মাদ্রাসাছাত্রীকে ভারতে পাচারকালে যুবক আটক, গণপিটুনি

আটক আলম

::নিরঞ্জন চক্রবর্তী, নেংগুড়াহাট::

মাদ্রাসা ছাত্রীকে ভারতে পাচারকালে গোগা সীমান্ত থেকে ধরে গণধোলাই দিয়ে পাচারকারী আলমকে (৩৩) পুলিশে দিয়েছে মণিরামপুর রাজগঞ্জের ঝাপা এলাকার বাসিন্দারা।

ঝাঁপা গ্রামের আব্দুস সাত্তারের ছেলে আলোচিত নারী পাচারকারী আলমগীর হোসেন ওরফে আলম গত বৃহস্পতিবার দুপুরে ৮ম শ্রেণি পড়–য়া এক ছাত্রীকে মাদ্রাসা থেকে ডেকে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্য বেনাপোলে নিয়ে যায়। সেখান থেকে ভারতে পার হওয়ার জন্য রাত ১২টার দিকে শার্শা উপজেলার গোগা ইউনিয়নের পাঁচভুলট গ্রামে পৌঁছালে গ্রামের লোকজনের সন্দেহ হলে তাদেরকে আটক করে।

মেয়ের কাছে থাকা তার বাড়ির মোবাইল নম্বর নিয়ে স্থানীয়রা তার পিতা-মাতার সাথে যোগাযোগ করে। শুক্রবার সকালে মেয়ের পিতা ভাইসহ অন্যরা ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু ও সদস্য আব্দুর রশিদকে নিয়ে পাঁচভুলটে যায়। সেখান থেকে নারী পাচারকারী আলম ও তাদের মেয়েকে শুক্রবার বিকেলে বাড়িতে নিয়ে আসে। নারী পাচারকারীকে গণধোলাইয়ের পর রাজগঞ্জ পুলিশের কাছে সোপর্দ করে এলাকাবাসী।

এদিকে নারী পাচারকারী আলম জানায়, সে ইতোপূর্বে চালুয়াহাটী ও পারখাজুরা গ্রাম থেকে দুটি মেয়েকে ভারতে পাচার করেছে। সে আরো জানায়, এ ঘটনায় তার নামে আদালতে মামলা রয়েছে।

ঝাঁপা ইউপি চেয়ারম্যান সামছুল হক মন্টু জানায়, নারী পাচারকারী আলমের সাথে এলাকার অনেকেই জড়িত আছে।

রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের তদন্ত ইনচার্জ ইন্সপেক্টর তারিকুল ইসলাম বলেন, তাকে নারী পাচারকারী ও শিশু নির্যাতন অপরাধ আইনে মামলা দিয়ে জেল হাজতে প্রেরণ করা হবে।