জি কে শামীম ও খালেদ ভুঁইয়া : নয়া অবতারের কাহিনি !

অবতার মানে ‘আবির্ভূত দেবতা’ কিংবা ‘সৃষ্টিকর্তা কর্তৃক প্রেরিত’ বা ‘জীবদেহধারী ঈশ্বর বা দেবতা’। এটি হিন্দু ধর্মের একটি মতবাদ। পৃথিবীতে কোনো দেবতার আবির্ভাব বা আবির্ভূত জীবদেহকে ‘অবতার’ বলা হয়। শব্দটি সাধারণ ক্ষেত্রে ‘ব্যক্তিবিশেষের [দেবতা] আবির্ভাবের জন্য অবতরণ’ অর্থে ব্যবহৃত হয়।

অবতারের আক্ষরিক অর্থ অবতরণকারী; অবতার বলতে কোনো বিশেষ উদ্দেশ্য সাধনে স্বেচ্ছায় মর্ত্যে অবতীর্ণ পরম সত্ত্বাকে বোঝায়। হিন্দু ধর্মে দশ জন অবতারের কথা বলা হয়েছে।

এই দশ অবতার হলেন: ১. মৎস্য, মাছের রূপে সত্যযুগে অবতীর্ণ; ২. কূর্ম, কচ্ছপের রূপে সত্যযুগে অবতীর্ণ; ৩. বরাহ, শূকরের রূপে সত্যযুগে অবতীর্ণ; ৪. নৃসিংহ, অর্ধনরসিংহ রূপে সত্যযুগে অবতীর্ণ; ৫. বামন, বামনের রূপে ত্রেতাযুগে অবতীর্ণ; ৬. পরশুরাম, পরশু অর্থাৎ কুঠারধারী রূপে ত্রেতাযুগে অবতীর্ণ; ৭. রাম, রামচন্দ্র, অযোধ্যার রাজপুত্রের রূপে ত্রেতাযুগে অবতীর্ণ; ৮. কৃষ্ণ, দ্বাপর যুগে ভ্রাতা বলরামের সঙ্গে অবতীর্ণ; ৯. বুদ্ধ, কলিযুগে অবতীর্ণ হন; ১০. কল্কি, সর্বশেষ অবতার। হিন্দু বিশ্বাস অনুযায়ী, কলিযুগের অন্তে তাঁর আবির্ভাব ঘটবে।

এই অবতাররা সমাজে শান্তি-স্থিতি-শৃঙ্খলা ও ধর্ম প্রতিষ্ঠার জন্য কাজ করে যান। এ পৃথিবীতে যুগে যুগে হাতেগোনা মাত্র কয়েকজন অবতারের আবির্ভাব ঘটেছে। কোনো অবতারের সাক্ষাৎ পাওয়া যে কোনো মানুষের পরম সৌভাগ্যের ব্যাপার। একজন অবতারের জন্য মানুষকে বহু যুগ বা শতাব্দী পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হয়।

এখন অবশ্য যুগ পাল্টেছে! পুরনো কায়দার পুরনো বৈশিষ্ট্যের অবতার এখন আর দেখা যায় না। তবে নতুন রূপের নতুন চরিত্রের ‘অবতার’ অবশ্য এই ঘোর কলিকালেও বিরল নয়! একালে সন্ত্রাসী-চাঁদাবাজ, দখলদার, ভুঁইফোড় নেতা, কালো টাকার মালিক, নানা ফিকিরে হঠাৎ বড়লোক হয়ে ওঠা কিছু ফাটকাবাজ, ক্ষমতাসীন মহলের আশীর্বাদপুষ্ট ধান্দাবাজরাই অবতারের ভূমিকায়। একালের অবতাররা যেমন আকস্মিকভাবেই আবির্ভূত হন, তেমনি আকস্মিকভাবেই হারিয়ে যান। কখন যে কে অবতার হিসেবে আবির্ভূত হবেন তা আগেভাগেই বলা যায় না। অনেকেই আছেন, যারা রাতারাতি অবতার বনে যান। টোকাই থেকে বিরাট ক্ষমতাবান, জননন্দিত মহানায়ক। জিরো থেকে হিরো। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলে এ যুগের অবতারদের আবির্ভাব ও প্রতিষ্ঠা বেশি। তবে এর বাইরেও কিছু ‘বিস্ময়কর অবতার’ আছেন। তাদের অর্থবিত্ত, প্রভাব, ক্ষমতা, দাপট সনাতন অবতারদের চেয়েও অনেক বেশি। এসব অবতারের শক্তিতে বলীয়ান হয়েই একালে রাজনৈতিক দলগুলো টিকে থাকে।

