সম্মেলন ঘিরে উৎফুল্ল ছিল নেতাকর্মীরা

বিল্লাল হোসেন:
দীর্ঘ ১৬ বছর যশোর সদর উপজেলা ও শহর আওয়ামী লীগের ত্রিবার্ষিক সম্মেলনকে ঘিরে শনিবার সকাল থেকেই শহরে ছিলো উৎসবমুখর পরিবেশ। কাউন্সিলরা ছাড়াও বিভিন্ন গ্রাম ও শহরের ওয়ার্ড থেকে নেতাকর্মী দলবদ্ধ হয়ে আনন্দ উৎসবে ছড়িয়ে পড়ে গোটা শহরে। কে হচ্ছেন নতুন নির্বাচিত নেতা তা জানার জন্য নেতাকর্মীরা শেষ পর্যন্ত অপেক্ষায় থাকেন।
এবারের সম্মেলনে যশোর সদর উপজেলা শাখা আওয়ামী লীগে মোহিত কুমার নাথ ও শাহারুল ইসলাম প্যানেল এবং মেহেদি হাসান মিন্টু ও আলিমুজ্জামান মিলন প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতায় ছিলেন। এছাড়া শহর আওয়ামী লীগে ছিলেন অ্যাডভোকেট আসাদুজ্জামান আসাদ ও এসএম মাহমুদ হাসান বিপু প্যানেল এবং এসএম কামাল হোসেন ও লুৎফুর কবীর বিজু প্যানেল। সম্মেলন ঘিরে কয়েকদিন আগে থেকেই নেতামকর্মীদের মাঝে উৎসবের আমেজ বইছিলো। যার প্রতিফলন ঘটে সম্মেলনস্থলে তৃণমূলের নেতাকর্মীদের স্বতস্ফূর্ত উপস্থিতি। এদিকে, সম্মেলনস্থল শহরের গুরুত্বপূর্ণ স্থান ও রাস্তার মোড়ে মোড়ে টাঙানো ছিলো বিলবোর্ড, ব্যানার ও ফেস্টুন। জেলা ও কেন্দ্রীয় নেতাদের স্বাগত জানিয়ে বানানো হয়েছিলো তোরণ। শহরের দড়াটানা ও গরিবশাহ মোড়ে অবস্থান করে দেখা গেছে, সকাল থেকেই যশোর সদর উপজেলার বিভিন্ন ওয়ার্ড ও যশোর শহরের বিভিন্ন এলাকা থেকে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দলবদ্ধ ভাবে ছুটছে সম্মেলনস্থল যশোর কেন্দ্রীয় ঈদগাহ ময়দানের দিকে। বিভিন্ন নেতা ও প্রার্থীর নাম উচ্চারণ করে স্লোগান দিচ্ছে তারা। অনেকের মাথায় প্রিয় নেতার নাম ও ছবি সম্বলিত রঙিণ কাপড় বাধা। আবার নারী নেত্রীরা নানা রঙয়ের শাড়িতে সাজেন। সবার উপস্থিতিতে সম্মেলনস্থল মুখরিত হয়ে ওঠে। নেতাকর্মীরা নানা ঢংয়ে স্লোগান দিতে থাকে। দুপুরে প্রথম অধিবেশন শেষে নেতাকর্মীরা জড়ো হয় নির্ধারিত কাউন্সিলরদের ভোটের স্থান যশোর শহরের পৌর কমিউনিটি সেন্টারে। সেখানে দুই প্যানেলের নেতাকর্মীরা অপেক্ষায় ছিলেন বিজয়ের অপেক্ষায়। কথা প্রসঙ্গে অনেকেই জানান, কে জিতলো কে হারলো এটা বড় কথা না। কারণ প্যানেল দুটি হলেও সকলেই ছিলেন আওয়ামী লীগের নেতা। কোন রকম অপ্রীতিকর পরিস্থিতি ছাড়াই সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ায় তারা খুশি। সুষ্ঠু সম্মেলনকে ঘিরে তারা দিনব্যাপী আনন্দ উৎসবে ছিলেন। অনেকদিন পর যশোর শহরে সবাই একসাথে হতে পেরেছেন। এটা তাদের বড় পাওয়া।