পাক প্রধানমন্ত্রীর বিমানের জরুরি অবতরণ নিয়ে প্রশ্ন

✍ স্পন্দন ডেস্ক

নিউইয়র্ক বিমানবন্দরে পাক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে বহনকারী বিমানের জরুরি অবতরণ নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে।

ফ্রাইডে টাইমস নামে পাকিস্তানের একটি ম্যাগাজিন জানিয়েছে, জাতিসংঘ অধিবেশন শেষে ইসলামাবাদে ফেরার জন্য পাক প্রধানমন্ত্রীকে দেয়া নিজের বিশেষ বিমান মাঝপথ থেকে নিউইয়র্কে ফিরে আসার নির্দেশ দেন যুবরাজ বিন সালমান।

ম্যাগাজিনটির খবরে এর কারণ হিসেবে বলা হয়, জাতিসংঘের ৭৪তম অধিবেশনে যোগ দিয়ে সৌদি যুবরাজকে অনেকটাই এড়িয়ে চলেন ইমরান খান। এর বিপরীতে তুরস্কের প্রেসিডেন্ট রিসেপ তাইয়্যিপ এরদোগান ও মালয়েশিয়ার প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সঙ্গে বিশেষ সখ্যতা দেখা যায় তার। তিন দেশের সমন্বয়ে ইসলামী একটি টিভি চ্যানেল খোলার পরিকল্পনা করেন তারা।

এ নিয়ে ৪ অক্টোবর একটি বিশেষ প্রতিবেদনে প্রকাশ করে পাকিস্তানের সাপ্তাহিক ম্যাগাজিন ফ্রাইডে টাইমস।

এতে দাবি করা হয়েছে, নিউইয়র্কে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী ইমরানের খানের কিছু কূটনৈতিক তৎপরতায় বিচ্ছিন্ন ছিলেন সৌদি যুবরাজ। ইমরান খানের কিছু কর্মকাণ্ডে বিন সালমান খুশি হতে পারেননি।

ইমরান খানের এমন কর্মকাণ্ডে ক্ষেপে গিয়ে নিজের বিশেষ বিমান থেকে ইমরান খানসহ পাকিস্তানি প্রতিনিধি দলকে নেমে আসার নির্দেশ দিয়েছিলেন সৌদি যুবরাজ।

উল্লেখ্য, জাতিসংঘের সাধারণ অধিবেশনে যুক্তরাষ্ট্র যেতে ইমরান খানকে সৌদি যুবরাজের নিজের ব্যক্তিগত বিমানটি দিয়েছেন সৌদি যুবরাজ।

সৌদি আরব সফর শেষে নিউইয়র্কে রওনা দেয়ার সময় পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানকে সৌদি সিংহাসনের উত্তরসূরি মোহাম্মদ বিন সালমান বিশেষ সম্মানে ভূষিত করেন। কিন্তু ফেরার পথে হঠাৎ যান্ত্রিক ত্রুটির মুখে পড়ে জরুরি অবতরণ করে বিমানটি।

জাতিসংঘের ৭৪তম সাধারণ অধিবেশনে যোগদান শেষে পাকিস্তান ফেরার পথে নিউইয়র্ক বিমানবন্দর থেকে রওনা হয়েছিলেন ইমরান খান। বিমানটি ৭০০ কিলোমিটার অতিক্রম করে কানাডার টরোন্টো সিটির আকাশে যখন উড়ছিল তখনই এতে যান্ত্রিক ত্রুটি দেখা দেয়।

পাইলটরা তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত নিয়ে বিমানকে ফের নিউইয়র্কে ফিরিয়ে নিয়ে আসেন। কিন্তু ফ্রাইডে টাইমসের তথ্যমতে, ওই বিমানের যান্ত্রিক ত্রুটি ছিল না। সৌদি যুবরাজ ক্ষেপে গিয়ে ইমরান খানকে ওই বিমানটিকে ফিরিয়ে নিতে বলেছেন।