গভীর রাতে স্বামী পরিত্যক্তার ঘরে কবিরাজ, অতঃপর…

::গোলাম মোস্তফা, রূপদিয়া (যশোর)::

বারবার নানা অপকর্ম করে পার পেয়ে যাচ্ছিলেন স্বঘোষিত কবিরাজ আনছার দফাদার। কিন্তু এবার আর রক্ষা করতে পারেননি নিজেকে। অসামাজিক কাজে লিপ্ত থাকা অবস্থায় ধরে পড়ে স্বামী পরিত্যক্তাকে বিয়ে করতে বাধ্য হয়েছেন। কথিত কবিরাজ আনছার দফাদার যশোর সদর উপজেলার হাটবিলা গ্রামের মৃত রসুল দফাদারের ছেলে।

হাটিবিলা গ্রামের বয়রাতলার মালেক মোড়লের স্বামী পরিত্যক্ত মেয়ে মিনু বেগমের সাথে অনৈতিক সম্পর্ক ছিল আনছারের। সেই সম্পর্কের কারণে গত শুক্রবার রাত ১০টার দিকে চুপিসারে গিয়েছিলেন মিনুর ঘরে। তার যাওয়ার বিষয়টি লক্ষ্য করেন আশপাশের লোকজন। সন্দেহ তৈরি হয় মানুষের মধ্যে। অনেকে ওঁৎ পেতে থাকেন।

পরে গ্রামের গণ্যমাণ্য ব্যক্তিদের উপস্থিতিতে মিনুর ঘর থেকে আনছারকে আটক করা হয়। দেয়া হয় উত্তম মাধ্যম। এরপর স্থানীয় নরেন্দ্রপুর ক্যাম্পের পুলিশের কাছে তাকে সোপর্দ করা হয়।

পুলিশের কাছে মিনুকে নিজের বিবাহিত স্ত্রী বলে দাবি করেন আনছার। কিন্তু কোনো প্রমানপত্র দেখাতে পারেননি। পরে মিনুর পরিবারের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে ক্যাম্প ইনচার্জ এসআই গোলাম মোর্তজা ক্যাম্পে বসেই তিন লাখ টাকা দেনমহরানা ধার্য্য করে তাদের বিয়ের ব্যবস্থা করেন।

কথিত কবিরাজের আগে দুই স্ত্রী ছিলো। তারা দুইজনই মারা গেছেন। তাদের মৃত্যু রহস্যজনক ছিল বলে এলাকায় প্রচার আছে। এছাড়া রুপদিয়া বাজারের কাঠ ব্যবসায়ী আইয়ুব আলীর স্ত্রী হত্যা মামলার আসামি তিনি। হাটবিলা গ্রামের এক নারীকেও ধর্ষণের চেষ্টা করেছিলেন আনছার। এ ঘটনায় দায়ের করা মামলাটি তার কাঁধে ঝুলছে। কবিরাজ আনছার আলীর ঘটনাটি এখন এলাকার মানুষের মুখে মুখে।