মোংলায় ব্যবসায়ীর দুই লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ

::মোংলা প্রতিনিধি::
বাতিল করা লাইন্সেস চালু করার কথা বলে কাস্টমস কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে দুই লাখ টাকা আত্মসাৎ করার অভিযোগ উঠেছে মোংলা বন্দর কাস্টমস ভেন্ডর অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে। এ ব্যাপারে বিভিন্ন দফতরে অভিযোগ দিয়েছে ভুক্তভোগীরা।

মোংলা বন্দরের বিদেশি জাহাজ থেকে বিধি বহির্ভুতভাবে পুরাতন মালামাল নামিয়ে নেয়ার সময় কোস্টগার্ড গত ২০১৬ সালে মালামালসহ সাতজনকে আটক করে। এ সময় মালামাল পাচারের অভিযোগে মেসার্স সেঞ্চুরি এন্টারপ্রাইজের লাইসেন্স বাতিল করে কাস্টমস কর্তৃপক্ষ। পরে বাতিল হওয়া লাইসেন্সটি ফিরিয়ে দিতে কাস্টমস কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে অভিযুক্ত লাইসেন্স মালিক মো. বাবুল হোসেনের কাছ থেকে দুই লাখ টাকা নিয়ে আত্মসাৎ করেছেন মোংলা বন্দর কাস্টমস ভেন্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ও মেসার্স কেয়া এন্টারপ্রাইজের সত্ত্বাধিকারী মুন্সি আব্দুল মোতালেব ওরফে এমএ মোতালেব।

এ ব্যাপারে মো. বাবুল হোসেন বলেন, সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক মোতালেব লাইসেন্সটি ফিরিয়ে এনে দেয়ার কথা বলে আমার কাছ থেকে প্রথমে এক লাখ এবং পরে বিভিন্ন সময়ে আরও এক লাখ টাকা নেয়।

মোংলা বন্দর কাস্টমস ভেন্ডর অ্যাসোসিয়েশনের সদস্য ও ভেন্ডার ব্যবসায়ী মোঃ শামিম বলেন, বাবুলের লাইসেন্স ফিরিয়ে আনতে তৎকালীন কাস্টমস কমিশনারের দোহাই দিয়ে মোতালেব দুই লাখ টাকা নেয়। এ ঘটনায় আমরা অনেকেই সাক্ষী আছি।

মোংলা বন্দর কাস্টমস ভেন্ডার অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক এম এ মোতালেব সাংবাদিকদের বলেন, আমি টাকা নিয়ে বাবুলকে লাইসেন্স এনে দেয়ার ব্যবস্থা করছি। বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মোংলা কাস্টমস হাউসের কমিশনার সুরেশ চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, কাস্টমস কর্মকর্তাদের নাম ভাঙিয়ে কোনো ব্যক্তি টাকা আত্মসাৎ করে থাকলে এবং অভিযোগ পেলে কাস্টমস আইনে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

স্পন্দন/আরএইচ