এর আগে আমরা ‘জাতীয়তাবাদী’ জমানায় অবতার হিসেবে দেখেছিলাম লুৎফুজ্জামান বাবর, গিয়াসউদ্দিন আল মামুন প্রমুখকে। বর্তমানে জাতীয় পর্যায়ে তো বটেই আঞ্চলিক পর্যায়েও বহু অবতারের সাক্ষাৎ মিলছে। আমরা দেখেছি নারায়ণগঞ্জের ‘সাত খুন’ মামলার আসামি নূর হোসেনকে। দেখেছি বগুড়ার তুফান সরকারকে। জিরো থেকে সুপার হিরো হওয়ার দৃষ্টান্ত হচ্ছেন এসব অবতার। সম্প্রতি আরও দুজন নয়া অবতারের সাক্ষাৎ পাওয়া গেছে।

এর একজন হচ্ছেন জি কে শামীম। বিপুল পরিমাণ নগদ অর্থ, এফডিআর, মদ ও অস্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় দেহরক্ষীসহ তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যুবলীগের সমবায় সম্পাদক হিসেবে পরিচয়দানকারী জি কে শামীমের পূর্ণ নাম এসএম গোলাম কিবরিয়া শামীম। নারায়ণগঞ্জ শাখা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতিও তিনি। এর আগে তিনি ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ-সম্পাদক ছিলেন। জি কে শামীম বিএনপির প্রভাবশালী নেতা মির্জা আব্বাসের খুবই ঘনিষ্ঠ ছিলেন। এ সময় ঢাকা মহানগর যুবদলের সহ-সম্পাদকের পদ হাতিয়ে নেন। সে সময় বিএনপির বড় বড় নেতাদের ছবিসহ সবুজবাগ-বাসাবো এলাকাসহ রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় জি কে শামীমের ব্যানার-পোস্টার শোভা পেত।

কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলে শামীম যুবলীগে ভেড়েন। টাকা ও প্রভাব খাটিয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি হন। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় যুবলীগ ও আওয়ামী লীগের কেন্দ্রীয় নেতাদের ছবিসহ শামীমের পোস্টার-ব্যানার এখনও ঝুলছে। যদিও আওয়ামী লীগ ও যুব লীগের নেতারা তার রাজনৈতিক পরিচয়কে অস্বীকার করছেন!

প্রভাবশালী ঠিকাদার জি কে শামীম রাজধানীর সবুজবাগ, বাসাবো, মতিঝিলসহ বিভিন্ন এলাকার সরকারি কাজ নিয়ন্ত্রণ করতেন। বিএনপি-জামায়াত শাসনামলে গণপূর্ত বিভাগে ঠিকাদারি নিয়ন্ত্রণকারী ব্যক্তি হিসেবে তিনি পরিচিত ছিলেন। পরে আওয়ামী লীগে যোগ দিয়ে একই কাজ করেছেন। তার কাজের কোনো পরিবর্তন হয়নি। পরিবর্তন হয়েছে কেবল দল।

মাত্র ১০ম শ্রেণি পর্যন্ত লেখাপড়া জানা শামীম আওয়ামী লীগ-বিএনপিকে ব্যবহার করে আন্ডারওয়ার্ল্ডের ডন হয়ে ওঠেন। চাঁদাবাজি, টেন্ডারবাজি, জুয়া ও ক্যাসিনো চালিয়ে কয়েক হাজার কোটি টাকার মালিক বনে যান। রাজধানীর অভিজাত এলাকা বনানীতে বসবাসকারী জি কে শামীমের অফিস নিকেতনে। এক সময় তিনি বাসাবোতে বাস করতেন। এখানে কদমতলার ১৭ নম্বরে তার পাঁচতলা বাড়ি আছে। বাসাবোতে তার আরও তিনটি ভবন আছে। ডেমরা ও দক্ষিণগাঁও ছাড়াও সোনারগাঁ উপজেলা, বান্দরবান ও গাজীপুরে কয়েকশ’ বিঘা জমি কিনেছেন তিনি।

তিনি অস্ত্রধারী দেহরক্ষী পরিবেষ্টিত হয়ে গাড়িবহর নিয়ে চলাফেরা করতেন। তার গাড়ির আগে-পিছে থাকত একাধিক গাড়ি। তিনি নিজেই নিজেকে ভিআইপি মর্যাদায় উন্নীত করেছিলেন। রাজনৈতিক কর্মসূচি থেকে শুরু করে সামাজিক অনুষ্ঠান যেখানেই তিনি যেতেন সঙ্গে থাকত দেহরক্ষী। যেন রাষ্ট্রীয় মহাগুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিত্ব। এই অবতারকে শেষ পর্যন্ত ‘অজ্ঞাত কারণে’ ধরা খেতে হলো!

