কেশবপুরে ২ কিলোমিটার সড়ক নির্মাণ কাজে ৯ মাস পার, তবুও অসমাপ্ত

সিরাজুল ইসলাম, কেশবপুর :
কেশবপুরে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী এএসএইচকে সাদেক সড়কের নির্মাণ কাজ ৯ মাসেও শেষ হয়নি। বর্তমান সংসদ সদস্য ইসমত আরা সাদেকের স্বামীর নামে নামকরণকৃত শহরে ত্রিমোহিনী মোড় থেকে বায়সা মোড় ও পাইলট স্কুল গেট পর্যন্ত সড়কটি নির্মাণের দীর্ঘসূত্রিতায় শহরবাসী ও পথচারীর ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে।
প্রায় ২ কিলোমিটার সড়কটি দীর্ঘদিন জনসাধারণের চলাচলের জন্য ছিল অনুপযুক্ত। চলাচলের ক্ষেত্রে পথচারীদের ভোগান্তির কোনো শেষ ছিল না। শহরবাসীর ভোগান্তি লাঘব করতে সড়ক ও জনপদ বিভাগ ও এলজিইডি ১০ মাস আগে সড়ক দুটির নির্মাণ কাজ শুরু করে। এ কাজের ঠিকাদারি পেয়েছেন এল রহমান এন্টারপ্রাইজ ও মোজাহার এন্টার প্রাইজ। ২০১৮ সালের অক্টোবর মাসে পুননির্মাণের জন্য খোঁড়াখুঁড়ি শুরু হয়। খোঁড়াখুঁড়ির সাথে ড্রেন নির্মাণ, অনয়িমের অভিযোগে জনতার বাধার মুখে কাজের গতি শ্লথ হয়ে যায়। গতি কমতে কমতে ৯ মাস পার হলেও নির্মাণ কাজের কিছুই হয়নি। চলতি বর্ষায় ভোগান্তি আরো বেড়ে গেছে। কাদা পানিতে একাকার অবস্থা দেখে বোঝার উপায় নেই কোনটি সড়ক।
কেশবপুর পাইলট স্কুল এন্ড কলেজ মোড় হতে বায়সা মোড় পর্যন্ত রাস্তা ২টি শহরের সবচেয়ে ব্যাস্ততম সড়ক। কারণ এ রাস্তার দুই পাশে প্রায় শতাধিক বড় বড় ব্যবসা প্রতিষ্ঠান, সরকারি স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স, পশু হাসপাতাল, ৪টি ক্লিনিক ও ব্যাংকের শাখা রয়েছে। অর্ধ সমাপ্ত সড়কে চলাচলতো দূরের কথা পাশের ব্যবসায়িদের বসাও দুষ্কর হয়ে গেছে। ব্যবসায়ি ও পৌর আওয়ামী লীগ নেতা কার্তিক সাহা আক্ষেপ করে বলেন, আমরা ভালো আছি। গত ১০ মাস হলো বেহাল অবস্থায় সড়ক ফেলে রেখেছে। ভালো আছি ছাড়া কিছুই বলার নেই। ত্রিমোহিনী মোড়ের পাশে রয়েছে সরকারের রাষ্ট্রায়ত্ব সোনালী ব্যাংক ও বেসরকারি ফাস্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংকের শাখা। ব্যাংক লেনদেনের জন্য রাস্তা পারাপারের ক্ষেত্রে জন সাধারণের ভোগান্তি ভাষায় প্রকাশ করার মত না। হাসপাতাল ও ক্লিনিকে রোগী বহনের ভোগান্তির কোনো শেষ নেই। শহরবাসীর দাবি রাস্তা নিয়ে কর্তৃপক্ষ রাজনীতি ও ব্যবসা যাই করুক দ্রুত নির্মাণ কাজ শেষে করুক।