হুন্ডি কাজলের জমি ক্রেতার বাড়িতে ভুরিভোজ!

ওসি মাহবুবুল আলম

::কাজী মৃদুল, কোটচাঁদপুর::

ফেরারি আসামি হুন্ডি কাজলের জমি ক্রেতার বাড়িতে দাওয়াত খেয়ে সমালোচিত হয়েছেন কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মাহবুবুল আলম।

এলাকাবাসী জানিয়েছে বহুল আলোচিত ফেরারি আত্মগোপনে থেকে কিভাবে জমি বিক্রি করেছেন তা নিয়েই এমনিতেই প্রশ্ন রয়েছে, এর উপর ক্রেতার বাড়িতে দাওয়াত খাওয়া ঠিক হয়নি। অবশ্য ওসি দাওয়াত খাওয়ার তথ্য সত্য নয় বলে জানিয়েছেন।

ফেরারি আসামি হুন্ডি কাজলের গোপনে জমি বিক্রির খবর দৈনিক স্পন্দনে প্রথম প্রকাশিত হয়। গত ২৭ জুলাই ঝিনাইদহ জেলা পুলিশের বিশেষ শাখা প্রকাশিত সংবাদটি তদন্তের জন্য কোটচাঁদপুর থানার অফিসার ইনচার্জকে (ওসি) দায়িত্ব দেয়। তদন্তের দায়িত্বপ্রাপ্ত হয়ে তদন্ত না করে উল্টো জমির ক্রেতার বাড়িতে খাওয়া দাওয়া করেছেন বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।

অবশ্য ওসি মাহবুবুল আলম বলেছেন কোনো তদন্তের নির্দেশ আসেনি। হেড কোয়ার্টার কোনো তদন্ত করেছে কিনা তা তার জানা নেই।

ঝিনাইদহ জেলার কোটচাঁদপুরের ফারুক আহমেদ কাজল ওরফে হুন্ডি কাজল এবং তার এজেন্টরা দক্ষিণ পশ্চিমাঞ্চলের হাজার হাজার মানুষের কাছ খেকে ৭/৮শ’ কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়। যা ২০০০ সালে দেশে আলোচিত ঘটনা হিসাবে প্রধান্য পায়।

বিষয়টি নিয়ে বেশ কয়েকটি মামলা হয় হুন্ডি কাজলের বিরুদ্ধে। তার মধ্যে একাধিক মামলায় হুন্ডি কাজলের সাজা হওয়াতে দীর্ঘ দিন তিনি ফেরার হয়ে পলাতক জীবন যাপন করছেন।

সম্প্রতি হুন্ডি কাজল কোটচাঁদপুরে তার অবৈধ টাকায় কেনা জমি থেকে প্রায় ৭ বিঘা বিক্রি করেন। হুন্ডি কাজলের জমি গ্রহিতা দু’জন এবং সাবরেজিষ্ট্রারের দেয়া তথ্য মতে হুন্ডি কাজল স্ব-শরীরে রেজিষ্ট্রি অফিসে এসে জমি রেজিষ্ট্রি করে গেছেন। অথচ রেজিষ্ট্রি অফিসের অন্যান্য লোকজন এটা মানতে নারাজ।

এ সংক্রান্ত প্রতিবেদন প্রকাশিত হলে সেই সময় পুলিশের ঢাকার মিডিয়া সেন্টার থেকে স্থানীয় সাংবাদিকদের জানানো হয় ফারুক আহমেদ কাজল ফেরারি হয়ে প্রকাশ্যে কিভাবে জমি রেজিষ্ট্রি করতে আদেও এসেছিলো কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।