সাকিবকে না পাওয়ার চ্যালেঞ্জে উজ্জীবিত দল

ক্রীড়া প্রতিবেদক :
সাকিব আল হাসানের নিষেধাজ্ঞা বড় ধাক্কা হয়ে এসেছে বাংলাদেশ দলের জন্য। তবে তাতে নুইয়ে পড়ছেন না ক্রিকেটাররা। দলের সেরা ক্রিকেটারের শূন্যতা পূরণের চ্যালেঞ্জ বরং আরও উজ্জীবিত করছে দলকে। সাকিবের অনুপস্থিতিতে টি-টোয়েন্টি দলের নেতৃত্ব পাওয়া মাহমুদউল্লাহ জানালেন, সময়ের সেরা অলরাউন্ডারের অভাব থেকে ভালো করার অনুপ্রেরণা পাচ্ছেন সতীর্থরা।

জুয়াড়িদের কাছ থেকে পাওয়া প্রস্তাব গোপন করায় এক বছরের জন্য নিষিদ্ধ হয়েছেন সাকিব। তবে নিজেদের ইতিহাসের সেরা ক্রিকেটারকে হারিয়ে হাহাকার করছে না বাংলাদেশ।এই ধাক্কাকেই শক্তিতে পরিণত করে নিজেদের মেলে ধরতে উন্মুখ। মাহমুদউল্লাহর কাছে,এটা নিজেদের প্রমাণের দারুণ সুযোগ।

“সাকিবের না থাকা আমাদের জন্য চাপ নয়। আমরা বরং অনুপ্রাণিত, যেন ভালো পারফরম্যান্স করতে পারি। কারণ, সাকিবের অনুপস্থিতি আমিসহ প্রত্যেক ক্রিকেটারের জন্যই সমান সুযোগ। ওরা যেন সাকিবের জায়গাটা (পূরণ করতে পারে)…যদিও জানি সাকিবের জায়গা পূরণ করা এত সহজ নয়।”

“একজন সাকিব একদিনে তৈরি হয়নি। ১০-১২ বছর ধরে ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে পারফর্ম করে আসছে। তারপরও আমাদের যতটুকু সামর্থ্য আছে…ওই জায়গাটা যেন পূরণ করতে পারি।”

সাকিব না থাকলে কম্বিনেশন ঠিক করতে বরাবরই ভুগতে হয় বাংলাদেশকে। প্রথম টি-টোয়েন্টির আগে সাকিবের জায়গায় একাদশে একজন বোলার নেওয়া হবে নাকি ব্যাটসম্যান, তা নিয়ে ভাবনায় পড়ে গেছেন মাহমুদউল্লাহরা।

“একজন টপ ক্লাস অলরাউন্ডার না থাকলে অবশ্যই তা দলে বড় একটা প্রভাব ফেলে। আমার মনে হয়,ওই জায়গা থেকে কম্বিনেশনে আমাদের একজন বাড়তি ব্যাটসম্যান কিংবা বোলারের দিকে যেতে হবে।”
সাকিবের অনুপস্থিতিতে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া নতুন নয় মাহমুদউল্লাহর জন্য। টেস্ট ও টি-টোয়েন্টিতে কিছু ম্যাচে দলকে নেতৃত্ব দেওয়া এই অলরাউন্ডার দেশের ঘরোয়া ক্রিকেটের সেরা অধিনায়কদের একজন। মাশরাফি বিন মুর্তজা ও সাকিবের নেতৃত্ব কাছ থেকে দেখে শিখেছেন অনেক। সেসব কাজে লাগিয়ে হয়ে উঠতে চান ভালো নেতা।

“দলকে নেতৃত্ব দেওয়া আমার কাছে বোঝা নয়। অধিনায়কত্ব আমার কাছে দলকে ও দেশকে নেতৃত্ব দেওয়ার দারুণ একটি সুযোগ। … আমাদের দল হিসেবে খেলতে হবে, মিলিতভাবে পারফর্ম করতে হবে এবং ম্যাচে নিজেদের স্কিল মেলে ধরতে হবে। আমাকে নিজের খেলার উন্নতি করতে হবে এবং ভালো নেতা হওয়ার চেষ্টা করতে হবে।”