বলা হয়।

জারিকৃত চিঠি থেকে জানা যায়, প্রতিটি হজ ফ্লাইটে দায়িত্বরত সংশ্লিষ্ট শাখার কর্মকর্তা কর্মচারী ব্যতিত বিমান কর্তৃপক্ষ এবার প্রথম বিমানের সব পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করেছেন। পরিচালক, মহাব্যবস্থাপক, উপ-মহাব্যবস্থাপক, ব্যবস্থাপক ও সহকারী ব্যবস্থাপকসহ সব কর্মকর্তারা হজ যাত্রীদের সেবা প্রদান করবেন। অতিরিক্ত এ দায়িত্ব পালনে তারা কোনো বাড়তি সুবিধা পাবেন না। বিমানের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করতে এ সেবা প্রদানের সিদ্ধান্ত নেয় বিমান কর্তৃপক্ষ। ১৬৮টি ফ্লাইটে এ সেবা প্রদান করা হবে।

চিঠিতে বলা হয়েছে, দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের হজ ক্যাম্পে চেকিং শুরুর এক ঘণ্টা আগে উপস্থিত এবং হজ যাত্রীদের ব্যাগেজ যথাযথভাবে বিমানবন্দরে পাঠানো পর্যন্ত তদারকি করতে হবে। বিমানবন্দরে কর্মরত কর্মকর্তারা হজ ক্যাম্প থেকে হাজিদের টার্মিনালে আসার পর থেকে ফ্লাইট ডিপারচার পর্যন্ত তদারকি করবেন। উভয় ক্ষেত্রে যদি কোনো সমস্যা দেখা দেয় তাহলে মহাব্যবস্থাপক এয়ারপোর্ট সার্ভিস বা পরিচালক সবার সঙ্গে আলোচনা করে সমস্যা সমাধান করবে। হজের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সবার যোগাযোগ ও সমন্বয় করতে হবে। কোনো কর্মকর্তা বিশেষ কোনো কারণে অনুপস্থিত থাকলে আগের দিন মহাব্যবস্থাপক প্রশাসনকে জানাতে হবে। হজ একটি স্পর্শকাতর বিষয় তাই আন্তরিকতার সহিত প্রত্যেককে যথাযথ দায়িত্ব পালনে সচেষ্ট হতে হবে।

বিমান কর্মকর্তাদের অতিরিক্ত দায়িত্বের বিষয়ে বিমানের ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ক্যাপ্টেন ফারহাত হাসান জামিল জাগো নিউজকে বলেন, বিমানের জন্যে হজ একটি স্পর্শকাতর বিষয়। হজ যাত্রীদের সেবার সঙ্গে বিমানের ভাবমূর্তি জড়িত। এছাড়া হজযাত্রীরা আল্লাহর মেহমান। তাদের সুবিধা-অসুবিধা দেখভাল করার দায়িত্ব বিমানের। তাই হজযাত্রীদের আসা যাওয়ার ক্ষেত্রে যেন কোনো অসুবিধা না হয় সেজন্য বিমান তৎপর থাকবে।

তিনি আরও বলেন, কেবল হজই নয়। বিমানের প্রত্যেকটি দিকে ও বিভাগ সমুজ্জ্বল করা হবে।