বঙ্গবন্ধুর পলাতক খুনিদের দেশে ফিরিয়ে এনে রায় কার্যকরের দাবি

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

জাতীয় শোক দিবস স্মরণে যশোর জেলা ছাত্রলীগের ব্যানারে এক আলোচনাসভায় নেতৃবৃন্দ বলেছেন, ইতিহাস আর ঐতিহ্যের ধারক বাহক ছাত্রলীগ। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে গড়া এ সংগঠনের হাজার হাজার নেতাকর্মি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মূল শক্তি।

নেতৃবৃন্দ বলেন, ৭৫ এর ১৫ আগস্টে স্বাধীনতার মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে সপরিবারে হত্যার মধ্যদিয়ে বাংলাদেশকে পাকিস্তানি ধারায় ফিরিয়ে নেয়াটা ছিল ঘাতকদের মূল লক্ষ্য। কিন্তু উদ্দেশ্য সফল হয়নি। ঠিকই বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনার দূরদর্শিতা ও নেতৃত্বে দেশ আজ উন্নয়নের মহাসড়কে।

শুক্রবার বিকেলে শহরের দড়াটানা ভৈরব চত্ত্বরে এই সভায় সভাপতিত্ব করেন ছাত্রলীগ নেতা ইমরান হোসেন। সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন এবং প্রধান বক্তা ছিলেন সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ।

বিশেষ অতিথি ছিলেন সাবেক সংসদ সদস্য অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির। বক্তব্য রাখেন জেলা আওয়ামী লীগের বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সুখেন মজুমদার, আওয়ামী লীগ নেতা মোকাররম হোসেন টিপু, জেলা যুবলীগের সভাপতি মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী, সহসভাপতি সৈয়দ মেহেদী হাসান, ছাত্রলীগ নেতা কায়েস আহমেদ রিমু প্রমুখ।

সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন বলেন, ছাত্রলীগ বঙ্গবন্ধুর মূল চালিকা শক্তি হিসেবে কাজ করে গেছে। এই ছাত্রলীগকে জননেত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবিচল থেকে সামনে এগিয়ে যেতে হবে।

প্রধান বক্তা সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করা হয় দেশকে পাকিস্তানি ধারায় ফিরিয়ে নিতে। আগস্ট শোকের মাস অথচ বেগম খালেদা জিয়া বিয়ের কাবিন নামায়, স্কুলে এবং পাসপোর্টে এক একটি জন্মদিন ব্যবহার করলেও রাজনীতিতে এসে ১৫ আগস্টকে জন্মদিন হিসেবে পালন করে বিএনপিকে খুনির দল হিসেবে প্রমাণ করেছে।

বিশেষ অতিথি অ্যাড. মনিরুল ইসলাম মনির বলেন, যে মানুষটি বাঙালি জাতির মুক্তির জন্যে আজীবন সংগ্রাম করেছেন, নিজ সন্তানদের স্নেহ বঞ্চিত করে ১৪টি বছর কাটিয়েছেন কারাগারে সেই মহাপুরুষকে যারা হত্যা করে তারা মানুষ নয় তারা দানব। তিনি বিদেশে পালিয়ে থাকা বঙ্গবন্ধুর খুনিদের দেশে ফিরিয়ে বিচারের রায় কার্যকরের দাবি জানান।