দুর্ঘটনার ঝুঁকি: যশোরে ফুটপাত ও সড়ক দখল করে দোকান, যত্রতত্র গাড়ি পার্কিং

::মিরাজুল কবীর টিটো::

যশোর সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধিকাংশ রাস্তার পাশের জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী স্থাপনা। অনেকেই ইট বালি স্তুপ করে চালাচ্ছে ব্যবসা। এসব কারণে ব্যস্ততম সব সড়কগুলো রয়েছে দুর্ঘটনা ঝুঁকিতে। সড়ক ও জনপথ বিভাগের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে অবৈধ স্থাপনা নিয়মানুযায়ী উচ্ছেদ করা হবে।

যশোর জেলায় সড়ক ও জনপথ বিভাগের রয়েছে ৩৪০ কিলোমিটার রাস্তা। এসব রাস্তার ধারের বেশিরভাগ জায়গা বেদখল হয়ে গেছে। বিশেষ করে হাট বাজার ও জনবহুল এলাকার জায়গা সবচেয়ে বেশি বেদখল হয়েছে। শহরের কয়েকটি ব্যস্ততম মহাসড়ক ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

যশোর মাগুরা সড়কের উপশহর কিসমত নওয়াপাড়া এলাকার পশ্চিম পাশে সড়কের জায়গায় নির্মাণ করা হয়েছে হোটেল, মুদি ও চায়ের দোকানসহ বিভিন্ন ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। পূর্বপাশে রাস্তার ধারে গড়ে তোলা হয়েছে মোটরগ্যারেজ।পাশাপাশি ইটবালি রাখা হয়েছে। এর পাশাপাশি রাস্তার উপর চালকরা পরিবহন থামিয়ে রেখে জায়গা দখল করে রাখে। অবশিষ্ট জায়গা দিয়ে মানুষ চলাচল করতে পারে না। পরিবহন ও ট্রাকের চাপে ছোট ছোট যানবাহন চলাচালে দুর্ঘটনা বেশি হয়।

পালবাড়ির মোড় থেকে মণিহারের অধিকাংশ জায়গা পরিবহন থামিয়ে রেখে দখল করে রাখা হয়। একই চিত্র সদরের মুড়লী মোড় থেকে ঝিনাইদহ মহাসড়কের। ঝিনাইদহ সড়কের চুড়ামনকাটি এলাকায় রাস্তার ধারে কাচাবাজার গড়ে তোলা হয়েছে। প্রতিদিন রাস্তার উপর বসে কাঁচাবাজার। বাজার হওয়ায় এ সড়কেও দুর্ঘটনার কবল থেকে পথচারীরা রক্ষা পাচ্ছেন না। মুড়লী মোড়ে খালি বাস, ট্রাক থামিয়ে রাখার কারণেই প্রায় দুর্ঘটনা ঘটছে।

এ ব্যাপারে সড়ক ও জনপথ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মোয়াজ্জেম হোসেন জানান, সড়ক ও জনপথ বিভাগের হাইওয়ের জায়গায় গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদের কার্যক্রম সারাদেশে চলছে। পর্যায়ক্রমে যশোরেও অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হবে।