যশোরে গৃহবধূ সালমা হত্যা: আটক তুহিন রিমান্ডে, ফজিলাকে জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ

:: নিজস্ব প্রতিবেদক ::
যশোর শহরের চাঁচড়া ডালমিল এলাকার গৃহবধূ সালমা বেগম হত্যা মামলায় আটক তুহিনের একদিন রিমান্ড মঞ্জুর ও ফজিলা বেগমকে তিনদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন আদালত। মঙ্গলবার রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক এ আদেশ দেন।

আসামিরা হলেন, ডালমিল আদর্শপাড়ার গফুর গাজীর ছেলে তুহিন গাজী ও নুর ইসলাম ওরফে নুরু ঢালীর স্ত্রী নিহতের শাশুড়ি ফজিলা বেগম।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, ডালমিল এলাকার নুরু ঢালীর ছেলে ফারুকের প্রথম স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে করে চলে যান। এরপর পারিবারিকভাবে সালমা খাতুনকে বিয়ে দেয়া হয় ফারুকের সাথে। কয়েক বছর যেতে না যেতে ফারুক আবার তার প্রথম স্ত্রীর সাথে সম্পর্ক করে সালমার উপর নির্যাতন শুরু করেন। ২০১৮ সালের ৭ অক্টোবর রাতে সালমার বমি ও পাতলা পায়খানা হয়। প্রাথমিক চিকিৎসা করে শ্বশুর বাড়ির লোকজন। পরদিন সকালে আসামিরা সালমাকে মারপিট করলে গুরুতর অসুস্থ হয়ে পড়লে তাকে হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

এ ব্যাপারে কোতয়ালি থানায় একটি অপমৃত্যু মামলা হয়। সালমা খাতুনের ভিসেরা রিপোর্টে শ্বাসরোধ করে হত্যার অভিযোগ পাওয়ায় ২০১৯ সালের ৩০ জুলাই কোতয়ালি থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই জাকির হোসেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে নিহতের শাশুড়ি ফজিলা বেগম ও তুহিন গাজীকে আটক করে ৫ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। মঙ্গলবার রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে বিচারক তুহিন গাজীর একদিন রিমান্ড ও ফজিলা বেগমের তিনদিন জেলগেটে জিজ্ঞাসাবাদের আদেশ দিয়েছেন।