লাল-সবুজ উড়িয়ে বিজয় উদযাপন

স্পন্দন ডেস্ক:
৪৯তম বিজয় দিবসে শুধু শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতেই যেন ফুটেছিল সব ফুল। চারদিকে বিজয়োৎসব। সর্বত্র লাল-সবুজের বিজয় নিশান আর ফুল হাতে জনস্রোত। শহীদদের শ্রদ্ধা জানিয়ে, ডিসপ্লে, কুচকাওয়াজ, শোভাযাত্রাসহ নানা অনুষ্ঠানে লাল-সবুজ উড়িয়ে বিজয় উদযাপন করেছে বাংলাদেশের মানুষ। এদিনে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ গড়ে তোলার শপথ নেয় জাতি। সারা পৃথিবীতে, বিশেষত দক্ষিণ এশিয়ায় সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়িয়ে পড়ার প্রেক্ষাপটে একাত্তরের চেতনা আরও নিবিড়ভাবে ধারণ করে গণতান্ত্রিক ও শোষণমুক্ত সোনার বাংলাকে বিশ্বের মানচিত্রে উজ্জ্বল করে তোলার অঙ্গীকার করেছেন দেশের মানুষ। লাখো বীর শহিদের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তারা পুনর্ব্যক্ত করেছেন ১৯৭১ সালের ১৬ ডিসেম্বর পাকিস্তানি সামরিক বাহিনীর আত্মসমর্পণের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়ের সুফল ঘরে ঘরে পৌঁছে দেয়ার প্রত্যয়। তারা জানিয়েছেন, যুদ্ধাপরাধী, স্বাধীনতাবিরোধী ও তাদের সহযোগীদের বিচার এবং রাজনৈতিক ও সামাজিকভাবে বর্জনের ভেতর দিয়ে অসাম্প্রদায়িক জাতিরাষ্ট্র নির্মাণের প্রক্রিয়া অব্যাহত থাকবেই। এবারের বিজয় দিবস এসেছে ভিন্ন প্রেক্ষাপটে। কারণ ২০২০ সালে মুক্তিযুদ্ধের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী এবং এর পরের বছর ২০২১ সালে স্বাধীনতা অর্জনের সুবর্ণ জয়ন্তী উদযাপন করবে বাংলাদেশ। এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন দল ও সংগঠনসহ ব্যক্তি উদ্যোগে পাড়ায় পাড়ায় ও অলিগলিতে বেজেছে দেশাত্মবোধক গান এবং বঙ্গবন্ধুর অবিস্মরণীয় ৭ মার্চের ঐতিহাসিক ভাষণ… এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম…।
বিস্তারিত রিপোর্টে
যশোর : যশোরে ভোর ৬টায় ৩১ বার বিজয়ের তোপধ্বনির মধ্যদিয়ে বিজয় দিবসের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শুরু হয়। তারপর বিজয় স্তম্ভে শ্রদ্ধা, মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সংবর্ধনা, সমাবেশ কুচকাওয়াজ ও ডিসপ্লে প্রদর্শন হয়।
সকাল ৮টায় শহরের পুরাতন বাসটার্মিনাল সংলগ্ন বিজয়স্তম্ভে ফুল দিয়ে বীরযোদ্ধাদের স্মরণ করছে যশোরবাসী। সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ, জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফ, পুলিশ সুপার মঈনুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন, সাধারণ সম্পাদক শাহীন চাকলাদার, যশোর শিক্ষাবোর্ড, যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, জেলা আওয়ামী লীগ, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিএমএ যশোর শাখা, জেলা পরিষদ যশোর, বাংলাদেশ ট্রেড ইউনিয়ন যশোর, স্বাধীনতা চিকিৎসক পরিষদ, এলজিইডি যশোর, যশোর মেডিকেল কলেজ, সুরবিতান সংগীত একাডেমি, ইন্টার্নি চিকিৎসক পরিষদ, যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতাল, যুব মহিলালীগ, শংকরপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়, শহীদ কর্ণেল স্মৃতি সংসদ, অগ্নিবীনা কেন্দ্রীয় সংসদ, আইডিইবি যশোর, যশোর মেডিকেল কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, সরকারি যশোর কলেজ, ফেন্ডস ক্লাব যশোর, সরকারি মহিলা কলেজ, জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদ, সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট, স্পন্দন যশোর, প্রথম আলো বন্ধুসভা, তির্যক যশোর, জেলা শিল্পকলা একাডেমি, বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টি (মার্কসবাদী), যুবমেত্রী, ছাত্রমেত্রী, উৎকর্ষ যশোর, বাম গণতান্ত্রিক জোট যশোর শাখা, কমিউনিষ্ট পার্টি, বাসদ (মার্কসবাদী), ছাত্র ফেডারেশন বাংলাদেশ যশোর