আজিজ মোহাম্মদ ভাইর বাড়িতে মদ-ক্যাসিনো সামগ্রী উদ্ধার

স্পন্দন ডেস্ক : বিতর্কিত ব্যবসায়ী আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের ঢাকার গুলশানের বাড়িতে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ মদ ও ক্যাসিনো সরঞ্জাম উদ্ধারের কথা জানিয়েছে মাদক দ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

রোববার বিকাল ৫টার দিকে গুলশান ২ নম্বর সেকশনের ৫৭ নম্বর সড়কের ওই বাড়িতে এ অভিযান শুরু হয়।

অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক খোরশেদ আলম বলেন, “প্রাথমিকভাবে ক্যাসিনো সামগ্রী এবং মদ, বিয়ার, সিসা পাওয়া গেছে।”

একই হোল্ডিংয়ের পাশাপাশি দুটি ভবনে অভিযান চালায় মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা বলেন, একটি ভবনের ছাদের এক কোনে ক্যাসিনো সামগ্রী, আরেক ভবনের চার তলার একটি কক্ষে বিপুল পরিমাণ মদ পাওয়া যায়।

গত মাসে ক্যাসিনো বন্ধে ঢাকার ক্রীড়া ক্লাবগুলোতে র‌্যাবের অভিযানের পর তারা এ ধরনের আরও অভিযান চালিয়ে আসছিল। এরপর অভিযানে নেমেছে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর।

অলিম্পিক ইন্ডাস্ট্রিজের মালিক আজিজ মোহাম্মদ ভাই চলচ্চিত্র প্রযোজক হিসেবেই বেশি পরিচিত। চিত্রনায়ক সোহেল চৌধুরী ও সালমান শাহ হত্যাকাণ্ডে জড়িত হিসেবে তার নাম এসেছিল।

অলিম্পিকের পাশাপাশি আমবী ফার্মাসিউটিক্যালসের চেয়ারম্যান আজিজ মোহাম্মদ ভাই; তার স্ত্রী নওরীন এই কোম্পানির ব্যবস্থাপনা পরিচালক।

শেয়ার কেলেঙ্কারির এক মামলায় গত বছর আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেছিল পুঁজিবাজার বিষয়ক ট্রাইব্যুনাল। তার আগ থেকেই তিনি বিদেশে অবস্থান করছেন।

আজিজ মোহাম্মদ ভাই

আজিজ মোহাম্মদ ভাই

রোববারের অভিযানে গুলশানের ওই বাড়ি থেকে দুই তত্ত্বাবধায়ক মো. পারভেজ ও নবীন মণ্ডলকে আটক করেছে মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা।

নবীন সাংবাদিকদের বলেন, গত সাত-আট বছর ধরে তিনি এখানে কাজ করলেও কখনও আজিজ মোহাম্মদ ভাইকে দেখেননি।

তিনি জানান, একটি ভবনের চারতলা আজিজের স্ত্রী নওরীন ব্যবহার করেন। দোতলায় থাকেন আজিজের ভাইয়ের ছেলে। ওই ভবনের অন্য তলায় কেউ থাকেন না।

আরেক ভবনের পাঁচ ও ছয় তলায় আজিজ মোহাম্মদ ভাইয়ের দুই বোন সখিনা মীর আলী ও নুরজাহান হুদা বসবাস করেন। দোতলায় তৃতীয় তলায় বোনের সন্তানরা বসবাস করে।

পারভেজ বলেন, তিনি এক মাস আগে এই ভবনের চারতলায় আসেন।

যে কক্ষে মদ পাওয়া গেছে, সেই কক্ষের দিকে যাওয়ার তাদের ‘নিষেধ ছিল’ বলে জানান