যশোরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ভাইপো রাকিব আটকের গুঞ্জন, পুলিশের অস্বীকার

নিজস্ব প্রতিবেদক:
যশোরের অন্যতম শীর্ষ সন্ত্রাসী রাকিব ওরফে ভাইপো রাকিব পুলিশের হাতে আটক হওয়ার গুঞ্জন উঠেছে। যদিও কোতয়ালি থানা পুলিশ রাকিবের আটকের কথা অস্বীকার করেছে। ভাইপো রাকিব শহরের শংকরপুর পশু হাসপাতাল এলাকার কাজী তৌহিদের ছেলে।
চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকার একটি সূত্র জানিয়েছে, সোমবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে কোতয়ালি থানার এএসআই আল মিরাজ শংকরপুর আলতাফের মোড় থেকে রাকিবকে আটক করে নিয়ে গেছে। রাকিব সে সময় ওই এলাকার একটি চায়ের দোকানের সামনে ছিলো।
সূত্রটি জানিয়েছে, রায়পাড়া এলাকার চিহ্নিত মাদক বিক্রেতা বেবী খাতুনের মেয়ে পান্নার একটি জমি বিক্রি হওয়ার প্রস্তাব আছে। তিনদিন আগে দুইজন ক্রেতা সেখানে গিয়ে জমি কেনার প্রস্তুতি স্বরুপ মাপজোপ করেন। জমি বিক্রির সংবাদ শুনে রাকিব সেখানে যায় এবং চাঁদার ধান্দা করে। বিষয়টি প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের কাছে পৌঁছায়। কারণ ওই জমির এক ক্রেতা একটি বিশেষ বাহিনীর সদস্য। এ কারণে পুলিশ সোমবার তাকে আটক করে। রাকিবকে আটক করা হয়েছে কি-না জানার জন্য মোবাইল ফোন করা হয়। কিন্তু এএসআই আল মিরাজ ফোন রিসিভ করেননি।
এলাকার একাধিক সূত্র জানিয়েছে, একাধিক হত্যাসহ অন্তত দেড় ডজন মামলার আসামি ভাইপো রাকিব। চাঁদাবাজি এখন তার পেশা। ওই এলাকায় কেউ জমি কিনলে বা বিক্রি করলে রাকিব পৌঁছে যায় সেখানে। তাকে চাঁদা দেয়া ছাড়া কোনো উপায় থাকে না। বাড়ি নির্মাণ এমনকি প্রাচীর নির্মাণকারীদের কাছ থেকেও চাঁদা আদায় করে থাকে সে। চাঁদা না দিলে নানা হুমকির মুখে পড়তে হয় লোকজনকে। কুখ্যাত সন্ত্রাসী হওয়ায় এলাকার লোকজন প্রাণভয়ে দাবিকৃত চাঁদা তুলে দেয় তার হাতে। এছাড়া ছিনতাই, ডাকাতি, জুলুম তার নিত্যদিনের কাজ। মাদক এবং অস্ত্র ব্যবসার সাথেও যুক্ত ভাইপো রাকিব।
এ বিষয়ে কোতয়ালি থানার ওসি মনিরুজ্জামানের কাছেও ফোন করা হয়েছিল। তিনি জানিয়েছেন, এই ধরনের (রাকিব নামে) কেউ পুলিশের হাতে আটক নেই।