শাখা, স্বজন সংঘ, যবিপ্রবি শিক্ষক সমিতি, যবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিশন, যবিপ্রবি কর্মচারী সমিতি, যশোর আমিনিয়া কামিল মাদ্ররাসা, যবিপ্রবি শেখ হাসিনা ছাত্রী হল, শহীদ মশিযূর রহমান ছাত্র হল, প্রেসক্লাব যশোর, যশোর সংবাদপত্র পরিষদ, যশোর সাংবাদিক ইউনিয়ন (জেইউজে), বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, দৈনিক স্পন্দন পরিবার, যশোর জেলা সাংবাদিক ইউনিয়ন, সাংবাদিক ইউনিয়ন যশোর, লোকসমাজ পরিবার, গ্রামের কাগজ, কিংশুক সঙ্গীত শিক্ষা কেন্দ্র, আব্দুর রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ, যশোর জিলা স্কুল, সেক্টর কমান্ডার ফোরাম যশোর, জাতীয়তাবাদী দল, জাতীয়তাবাদী মহিলাদল, যুবদল, জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল, যশোর সাহিত্য পরিষদ, স্বপ্ন দেখো সমাজ কল্যাণ সংস্থা, যশোর সরকারি সিটি কলেজ, সিটি কলেজ শাখা ছাত্রলীগ, বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদ, নাগরিক অধিকার আন্দোলন যশোর, সরকারি এমএম কলেজ , জেলা যুবলীগ, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট, শ্রমিকলীগ যশোর শাখা, যুব শ্রমিকলীগ, উপশহর মহিলা কলেজ, শহর স্বেচ্ছাসেবক লীগ, জেলা ও সদর পূজা উদযাপন কমিটি, সদর উপজেলা আওয়ামী লীগ, শহর আওয়ামী লীগ, জেলা যুবলীগ, মহিলা আওয়ামী লীগ, বাংলাদেশ মেডিকেল এ্যাসোসিয়েশান যশোর শাখা, বাংলাদেশ বঙ্গবন্ধু পেশাজীবী পরিষদসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক-সাংস্কৃতিক সংগঠনসহ ও শ্রেণিপেশার মানুষ ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান।
শামস-উল-হুদা স্টেডিয়ামে সকাল ৯টায় কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠিত হয়।
দুপুরে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে টাউনহল মাঠে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর-৩ সদর আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন পুলিশ সুপার মঈনুল হক, মুজিব বাহিনীর যশোরের প্রধান আলী হোসেন মনি, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন । জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সাবেক জাতীয় পরিষদ সদস্য ময়নুদ্দিন মিয়াজী,কাজী আব্দুস সহিদ লাল, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার রাজেক আহমেদ, এ এইচ এম মুযহারুল ইসলাম মন্টু, সদরের সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মোহাম্মদ আলী স্বপন। স্বাগত বক্তব্য রাখেন সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইব্রাহীম।এর আগে পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পরিবেশন করে জাতীয় সঙ্গীত। অনুষ্ঠান সঞ্চলনা করেন জেলা শিশু কর্মকর্তা সাধন কুমার দাস। সন্ধ্যায় টাউনহল মঞ্চের রওশন আলী মঞ্চে বিজয় দিবস উপলক্ষে আলেচনাসভার আয়োজন করা হয়।একই সাথে অনুষ্ঠিত হয় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন স্থানীয় সরকারের উপপরিচালক নূর-ই-আলম। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ শফিউল আরিফের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন, এমএম কলেজের অধ্যক্ষ আবু তালেব মিয়া ও জেলা জাসদের সধারণ সম্পাদক অশোক রায়। সঞ্চলনা করেন সাধন কুমার দাস ও আহসান হাবিব পারভেজ।
দিবসটি স্মরণে যশোর ভলিবল গ্রাউন্ডে এক্স শাহীন এ্যাসোসিয়েশনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত হয় শিশুদের চিত্রাঙ্কন প্রাযোগিতা, স্বেচ্ছায় রক্ত প্রদান ও বাউল সঙ্গীতের অনুষ্ঠান। এছাড়া যশোর শিক্ষাবোর্ডে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন চেয়ারম্যান প্রফেসর মোহাম্মদ আব্দুল আলীম। বিশেষ অতিথি ছিলেন প্রফেসর এ এম এইচ আলী আর রেজা। পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্রের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন কলেজ পরিদর্শন কেএম রব্বানী, বিদ্যালয় পরিদর্শক ড. বিশ্বাস শাহীন আহমেদ, কর্মচারী ইউনিয়নের সভাপতি আবুল কালাম আজাদ ও শিক্ষাবোর্ড শ্রমিকলীগের সাধারণ সম্পাদক হুমায়ুন কবির উজ্জ্বল।
