মোটরসাইকেল চুরি করে নড়াইলে বিক্রি করি, স্বীকারোক্তি ইয়ামিনের

✍ নিজস্ব প্রতিবেদক

যশোরে মোটরসাইকেল চুরি মামলায় আটক ইয়ামিন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। সে ও তার দুই বন্ধু একটি পালসার মোটরসাইকেল নড়াইলে নিয়ে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করেছে বলে স্বীকার করে।

বৃহস্পতিবার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের বিচারক গৌতম মল্লিক আসামির এ জবানবন্দি গ্রহণ শেষে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন। ইয়ামিন যশোর নূতন খয়েরতলার কামরুজ্জামান লাল্টুর ছেলে।

জবানবন্দিতে ইয়ামিন জানিয়েছে, সে আরবপুরের একটি ইঞ্জিনিয়ারিং ওয়ার্কসপে কাজ করে। গত ১৪ আগস্ট রাতে কাজ শেষে বাড়ি ফিরছিল সে। পথিমধ্যে আয়েশাপল্লীর সামনের ফাঁকা রাস্তায় রাত ১টার দিকে তার পরিচিত দুইজন এক মেয়েকে নিয়ে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে। তারা ঢাকা থেকে এসেছে এবং অ্যাকসিডেন্ট করেছে বলে জানায়।

তাদের সাথে একটি পালসার মোটরসাইকেল ছিল। তারা রাতে তার বাড়িতে থাকতে চায়। বাড়ির লোকজন রাজি না হওয়ায় ডাকাতিয়া গ্রামের এক আত্মীয় বাড়ি নিয়ে তাদের রাখে ইয়ামিন। পরদিন সকালে এক মোটরসাইকেল মিস্ত্রী এনে তাদের মোটরসাইকেল মেরামত করা হয়। এরপর তারা তিনজন মোটরসাইকেল নিয়ে নড়াইলে চলে যায়।

এরপর ২০ হাজার টাকায় ওই পালসার মোটরসাইকেল বিক্রি করে দেয়া হয়। তারা তাকে এক হাজার টাকা দিয়েছিল। পরে তাকে আটক করলে স্বীকারোক্তিতে পুলিশ চুরি করা মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে বলে জবানবন্দিতে জানিয়েছে।

মামলার অভিযোগে জানা গেছে, গত ১৪ আগস্ট রাতে যশোর সদরের পাগলাদহ গ্রামের বাশারের পালসার মোটরসাইকেল চুরি হয়ে যায়।

এ ব্যাপারে তিনি কোতোয়ালি মডেল থানায় একটি মামলা করেন। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা মোটরসাইকেল চুরির অভিযোগে ইয়ামিনকে আটক করেন। তার স্বীকারোক্তিতে নড়াইল থেকে চুরি যাওয়া মোটরসাইকেল উদ্ধার করেন তদন্তকারী কর্মকর্তা।

বুধবার আটক ইয়ামিনকে আদালতে সোপর্দ করা হলে সে চুরির সাথে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেয়।