স্বস্তি ফিরছে পেঁয়াজে

>দাম নেমেছে অর্ধেকেরও কমে:
মুর্শিদুল আজিম হিরু >
স্বস্তি ফিরতে শুরু করেছে কয়েকদিন ধরে দামে নাকানি চুপানি খাওয়ানো পেঁয়াজে। দুই একদিনের ব্যবধানে যশোরের বাজারে অর্ধেকেরও কমে নেমে এসেছে পেঁয়াজের দাম। রসুনের দামও কমেছে বেশ। এক সপ্তাহের ব্যবধানে কেজিতে পেঁয়াজের দাম ১শ’ টাকা টাকা থেকে ১২০ টাকা পর্যন্ত কমে এসেছে। ৪০ টাকা কমেছে রসুনের দাম। শাক-সবজির দামও নিম্নমুখি। অপরিবর্তিত আছে চাল, ডাল, ভোজ্য তেল, আলু ও মরিচের দাম। বৃহস্পতিবার যশোর শহরের বড় বাজার ঘুরে এমন তথ্য পাওয়া গেছে।
বড়বাজারের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, বাজারে দেশি ও আমদানি পেঁয়াজের সরবরাহ বেড়ে গেছে। ফলে দামও অনেক কমে গেছে।
বাজারে প্রতিকেজি দেশি পুরাতন পেঁয়াজ বিক্রি হয় ১শ’৮০টাকা। কিন্তু বুধবার নতুন পেঁয়াজ পাওয়া যায় ৬০ থেকে ৮০ টাকার মধ্যে। তবে গতকাল বৃহস্পতিবার ১শ’টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় নতুন পেঁয়াজ। আমদানি পেঁয়াজ বিক্রি হয় ৭০ টাকা। প্রতি কেজি দেশি রসুন বিক্রি হয় ১শ’৫০ টাকা থেকে ১শ’৬০ টাকা। ১শ’৩০ টাকা থেকে ১শ’৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় আমদানিকৃত রসুন। প্রতি কেজি পুরাতন আলু বিক্রি হয় ২৫ টাকা । ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় নতুন আলু। প্রতি কেজি মরিচ বিক্রি হয় ৪০ টাকা।
চালের দাম আগের মত আছে। প্রতি কেজি স্বর্ণা চাল বিক্রি হয় ২৫ টাকা থেকে ২৭ টাকা। বিআর-২৮ ও কাজললতা চাল বিক্রি হয় ৩৬ টাকা থেকে ৩৮ টাকা। ৪২ টাকা থেকে ৪৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় মিনিকেট চাল।
বাজারে শাক-সবজির দাম কিছুটা নিম্নমুখি। প্রতিকেজি বেগুন বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ৩০ টাকা থেকে ৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় কুমড়া। প্রতিকেজি ওল কপি বিক্রি হয় ৩০ টাকা থেকে ৪০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় ধেঢ়স। প্রতিকেজি পটল বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ৫০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বরবটি। প্রতি কেজি পেঁপে বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৭০ টাকা কেজি বিক্রি হয় উচ্ছে। প্রতিকেজি ডাঁটা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পুঁইশাক। প্রতিকেজি টমেটো বিক্রি হয় ৭০ টাকা। ৪০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরলতি। প্রতি কেজি কলা বিক্রি হয় ২০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মেটে আলু। প্রতিকেজি শিম বিক্রি হয় ৪০ টাকা। ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হয় কচুরমুখি। প্রতিকেজি ব্রুকলি বিক্রি হয় ৫০ টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় মূলা। ৩০ টাকা কেজি বিক্রি হয় বাধা কপি। প্রতি কেজি ফুল কপি বিক্রি হয় ৪০টাকা। ২০ টাকা কেজি বিক্রি হয় পালংশাক। প্রতিকেজি পেঁয়াজের কালি বিক্রি হয় ৫০ টাকা।
বাজারে ঊর্ধ্বদামে অপরিবর্তিত আছে ভোজ্য তেলের দাম। প্রতি কেজি সয়াবিন তেল বিক্রি হয় ৮৮ টাকা থেকে ৯০ টাকা। ৭৫ টাকা কেজি বিক্রি হয় সুপার পাম তেল। প্রতি কেজি পাম তেল বিক্রি হয় ৭০ টাকা।
অপরিবর্তিত আছে ডালের দাম। প্রতিকেজি দেশি মসুর ডাল বিক্রি হয় ১শ’ টাকা থেকে ১শ’১০ টাকা। ৫০ টাকা থেকে ৫৫ টাকা বিক্রি হয় আমদানিকৃত মসুর ডাল। প্রতিকেজি ছোলার ডাল বিক্রি হয় ৮০ টাকা থেকে ৮৫ টাকা। ৩৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজি বিক্রি হয় বুটের ডাল। প্রতিকেজি মুগের ডাল বিক্রি হয় ১শ’১০ টাকা থেকে ১শ’২০ টাকা। ৫৫ টাকা থেকে ৫৮ কেজি বিক্রি হয় কলাইয়ের ডাল।