যশোরে আ.লীগের শোকজ নোটিশ পেলেন তিন চেয়ারম্যানসহ ছয় বিদ্রোহী

::মিরাজুল কবীর টিটো::

৫ম উপজেলা নির্বাচনে নৌকা প্রতীকের বিপক্ষে নির্বাচন করায় কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ যশোরের ৬ জন বিদ্রোহী প্রার্থীকে কারণ দর্শানোর (শোকজ) চিঠি দিয়েছে। ৮ সেপ্টেম্বর প্রেরণ করা এসব চিঠি বৃহস্পতিবার সকল বিদ্রোহী হাতে পেয়েছেন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে।

যশোর জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন এসব তথ্য জানান।

চিঠিপ্রাপ্তরা হলেন, বাঘারপাড়ার নাজমুল ইসলাম কাজল, কেশবপুরের কাজী রফিকুল ইসলাম, মণিরামপুরের আমজাদ হোসেন লাভলু, ঝিকরগাছার মনিরুল ইসলাম, চৌগাছার এসএম হাবিব ও অভয়নগরের রবিউল অধিকারী ব্যাচা। এরমধ্যে বাঘারপাড়ার নাজমুল ইসলাম কাজল, ঝিকরগাছার মনিরুল ইসলাম, কেশবপুরের কাজী রফিকুল ইসলাম নৌকা প্রতীককে পরাজিত করে জয় লাভ করেন।

দলীয় সূত্র জানায়, ৫ম উপজেলা নির্বাচনে আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় কমিটি থেকে দলীয় প্রার্থীদের মনোনয়ন দেয়া হয়। অথচ যশোরের ছয় উপজেলাতেই দলীয় প্রার্থীর বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ করে নির্বাচন করেন।

আওয়ামী লীগে থেকে বিদ্রোহী হওয়ার অপরাধে ৮ সেপ্টেম্বর থেকে কেন্দ্রীয় কমিটি তাদেরকে কারণ দর্শানোর চিঠি পাঠানো শুরু করে। এরই অংশ হিসেবে যশোরের এ ছয় বিদ্রোহী প্রার্থীদের কারণ দর্শানোর চিঠি বৃহস্পতিবার পৌঁছেছে।

এদিকে, কারণ দর্শানোর চিঠি পেয়েছেন বলে জানান বাঘারপাড়ার বিদ্রোহী প্রার্থী উপজেলা চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম কাজল। তিনি দৈনিক স্পন্দনকে বলেন, চিঠি পেয়েছি সন্তোষজনক জবাব দেয়া হবে।

মনিরামপুরের বিদ্রোহী প্রার্থী আমজাদ হোসেন লাভলু দৈনিক স্পন্দনকে জানান, কারণ দর্শানোর চিঠি বাসায় দিয়েছে।

তবে ঝিকরগাছায় নৌকার বিপক্ষে বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে নির্বাচন করা বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান মনিরুল ইসলামের ০১৭১১৩৫০৩০৯ মোবাইল নম্বরে এবং চৌগাছার এসএম হাবিবের ০১৭১১০০০০৬১ নম্বর কল দিলে তারা মোবাইল রিসিভ করেননি।

এ ব্যাপারে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শহিদুল ইসলাম মিলন দৈনিক স্পন্দনকে বলেন, দলের কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তই আমাদের সিদ্ধান্ত। এর বাইরে আমার কিছু বলার নেই।

দফতর সম্পাদক এসএম মাহমুদ হাসান বিপু এ ধরণের কোনো চিঠির বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না বলে জানান।