মানুষের গলার কাঁটা মহেশপুর-দত্তনগর সড়ক

✍ অসীম মোদক, মহেশপুর

সংস্কারের অভাবে চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার ১৮ কিলোমিটার আঞ্চলিক মহাসড়ক। সড়কটির প্রায় ১৮ কিলোমিটার জুড়েই সৃষ্টি হয়েছে বড় বড় গর্ত আর খানা খন্দে। এতে প্রতিনিয়ত ঘটছে দুর্ঘটনা। দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে যাত্রী ও চালকদের।

সড়ক বিভাগ বলছে, রাস্তা সংস্কারে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, দ্রুতই এ সমস্যার সমাধান করা হবে।

ঝিনাইদহ জেলার ভারত সীমান্তবর্তী উপজেলা মহেশপুর। জেলা সদর থেকে প্রায় ৫০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। গত কয়েক বছরে দত্তনগর বাজার থেকে জিন্নাহনগর পর্যন্ত ১৮ কিলোমিটার সড়কের এ দশার কোনো পরিবর্তন হয়নি।

এতে ভোগান্তিতে পড়েছে রাস্তায় চলাচলকারী মানুষেরা। উপজেলা ও জেলা সদরে যাওয়ার একমাত্র রাস্তা চলাচলের অযোগ্য হয়ে যাওয়ায় প্রতিনিয়ত দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে তাদের। তাই দ্রুত এ সড়ক সংস্কার করার দাবি চালাচলকারী মানুষ, বিভিন্ন যানবাহনের চালক ও এলাকাবাসীর।

কামরুল ইসলাম নামের একজন পথচারী জানান, রাস্তাটি দীর্ঘদিন ধরে অবহেলিত। প্রতিদিন লাখ লাখ মানুষ এ রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করে অথচ কারো চোখে পড়ে না। আপনাদের মাধ্যমে আমরা প্রশাসন ও স্থানীয় সংসদ সদস্যের কাছে আবেদন জানাচ্ছি।

বাসচালক নজরুল ইসলাম বলেন, রাস্তাটি চলাচলের আর কোনো উপায় না থাকায় আমরা এ রাস্তায় বাস চলাচল সম্পূর্ণ ভাবে বন্ধ করে দিয়েছি। রাস্তাটি ভালো হলে আমরা আবার এ রাস্তায় বাস চালাবো।

ঝিনাইদহ সড়ক ও জনপথ নির্বাহী প্রকৌশলী নজরুল ইসলাম জানান, মহেশপুরের কয়েকটি রাস্তা উন্নয়নের জন্য ৪টি প্যাকেজে টেন্ডার হয়। ৩নম্বর ও ৪নম্বর প্যাকেজ দুটির কাজ ইতিমধ্যে শেষ হয়েছে। ওই ১৮ কিলোমিটার রাস্তার নেচার (টেন্ডারের সময় ভাঙা কম ছিল, আর এখন খানাখন্দ বেশি) পরিবর্তন হওয়ার কারণে মেরামত করা যাচ্ছে না। পুনঃদরপত্রের আহবান করা হবে। অনুমোদন পেলেই কাজ শুরু করা হবে বলে আশ্বাস দেন সড়ক বিভাগের এ কর্মকর্তা।

স্থানীয় সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল বলেন, রাস্তাটি রিভাইস করার জন্য আমরা আবেদন করেছিলাম। বেশ কয়েকটা মিটিং হয়ে অনুমোদন হয়েছে। বর্তমানে এটা টেন্ডার ও অন্যান্য যা কাজ আছে তা এক সাথে শুরু হয়েছে। আমার মনে হয় এ মাসের ভিতরে টেন্ডার প্রক্রিয়া শেষ হবে এবং আগামী মাসেই আমরা এ রাস্তার কাজ শুরু করতে পারবো।