যশোরের বাজারে মাছের দাম চড়া

:: মুর্শিদুল আজিম হিরু ::
যশোরের বাজারে ঈদের পর ক্রেতা-বিক্রেতার সমাগম একেবারে কম। ঈদ পরবর্তী বাজারে মাছের দাম বেশ চড়া। শাক-সবজি, পেঁয়াজ-রসুন, আলু, মরিচের দাম আগের মত আছে। বৃহস্পতিবার যশোর শহরের বড়বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া গেছে।

ঈদের পর বাজারে ইলিশ মাছের সরবরাহ বাড়েনি। তাই সব প্রকার মাছের দাম বেশি বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। প্রতিকেজি বড় ইলিশ মাছ বিক্রি হয় সাড়ে ১২শ’ টাকা থেকে ১৩শ’ টাকা। মাঝারি সাইজের ইলিশ বিক্রি হয় সাড়ে সাড়ে ৭শ’ টাকা থেকে ১ হাজার টাকা কেজি। প্রতি কেজি জাটকা ইলিশ ৪শ’ টাকা। অন্যান্য মাছের মধ্যে প্রতি কেজি রুই মাছ বিক্রি হয় ২২০ টাকা থেকে ৩০০ টাকা। পাঙ্গাস মাছ বিক্রি হয় ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা। কৈ মাছ বিক্রি হয় ১৩০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। ১২০ টাকা থেকে ১৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় তেলাপিয়া মাছ।

বাজারে পেঁয়াজ-রসুন, আলু ও মরিচের দাম আগের মত আছে। প্রতিকেজি কাঁচা মরিচ বিক্রি হয় ৬০ টাকা থেকে ৭০টাকা। ৩৬ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় দেশি পেঁয়াজ। ২৮ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমাদানিকৃত পেঁয়াজ। প্রতিকেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ১২০ টাকা থেকে ১৩০ টাকা। আমদানিকৃত রসুন বিক্রি হয় ১৪০ টাকা থেকে ১৫০ টাকা। প্রতি কেজি আলু বিক্রি হয় ১৮ টাকা থেকে ২০ টাকা।

বাজারে শাক-সবজির দাম ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতিকেজি কুশি বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতিকেজি পেঁপে বিক্রি হয় ২০ টাকা থেকে ২৫ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় করোলা উচ্ছে। প্রতি কেজি ডাটা বিক্রি হয় ২০ টাক। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতিকেজি কলা বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা। ২৫ টাকা থেকে ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধুন্দল। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ঝিঙে। প্রতি কেজি কাকরোল বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতিকেজি ওল বিক্রি হয় ৫০ টাকা।

বাজারে ভোজ্য তেলের দাম বাড়েনি। প্রতিকেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮৫ টাকা থেকে ৮৭ টাকা। ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতিকেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।

বাজারে অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ৯০ টাকা থেকে ৯৫ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতিকেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতি কেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১১০ টাকা থেকে ১২০ টাকা। ৫৫ টাকা ৫৮ কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।

বাজারে চালের দাম বাড়েনি। প্রতিকেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ২৬ টাকা। ২৭ টাকা থেকে ২৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত মোটা চাল। প্রতিকেজি বিআর-১০ চাল বিক্রি হয় ৩১ টাকা থেকে ৩২ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩১ টাকা কেজি বিক্রি হয় রনজিৎ চাল। প্রতি কেজি বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৩৪ টাকা থেকে ৩৬ টাকা। ৩৮ টাকা থেকে ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।