যশোর স্টেডিয়ামপাড়ায় ডাকাতি চেষ্টায় আটক ৬, মামলা

::নিজস্ব প্রতিবেদক::

যশোর শহরের স্টেডিয়ামপাড়ায় ডাকাতির চেষ্টাকালে চার যুবক ও দুই কিশোরকে আটক করেছে কোতোয়ালি মডেল থানা পুলিশ। এ সময় তাদের কাছ থেকে খেলনা পিস্তল, চাকু, হাসুয়া, কুড়াল, রশি উদ্ধার করা হয়েছে। এ ঘটনায় এসএম শামীম আক্তার বাদী হয়ে ১২ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাত ৩-৪ জনের নামে মামলা করেছেন।

আটককৃতরা হলো, উপশহর ১নম্বর সেক্টর সারথী মিল এলাকার রিয়াজের ছেলে আরাফাত সানি (২৩), পুরাতনকসবা কাজীপাড়ার বজলুর ছেলে আব্দুল আহাদ (২২), কাজীপাড়ার জাফরের বাড়ির ভাড়াটিয়া শহিদুল ইসলামের ছেলে সোহাগ হোসেন (২৬), ইনতাজের বাড়ির ভাড়াটিয়া শাহজাহান হাওলাদারের ছেলে রিপন (২১), খড়কী সার্কিট হাউজপাড়ার বাবলু মোড়ল ওরফে তেলে বাবুর ছেলে আব্দুর রহমান সাগর (১৬), খড়কী কবরস্থান সংলগ্ন বায়তুল নুর মসজিদের দক্ষিণ পাশের আব্দুল জব্বারের ছেলে তানভীর হাসান ইমন (১৬)।

এছাড়া পলাতক আসামিরা হলো- খড়কী কলাবাগান এলাকার মৃত আবুল হোসেনের ছেলে তৌফিক বারি বর্ষণ (২৬), খড়কী খ্রিষ্টানপাড়ার দানিয়াল বল্লভের ছেলে মুক্তি (২৫), সদর উপজেলার হামিদপুর গ্রামের ওমর ফারুকের ছেলে আহম্মেদ (২৭), চাঁচড়া মল্লিকপাড়ার নায়েব মিয়ার ভাড়াটিয়া শহিদুল ইসলামের ছেলে রমজান (২৭) এবং ঘোপ সেন্ট্রাল রোডস্থ ধানপট্টি এলাকার লন্ড্রি খলিলের দুই ছেলে জুয়েল (৩০) ও এশা (২৫)।

এজাহারে উল্লেখ করা হয়েছে, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে গোপন সূত্রে পুলিশের কাছে সংবাদ আসে একদল ডাকাত যশোরের শামস উল হুদা স্টেডিয়ামের পাশের একটি বটতলায় অবস্থান নিয়ে ডাকাতি করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সংবাদ পেয়ে রাত সোয়া ১১টার দিকে সেখানে অভিযান চালালে সকলে পালানোর চেষ্টা করে। পরে পিছু ধাওয়া করে ৬জনকে আটক করা হয়। এদের মধ্যে আরাফাত সানির পকেট তল্লাশি করে একটি চাকু, আহাদের পকেট থেকে কালো রঙের একটি চাকু, সোহাগ হোসেনের দেহ তল্লাশি করে প্যান্টের কোমরে গোজা অবস্থায় একটি খেলনা পিস্তল উদ্ধার করা হয়। এছাড়া পলাতক আসামিদের ফেলে যাওয়া দুইটি হাসুয়া, একটি কুড়াল, দুই জোড়া স্যান্ডেল এবং ৩০ ফুট লম্বা একটি রশি উদ্ধার করা হয়েছে।

তারা ডাকাতির জন্য সেখানে জড়ো হয় বলে আসামিরা প্রাথমিকভাবে স্বীকার করেছে। তারা বিভিন্ন জায়গায় ডাকাতি, দস্যুতা ও ছিনতাই করে বেড়ায় বলে পুলিশের কাছে স্বীকার করেছে। তাদের কাছ থেকে পলাতক আসামিদের নাম পরিচয় জানা গেছে।

শনিবার দুপুরে আটককৃতদের আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে বলে এসআই শামীম আক্তার নিশ্চিত করেছেন।