যশোরে ব্যবসায়ী সাফা হত্যা মামলায় ওয়াশিংটনসহ সাতজন অভিযুক্ত

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোর শহরের আরএন রোডের মটর পাটর্স ব্যবসায়ী মহিদুল ইসলাম সাফা হত্যা মামলায় সাবেক পার্টনার ওয়াশিংটনসহ সাতজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দিয়েছে ডিবি পুলিশ। মামলার তদন্ত শেষে আদালতে এ চার্জশিট জমা দিয়েছেন ডিবি পুলিশের এসআই শামীম হোসেন।
অভিযুক্ত আসামিরা হলো শহরের বেজপাড়ার মৃত মহসিন আলীর ছেলে সেলিম জাভেদ, বেজপাড়া নলডাঙ্গা রোডের চৌধুরী আলী রেজার ছেলে চৌধুরী আনোয়ার রেজা ওয়াশিংটন, মহসিন আলীর ছেলে মোতালেব হোসেন টুটুল, শংকরপুর জমাদ্দার পাড়ার আকরাম মোল্লার ছেলে রানা মোল্লা, আব্দুল হালিমের ছেলে সাহাবুদ্দিন, শংকপরপুর ছোটনের মোড়ের লিটন বাবুর ছেলে রাকিব ও ষষ্ঠিতলা পাড়ার আব্দার রহমানের ছেলে আব্দুল্লাহ আল মামুন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ১ জানুয়ারি সন্ধ্যা ৬টার দিকে সাফা খালধার রোড এলাকার মুকুলের দোকান থেকে চা পান করে কিছু কাগজপত্র কম্পোজের জন্য মুজিব সড়কের ঈদগাহ মাঠের পূর্বপাশে মাসুদ কম্পিউটারের দোকানে আসেন। এ সময় তার সাথে ছিলেন ম্যানেজার মোতালেব হোসেন টুটুল। মোটরসাইকেলে মাসুদের দোকানের সামনে দাঁড়ানো মাত্র পিছন থেকে সাফার গলায় ধারালো চাকু দিয়ে পোচ মেরে হত্যাকারীরা পালিয়ে যায়। গুরুতর আহত অবস্থায় সাফাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সন্ধ্যা ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ব্যাপারে নিহতের ভাই জাহিদুল ইসলাম বাদী হয়ে অপরিচিত ব্যক্তিদের আসামি করে কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন। মামলাটি প্রথমে থানা পুলিশ পরে সিআইডি পুলিশ তদন্তের দায়িত্ব পায়।
তদন্ত সূত্রে জানা গেছে, শহরের আরএন রোডে এনএইচ এন্টারপ্রাইজ নামে মটর পার্টসের ব্যবসা করতেন সাফা। ব্যবসায়ীক পার্টনারদের মধ্যে টাকা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সাফাকে ভাড়াটিয় কিলার দিয়ে খুন করা হয়।
এ মামলার তদন্ত শেষে আটক আসামিদের দেয়া তথ্য ও সাক্ষীদের বক্তব্যে হত্যার সাথে জড়িত থাকায় ওই সাতজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছেন তদন্তকারী কর্মকর্তা। চার্জশিটে অভিযুক্ত আব্দুল্লাহ আল মামুন লিপনকে পলাতক দেখানো হয়েছে।