সরকারি এমএম কলেজে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু তালেব মিয়া। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর সেখ আবুল কাওসার ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক মহিউদ্দিন। প্রফেসর মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে ও সহযোগি অধ্যাপক জিল্লুল বারীর সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেন সহযোগি অধ্যাপক আব্দুল হাকিম বিশ^াস ও সহকারি অধ্যাপক মুকুল হায়দার।
সরকারি সিটি কলেজে প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ প্রফেসর আবু তোরাব মোহাম্মদ হাসান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর জোবাইদা গুলসান আরা ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক ড. আনওয়ার হোসেন।
সরকারি মহিলা কলেজে প্রধান অতিথি ছিলেন যশোর পৌরসভার মেয়র জহিরুল ইসলাম চাকলাদার রেন্টু। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপাধ্যক্ষ প্রফেসর ড. মিয়া আব্দুর রশিদ ও শিক্ষক পরিষদের সম্পাদক এবিএম ইকবাল আনোয়ার। সভাপতিত্ব করেন অধ্যক্ষ প্রফেসর ড. আহসান হাবিব। এছাড়াও অন্যান্য শিক্ষা প্রতিষ্ঠানেও অনুরূপ কর্মসূচি হয়।
বিসিএমসি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি মহাবিদ্যালয় শোভাযাত্রা, বিজয় স্মৃতিস্তম্ভে শ্রদ্বার্ঘ অর্পণ, দোয়া ও মোনাজাত, আলোচনা সভা, দেয়াল পত্রিকার মোড়ক উম্মোচন, ‘আমার দেখা ডিজিটাল বাংলাদেশ‘ শীর্ষক পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন, রচনা প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে দিবস উদযাপন করেছে। ইলেকট্রিক্যাল, ইলেকট্রনিক্স ও টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ড. দুলাল বড়–য়ার সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন অধ্যক্ষ প্রকৌশলী এস এম রেজাউল কবীর ও বিশেষ অতিথি ছিলেন বিটিসি অধ্যক্ষ মো. আবু হুরায়রা।
যবিপ্রবি : যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদে মুক্তিযুদ্ধে শহীদদের আত্মার মাগফিরাত কামনায় দোয়া-মোনাজাত হয়। প্রধান অতিথি ছিলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ার হোসেন এসব কথা বলেন।
বক্তব্য দেন যবিপ্রবির কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক মোঃ আব্দুল মজিদ, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. মোঃ নাজমুল হাসান, কর্মকর্তা সমিতির দপ্তর ও প্রচার সম্পাদক কাজী শাহিনুর রহমান, কর্মচারী সমিতির সহসভাপতি আরশাদ আলী, ছাত্রলীগ নেতা ইলিয়াস হোসাইন রকি প্রমুখ। দোয়া-মোনাজাত পরিচালনা করেন যবিপ্রবির কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা মোঃ আকরামুল ইসলাম।
এর আগে যশোর শহরের মণিহারে অবস্থিত বিজয় স্তম্ভে ও দড়াটানাস্থ জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ম্যুরালে পুস্পস্তবক অর্পণ, প্রীতি ক্রিকেট ম্যাচসহ নানা কর্মসূচি পালিত করা হয়।
এদিকে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় সাংবাদিক সমিতির (যবিপ্রবিসাস) পক্ষ থেকে যশোর শহরস্থ মনিহারের বিজয়স্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে। সমিতির সাধারন সম্পাদক মোসাব্বির হোসাইনের নেতৃত্বে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদানকালে উপস্থিত ছিলেন সমিতির যুগ্মসাধারণ সম্পাদক কৃষ্ণ বালা, অর্থ সম্পাদক নাজমুল হোসাইন, কার্যনির্বাহী সদস্য আর জুবায়ের রনি, আক্তার হোসেন, তোফায়েল প্রধান, সদস্য সজিবুর রহমান সহ সমিতির অন্যান্য সদস্যরা।
