নদী খনন নিয়ে পাউবো প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা

::কেশবপুর (যশোর) প্রতিনিধি::

কেশবপুরে পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে আদালতে মামলা হয়েছে।
যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে দায়ের করা অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে উপজেলার বুড়িভদ্র নদী পুনঃখননের সময় সার্ভেয়ার দিয়ে পরিমাপ করে নদীর ৬৬ ফুট প্রস্থ বাদেও ওই এলাকাবাসীর রেকর্ড ভুক্ত সম্পত্তি ২০ ফুট গ্রহণ করে। জনগণ চাষাবাদের স্বার্থে স্বতঃস্ফূর্ত হয়ে তাদের আবাদকৃত জমি ২০ ফুট করে ছেড়ে দেয়।

খনন কাজের সময় ঠিকাদার ও তাদের লোকজন গাড়ি চলাললের জন্য ২০ ফুট করে বকচর তৈরি করে এবং নদী খনন করে ৬০/৭০ ফুট জমিতে নদী খননের মাটি রাখে। যা পারে সরিয়ে নেয়ার কথা রয়েছে।

৪ মাস অতিবাহিত হওয়ার পরও ঠিকাদার মালিকাধীন সম্পত্তি মাটি না সরিয়ে নেয়ায় সম্পত্তির মালিকরা মাটি সমান করে উক্ত সম্পত্তিতে শিম, কপি, বেগুন, পানের বরজসহ বিভিন্ন প্রকার সব্জির চাষ করে জিবিকা নির্বাহ করছে। কিন্তু গত ২১ আগস্ট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলীসহ ৪০/৫০ জন লোক স্কেভেটর নিয়ে বিনা নোটিশে কৃষকদের আবাদকৃত জমির ফসলাদি নষ্ট করে গাছ লাগানোর চেষ্টা করে। যার ফলে কৃষকদের আবাদকৃত ফসলের ব্যাপক ক্ষতি সাধিত হয়।

এ ব্যাপারে ভুক্তোভেগি এলাকাবাসি পানি উন্নয়ন বোর্ডে দরখাস্ত করেও কোনো প্রতিকার পায়নি।

পুনরায় পানি উন্নয়ন বোর্ড আরও লোকজন নিয়ে কৃষকদের আবাদকৃত ফসলের ক্ষতি করে গাছ লাগানোর পাঁয়তারা চালাচ্ছে। যার ফলে ওই এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা রয়েছে।

এ ব্যাপারে এলাকাবাসীর পক্ষে আলতাপোল গ্রামের মৃত দিলীপ কুমার ঘোষের ছেলে মিহির চন্দ্র ঘোষ বাদী হয়ে গত ২৮ আগস্ট পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপসহকারী প্রকৌশলীর বিরুদ্ধে যশোরের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মামলা দায়ের করেছেন। বিজ্ঞ আদালত উক্ত সম্পত্তিতে শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য কেশবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. শাহিনকে দায়িত্ব প্রদান করেছেন।