চৌগাছা হাসপাতালে এক্স-রে মেশিন নষ্ট, সুযোগ নিচ্ছে প্রাইভেট ক্লিনিক

::বাবুল আক্তার, চৌগাছা::

১৩ বার জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত যশোরের চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেটির একমাত্র এক্স-রে মেশিন দীর্ঘ দুই মাস ধরে নষ্ট হয়ে পড়ে রয়েছে। এ সুযোগে রমরমা ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছে শহরের প্রাইভেট ক্লিনিকগুলো। এতে চরম ভোগান্তি পোহাচ্ছে সাধারণ জনগণ।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ২০১১ সালে হাসপাতালের একমাত্র এক্স- রে মেশিনটি চালু করা হয়। এখানে ৭০ থেকে ৯০ টাকা পরিশোধ করে মাসে প্রায় ১২০০ রোগী সেবা পেতো। কিন্তু গত জুন মাসে মেশিনটি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে। ফলে ৭০ থেকে ৯০ টাকার এক্স-রে এখন ক্লিনিকে ৩০০ থেকে ৬৫০ টাকা ব্যয়ে করতে হচ্ছে।

উপজেলার আড়ারদহ গ্রামের ইব্রাহিম হোসেন জানান, আমার মা হাসিনা বেগম (৫৭) হঠাৎ বাড়িতে পড়ে গিয়ে পায়ে ব্যাথা পান। চৌগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য-কমপ্লেক্সে নিয়ে আসি। সেখানকার চিকিৎসক আমার মায়ের পায়ের এক্স-রে করার পরামর্শ দেন। মাকে নিয়ে এক্স-রে বিভাগে গিয়ে জানতে পারলাম এ বিভাগটি বন্ধ রয়েছে। আমি একটি প্রাইভেট ক্লিনিক থেকে দ্বিগুণ টাকা দিয়ে এক্স-রে করাই। এমনি ভাবে প্রতিদিন জরুরী রোগীরা ভোগান্তি পোহাচ্ছেন।

হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার (আরএমও) নাহিদ সিরাজ বলেন, দীর্ঘ প্রায় দুই মাস যাবৎ এক্স-রে মেশিনটি নষ্ট হয়ে পড়ে আছে।

এ ব্যাপারে উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা মাসুদ রানা বলেন, এক্স-রে মেশিনটি মেরামতের জন্য সংশ্লিষ্ট দপ্তরে যশোর সিভিল সার্জনের মাধ্যমে লিখিত আবেদন করা হয়েছে। আশা করছি অল্প সময়ের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান হবে।
এদিকে এলাকাবাসী সরকারের কাছে এ নষ্ট মেশিন সংস্কার না করে হাসপাতালে একটি ডিজিটাল এক্স-রে মেশিন সরবরাহের দাবি জানিয়েছেন।