শার্শায় গৃহবধূকে ধর্ষণ: ব্যক্তি শনাক্তে আলামত যাচ্ছে সিআইডি’র ল্যাবরেটরিতে

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

যশোরের শার্শায় দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণের আলামত মিলেছে। বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালের আবাসিক মেডিকেল অফিসার আরিফ আহমেদ জানান, ৪ সেপ্টেম্বর ল্যাব পরীক্ষার পর বৃহস্পতিবার তার প্রতিবেদন হাতে পেয়েছেন তিনি। ধর্ষণের সাথে কে জড়িত তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য আলামত ঢাকার মহাখালী সিআইডি ল্যাবরেটরিতে পাঠানো হচ্ছে।

হাসপাতালের প্রশাসনিক সূত্রে জানা গেছে, ৩ সেপ্টেম্বর ওই নারীর ধর্ষণের আলামত সংগ্রহ করেন গাইনী বিভাগে দায়িত্বরত চিকিৎসক তানজিলা ইয়াসমিন। পরের দিন তা পরীক্ষার জন্য ল্যাবে পাঠানো হয়।

মামলাটির তদন্তকারী কর্মকর্তা শার্শা থানার ওসি (তদন্ত) ফরিদ আহমেদ জানান, মামলায় ৪ আসামির মধ্যে বাদী তিনজনের নাম উল্লেখ করেছেন। তাদেরকে পুলিশ আটক করে জেলহাজতে প্রেরণ করেছে। আটক তিনজনকে ৫দিনের রিমান্ডের আবেদন করা হয়েছে। আদালত ৮ সেপ্টেম্বর রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন ধার্য্য করেছেন।

অজ্ঞাত ১জনকে শনাক্ত করার জন্য সব ধরণের চেষ্টা করা হবে। ধর্ষণের আলামত মিলেছে এমন কাগজপত্র তিনি বৃহস্পতিবার হাসপাতাল থেকে বুঝে পেয়েছেন। এখন ধর্ষণকারী কয়জন বা কে তা শনাক্ত করার জন্য আলামত ঢাকায় ডিএনএ টেস্ট করতে পাঠানো হবে।

মামলার সূত্র মতে, সোমবার দিবাগত রাত আড়াইটার দিকে আসামিরা খায়রুল দারোগার নাম বললে তিনি ঘরের দরজা খুলে দেন। তাকে প্রস্তাব দেয়া হয় ৫০ হাজার টাকা দেয়া হলে তার স্বামীর নামে দায়ের করা মিথ্যা মামলা হালকা করে দেয়া হবে। তিনি টাকা দিতে অস্বীকার করলে দারোগা পরিচয়দাকারী ওই ব্যক্তিরা তাকে ধাক্কা দিয়ে জোর করে খাটের উপর ফেলে ওড়না দিয়ে চোখ, হাত মুখ বেঁধে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। ধর্ষণ শেষে তাকে বিছানায় ফেলে রেখে পালিয়ে যায়।

এদিকে, শার্শার গোড়পাড়া পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ এসআই খায়রুলের নাম বলে সারাদিন ধর্ষণের অভিযোগ করেন ওই গৃহবধূ। কিন্তু সন্ধ্যায় পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে ওই দারোগাকে সামনে আনা হলে তিনি ধর্ষণের সময় ছিলেন না বলে দাবি করেন ওই গৃহবধূ।