সবজি ও কাঁচা মরিচের দাম বাড়তি

::মুর্শিদুল আজিম হিরু::
যশোরের বাজারে শাক-সবজি ও কাঁচা মরিচের দাম বেড়েছে। পেঁয়াজ-রসুনের দাম ঊর্ধ্ব দামে অপরিবর্তিত আছে। দাম বাড়েনি চাল, ডাল, ভোজ্য তেলসহ অন্যান্য পণ্যের। বৃহস্পতিবার শহরের বড় বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

বাজারে শাক-সবজির দাম বেশ চড়া। বর্ষায় সবজির সরবরাহ কমে যাওয়ায় দাম বেড়েছে বলে জানিয়েছেন বড় বাজারের সবজি ব্যবসায়ী সাইফুল ইসলাম।

তিনি জানান, প্রতি কেজি বেগুন বিক্রি হচ্ছে ৬৫ টাকা থেকে ৭০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে কুমড়া। প্রতি কেজি কুশি ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা, ঢেড়স ৩০ টাকা, পটল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, বরবটি ৪০ টাকা, পেঁপে ২০ থেকে ২৫ টাকা, করোলা ৪০ টাকা, ডাঁটা ২০ টাকা, পুঁইশাক ২০ টাকা, টমেটো ৬০ থেকে ৭০ টাকা, কচুরলতি ৪০ টাকা, কলা ৩০ টাকা, ধুন্দল ২৫ থেকে ৩০ টাকা, ঝিঙে ৩০ টাকা, কাঁকরোল ৫০ টাকা, কচুরমুখি ৪০ টাকা এবং ওল বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৫০ টাকা দরে।

বাজারে মরিচের দাম বেড়েছে। পেঁয়াজ-রসুন ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে বলে জানিয়েছেন বড় বাজারের মরিচ বিক্রেতা শহিদুল বিশ্বাস। প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে দেশি পেঁয়াজ। আমদানিকৃত পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩০ টাকা থেকে ৩২ টাকা দরে। দেশি রসুন ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা, আমদানিকৃত রসুন ১৪০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা এবং আলু বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ২০ টাকা।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হচ্ছে ৮৫ টাকা থেকে ৮৭ টাকা, সুপার পাম ৭৫ টাকা এবং পাম তেল বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা।

অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতি কেজি দেশি মসুর ডাল ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা, আমদানিকৃত মসুর ডাল ৫০ থেকে ৫৫ টাকা, ছোলার ডাল ৮০ টাকা, বুটের ডাল ৩৫ থেকে ৩৮ টাকা, মুগ ডাল ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা এবং কলাইয়ের ডাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ টাকা ৫৮ টাকা।

বাজারে চালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হচ্ছে ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকা, আমদানিকৃত মোটা চাল ২৭ থেকে ২৮ টাকা, বিআর-১০ ৩১ থেকে ৩২ টাকা, রনজিৎ চাল ৩০ থেকে ৩১ টাকা, বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল ৩৪ থেকে ৩৫ টাকা এবং মিনিকেট চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছ ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা দরে।