যশোরে ইমরোজ হত্যা: জবানবন্দি শেষে মোস্ত ও সজল কারাগারে

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::
যশোরে ঘের ব্যবসায়ী ইমামুল হোসেন ওরফে ইমরোজ হত্যা মামলায় দুইজনের আটকের কথা স্বীকার করেছে পুলিশ। এরা হলো সদর উপজেলার বাহাদুরপুর এলাকার আযমের ছেলে বর্তমানে ভাতুড়িয়া দাড়িপাড়ার আনুর বাড়ির ভাড়াটিয়া মোস্তফা ওরফে মোস্ত এবং ঝাউদিয়া গ্রামের হাফিজুর রহমানের ছেলে সজল। আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে শুক্রবার জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে।

এদিকে সাক্ষী হিসাবে ১৬৪ ধারায় আদালতে জবানবন্দী দিয়েছেন মণিরামপুর উপজেলার দুর্গাপুর গ্রামের আফতাব আলীর ছেলে আলাউদ্দিন এবং শহরের চাঁচড়া চেকপোস্ট এলাকার জসিম উদ্দিনের মেয়ে সিনথিয়া আক্তার টুকটুকি। এই দুইজনকে নিয়ে গত ২৪ জুলাই ভাতুড়িয়া কালাবাঘা এলাকায় ইমরোজ হত্যার সূত্রপাত ঘটেছিল।

সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট সম্পা বসু ওই দুইজনের জবানবন্দী রেকর্ড করেছেন বলে জানিয়েছেন মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতয়ালি থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সমীর কুমার সরকার। অন্যদিকে এ হত্যা মামলার অন্যান্য আসামিরা পলাতক রয়েছে।

অপরদিকে ঘটনার দিন সরকারি কাজে বাঁধা এবং মারপিটে জখম করার অভিযোগে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির এএসআই ইব্রাহিম খলিল ১৩ জনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত ৫০/৬০জনের নামে একটি মামলা করেছিলেন। সেই মামলায় ৫জনকে আটক করে গত বৃহস্পতিবার আদালতের মাধ্যমে জেলাহাজতে পাঠানো হয়েছিল।

এরা হলো ভাতুড়িয়া পশ্চিমপাড়ার মৃত শের আলী গাজীর ছেলে রাজু আহমেদ (৪০), ভাতুড়িয়া কলেজের পাশের দেলোয়ার হোসেনের ছেলে সেলিম হোসেন রাজা (৫২) ভাতুড়িয়া বাজার সংলগ্ন নারায়ণপুর গ্রামের মৃত নওশের আলী সরদারের ছেলে শরিফুল ইসলাম (৪৪), ভাতুড়িয়া উত্তর পাড়ার আয়নাল মোড়লের ছেলে আব্দুল মান্নান (৫১) এবং একই এলাকার মৃত শের আলীর ছেলে আনিস (৫০)।

এ মামলার পলাতক আসামিরা হলো, ভাতুড়িয়ার ইন্তাজের ছেলে জাকির হোসেন (৪০), নারায়ণপুর গ্রামের মালেকের ছেলে ইউনুচ (৪০), মতলেবের ছেলে কামরুল (৫০), লতিফ গাজীর ছেলে আশানুর (৪৫), কাশেম গাজীর ছেলে কাজল (৪৫), আব্দুল মান্নানের ছেলে রাব্বি (২৫), নারায়ণপুর গ্রামের জাহাঙ্গীরের ছেলে রিয়াজ (২৮) এবং কাশেমের ছেলে মফিজুল (২৭)।

মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক সমীর কুমার সরকার জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত মামলার দুইজন আসামিকে আটক করা হয়েছে। বাকিদের আটকের জন্য পুলিশ অভিযান অব্যহত রেখেছে।