খুলনা : গল্লামারী শহীদ স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে খুলনাবাসী। সকাল সাড়ে আটটায় খুলনা জেলা স্টেডিয়ামে আনুষ্ঠানিকভাবে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার। খুলনা রেঞ্জ ডিআইজি ড. খঃ মহিদ উদ্দিন, পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির এবং পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন খুলনা জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। দুপুরে জেলা প্রশাসকের সম্মেলনকক্ষে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সন্তানদের সংবর্ধনা দেয়া হয়। সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের মেয়র তালুকদার আব্দুল খালেক। বিশেষ অতিথি ছিলেন খুলনার বিভাগীয় কমিশনার ড. মুঃ আনোয়ার হোসেন হাওলাদার, পুলিশ কমিশনার খন্দকার লুৎফুল কবির, জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শেখ হানুরুর রশীদ, অতিরিক্ত ডিআইজি মোঃ নাহিদুল ইসলাম, পুলিশ সুপার এসএম শফিউল্লাহ ও ডেপুটি পুলিশ কমিশনার মোঃ এহসান শাহ। সভাপতিত্ব করেন খুলনার জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হেলাল হোসেন। স্বাগত জানান অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ইউসুপ আলী। অন্যান্যর মধ্যে বক্তৃতা করেন সাবেক জেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার সরদার মাহবুবার রহমান, মুক্তিযোদ্ধা মকবুল হোসেন মিন্ট, নুর ইসলাম বন্দ এবং স ম রেজওয়ান আলী প্রমুখ।
খুবি : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে সকাল সাড়ে ৬ টায় শহিদ তাজউদ্দীন আহমদ প্রশাসন ভবনের সামনে উপাচার্য প্রফেসর ড. মোহাম্মদ ফায়েক উজ্জামান জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন। উপাচার্যের সর্বপ্রথম শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণের মধ্যদিয়ে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান কর্মসূচি শুরু হয়। এরপরই বিভিন্ন ডিসিপ্লিন, বিভিন্ন আবাসিক হল, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি, স্বাধীনতা শিক্ষক পরিষদ, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, খুবি স্কুল, খুবি অফিসার্স কল্যাণ পরিষদ, চেতনায় মুক্তিযুদ্ধ, কর্মচারিবৃন্দসহ বিভিন্ন সংগঠেনর পক্ষ থেকেও শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করা হয়।
মনিরামপুর : মনিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগ দলীয় কার্যালয়ে আলোচনাসভা করে। এতে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য (এমপি)। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও পৌর মেয়র কাজী মাহমুদুল হাসানের সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ও উপস্থিত ছিলেন জেলা যুব মহিলা লীগের সহসভাপতি ও মণিরামপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান নাজমা খানম, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি নূরুল ইসলাম, সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রাজ্জাক, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও যুবলীগের আহবায়ক উত্তম চক্রবর্তী বাচ্চু, আওয়ামী লীগ নেতা জিএম মজিদ, অ্যাড. বশির আহম্মেদ খান, সুব্রত ব্যানার্জী, অজিত ঘোষ, তপন বিশ্বাস পবন, উত্তম মিত্র, জেলা পরিষদ সদস্য গৌতম চক্রবর্তী, মনিরুজ্জামান মনি, গাজী মাযাহারুল আনোয়ার, উপজেলা ছাত্রলীগের আহবায়ক মুরাদুজ্জামান মুরাদ, যুগ্ম আহবায়ক ফজলুরর রহমান।
অপরদিকে উপজেলা বিএনপিসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, মণিরামপুর পাবলিক লাইব্রেরি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সামাজিক-সাংস্কৃতিক সংগঠন পৃথক-পৃথক ভাবে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ ও বিভিন্ন কর্মসূচির পালন করে।