অস্ত্র ও মাদক মামলায় গ্রেপ্তার হওয়া যুবলীগের ঢাকা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক খালেদ মাহমুদ ভুঁইয়াও হয়ে উঠেছিলেন আরেক অবতার। রাজধানীর মতিঝিল, ফকিরাপুল এলাকায় কমপক্ষে ১৭টি ক্লাব নিয়ন্ত্রণ করতেন এই যুবলীগ নেতা। প্রতিটি ক্লাব থেকে প্রতিদিন কমপক্ষে এক লাখ টাকা করে বখরা নিতেন তিনি। এসব ক্লাবে সকাল ১০টা থেকে ভোর পর্যন্ত ক্যাসিনোতে চলত জুয়া। ছিল ইয়াবাসহ মাদকের ছড়াছড়ি।

খিলগাঁও-শাহজাহানপুর হয়ে চলাচলকারী লেগুনা ও গণপরিবহন থেকে নিয়মিত টাকা দিতে হয় খালেদকে। প্রতি কোরবানির ঈদে শাহজাহানপুর কলোনি মাঠ, মেরাদিয়া ও কমলাপুর পশুর হাট নিয়ন্ত্রণ করতেন তিনি। খিলগাঁও রেল ক্রসিংয়ে প্রতিদিন রাতে মাছের একটি হাট বসাতেন এই নেতা। সেখান থেকে মাসে কমপক্ষে এক কোটি টাকা আদায় করতেন। শাহজাহানপুরে রেলওয়ের জমি দখল করে দোকান ও ক্লাব নির্মাণ করেছেন।

যুবলীগ নেতা খালেদ যখন শান্তিনগরের হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজে উচ্চমাধ্যমিকে পড়াশোনা করেছেন, তখনই পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। পুলিশের গুলিতে তার একটি পা ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সেই থেকে তার নাম হয় ‘ল্যাংড়া খালেদ’।

১৯৮৭ সালে ফ্রিডম পার্টির দুই সশস্ত্র কর্মী মানিক ও রাসুর নেতৃত্বে ধানমন্ডির ৩২ নম্বর বাড়িতে হামলা হয়। এ দুই নেতার হাত ধরেই খালেদের উত্থান। সে সময় সে ফ্রিডম পার্টির সঙ্গেও নাকি সম্পৃক্ত ছিল। ২০০২ সালে বিএনপির নেতা মির্জা আব্বাসের ভাই মির্জা খোকনের ঘনিষ্ঠ সহযোগী ছিলেন খালেদ। ২০১১ সালে মোহাম্মদপুরে ঢাকা মহানগর উত্তরে সহ-সভাপতি গিয়াস উদ্দিন বাবু ওরফে লীগ বাবু খুন হন। ঐ খুনের সঙ্গে খালেদের সম্পৃক্ততা রয়েছে বলে অভিযোগ আছে।

দুবাইয়ে আত্মগোপন করা শীর্ষ সন্ত্রাসী জিসানের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। ক্যাসিনো এবং ঢাকার বিভিন্ন স্থান থেকে আদায়কৃত চাঁদার ভাগ বাঁটোয়ারা নিয়ে খালেদ ও যুবলীগ দক্ষিণের একজন শীর্ষ নেতার মধ্যে দ্বন্দ্ব সৃষ্টি হয়। ক্ষুব্ধ খালেদ যুবলীগের ওই শীর্ষ নেতাকে সরিয়ে দিতে একে-২২ রাইফেলসহ ভারী আগ্নেয়াস্ত্রও আনেন। এসব অস্ত্র পরে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ উদ্ধার করে।

সব কিছু ভালোয় ভালোয় চলছিল। খালেদও ক্রমেই ফুলে-ফেঁপে উঠছিল। কিন্তু কোথা থেকে কী হয়ে গেল! সাজানো ফুলের বাগান ঝড়ে ভেঙ্গে গেল। মহাপ্রতাপশালী খালেদ এখন পুলিশ রিমান্ডে, জেলে!

প্রশ্ন হলো, কেন হঠাৎ এই গুন্ডাবিরোধী অভিযান? এভাবে ঠগ বাছতে গেলে তো গাঁ-ই উজাড় হয়ে যাবে! কতজন শামীম-খালেদকে গ্রেপ্তার করা হবে? সারা দেশে এমন শামীম-খালেদের সংখ্যা কত? এ ধরনের গুন্ডারাই তো এখন রাজনৈতিক দলগুলোর মূল স্তম্ভে পরিণত হয়েছে! রাজনৈতিক দলগুলোই এদের আশ্রয়-প্রশ্রয় দিয়ে অবতার বানিয়েছে! এখন হঠাৎ করে এই ‘নয়া-অবতার’ নিধনের প্রয়োজন দেখা দিল কেন?

গত তিন দশক ধরে বাংলাদেশে একটু একটু করে যা গড়ে উঠেছে তা হলো গুন্ডাতন্ত্র। এখন রাজনৈতিক দলগুলোতে ভদ্রসভ্য সুশীলদের তেমন কোনো স্থান নেই। বর্তমান সময়ে যারা রাজনীতির ঝাণ্ডাকে ঊর্ধ্বে তুলে ধরছেন, তাদের বেশিরভাগই গুন্ডাপ্রকৃতির। এরা ইচ্ছে হলে যে কাউকে পিটিয়ে তক্তা বানিয়ে দিতে পারেন। প্রভাব খাটিয়ে ভয় দেখিয়ে মিছিলে-সভায় লোক জড়ো করতে পারেন। এরা দলের পরিচয় ব্যবহার করে টাকা আদায় করতে পারেন। মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে পুরো এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করতে পারেন। রাজনৈতিক দলের কাছে এরাই এখন ‘সোনার ছেলে’। দলের কাছে এদের তেমন কোনো দাবিও নেই। শুধু প্রশ্রয় চায়। বড় কোনো ঝামেলায় জড়িয়ে গেলে ডিসি-এসপিকে যেন নেতারা একটু ‘বলে দেন’-এইটুকু চায়। বাকিটুকু তারা নিজেরাই করে নিতে পারেন। নিয়ম করে চাঁদা তোলেন। টেন্ডারসহ যাবতীয় উন্নয়ন ও নির্মাণকাজের ভাগ বাঁটোয়ারা তারাই করেন। তরুণ কর্মীদের পকেট খরচার ব্যবস্থাও তারাই করে থাকেন। দলের যে কোনো অনুষ্ঠানে তারাই টাকা যোগাড় করেন। কাজেই দলও তাদের নিয়ে খুশি। তারাও দলের হয়ে ‘কাজ’ করতে পেরে খুশি।

এই শ্রেণির কাছে ক্ষমতাসীন দল হলো সবচেয়ে বেশি পছন্দের। তাহলে থানা, পুলিশ, প্রশাসন সবার কাছে বাড়তি খাতির পাওয়া যায়। এরা নির্বাচনের সময় দলের জন্য প্রাণপাত করেন। নির্বাচনের ফলকে নিজেদের পক্ষে নিতে যা কিছু করার সবই তারা করেন। কখনও ব্যালট বাক্স ভর্তি করা, কখনও প্রতিপক্ষ প্রার্থী ও সমর্থকদের ঘরছাড়া করা, গোটা এলাকায় ‘নির্বাচনী আমেজ’ তৈরি করা– এসব ব্যাপারে এই শ্রেণির বিশেষ দক্ষতা রয়েছে। তাই তো ক্ষমতাসীনদের কাছে এরা সবচেয়ে প্রয়োজনীয়। এরাই এখন রাজনৈতিক দলের ভোট করবার ও দল চালাবার এক সুবিস্তৃত এবং সুপরিকল্পিত ‘মেশিনারি’তে পরিণত হয়েছে।

‘এই দুর্বৃত্তদের উপর নেতৃত্বের কোনো নিয়ন্ত্রণ নেই’ বললে পনেরো আনা সত্যই অনুপস্থিত থেকে যায়। এই দুর্বৃত্তদের নিয়ন্ত্রণের কোনো বাসনাই কখনও কারো মধ্যে দেখা যায়নি। বরং দুর্বৃত্ত বিকাশের অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতেই অধিক আগ্রহী মনে হয়েছে। তা না হলে এমন গুন্ডা-পাণ্ডারা রাজনৈতিক পরিচয় নিয়ে কীভাবে বিকশিত হয়? জেলখানার বাইরে থাকে?

মূল কথা হলো, এই একজন-দুইজন ‘অবতার’কে ধরে গুন্ডাতন্ত্রের বিনাশ সাধন করা যাবে না। এর জন্য ব্যবস্থা পাল্টাতে হবে। কোনো গুন্ডা যেন কোনো রাজনৈতিক দলে স্থান না পায়, সেটা নিশ্চিত করতে হবে। গুন্ডা উৎপাদনের ব্যবস্থাও কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে। গুন্ডাদের স্থান হবে শুধু জেলখানা-এটা নিশ্চিত করতে হবে। গুন্ডাদের দিয়ে দল পরিচালনার বিপদ কি আমাদের দেশের হর্তাকর্তাবিধাতারা জানেন না? হয়তো জানেন, অথবা তারাও জানেন না! ফ্রাঙ্কেনস্টাইন কি তার সৃষ্টির পরিণাম জানতেন?