মহেশপুর : মহেশপুরে কেন্দ্রীয় শহিদ মিনারে বঙ্গবন্ধুর প্রতিস্কৃতিতে পুস্পমাল্য অর্পন করেন সংসদ সদস্য শফিকুল আজম খান চঞ্চল, সাবেক সংসদ সদস্য নবী নেওয়াজ, উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ, সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ময়জদ্দিন হামিদসহ উপজেলা আওয়ামী লীগ, উপজেলা প্রশাসন, পৌর সভা, উপজেলা ও পৌর যুবলীগ, উপজেলা স্বেচ্ছাসেবকলীগ, উপজেলা ও পৌর ছাত্রলীগ, ভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন, উপজেলা ও পৌর জাকের পাটিসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীরা।
পরে অডিটরিয়ামে মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সংবর্ধনা ও আলোচনাসভা হয়।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) সুজন সরকারের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সাজ্জাদুল ইসলাম সাজ্জাদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সিনিয়র সহসভাপতি শেখ নিজাম উদ্দিন আহাম্মেদ, পৌর মেয়র আব্দুর রশিদ খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মীর সুলতানুজ্জামান লিটন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার ড.আব্দুল মালেক গাজি, মেজর জেনারেল (অবসরপ্রাপ্ত) সালাউদ্দিন মিয়াজি, ফয়জুর রহমান চৌধুরী, সাবেক ডেপুটি কমান্ডার রবিউল আওয়াল পৌর মুক্তিযোদ্ধা কাজি আব্দুস সাত্তার, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গোলাম মোস্তফা,থানার অফিসার ইনর্চাজ রাশেদুল আলম, সোনালী ব্যাংকের ব্যাবস্থাপক হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
উপজেলা আওয়ামী লীগ কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয় পতাকা উত্তোলন ও আলোচনা সভা হয়।
বিএনপি কার্যালয়ে জাতীয় দলীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে দলীয় কার্যালয়ে আলোচনাসভা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
এ সময় উপস্থত ছিলেন উপজেলা বিএনপির আহবায়ক এসএম শাহজামান মোহন,পৌর বিএনপির আহবায়ক এ্যাড. আমিরুল ইসলাম খান চুন্নু, উপজেলা বিএনপির সদস্য সচিব মেহেদী হাসান রনি।
বাঘারপাড়া : বাঘারপাড়ায় মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা, খেলাধুলা, চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, শহিদদের আত্মার মাগফেরাত কামনা করে বিশেষ মোনাজাত, আলোচনাসভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়।
সকালে স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন করেন স্থানীয় সংসদ সদস্য, উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামীলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, বিভিন্ন সরকারী দপ্তর, প্রেসক্লাব, বিভিন্ন রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনগুলো। বাঘারপাড়া সরকারি পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে পুলিশ, আনসার, মুক্তিযোদ্ধা ও বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীদের অংশ গ্রহনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন, কুচকাওয়াজ, অভিবাদন গ্রহণ ও মনোমুগ্ধকর ডিসপ্লে অনুষ্ঠিত হয়।
পরে উপজেলা পরিষদ চত্বরে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা ও আলোচনা সভার আয়োজন হয়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার তানিয়া আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, যশোর-৪ আসনের সংসদ সদস্য রনজিৎ কুমার রায়। বিশেষ অতিথির ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান নাজমুল ইসলাম কাজল, ভাইস চেয়ারম্যান আব্দুর রউফ, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান বিথীকা বিশ্বাস। অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক মুক্তিযোদ্ধা হাসান আলী, পৌর মেয়র কামরুজ্জামান বাচ্চু, থানা অফিসার ইনচার্জ (ওসি) জসীম উদ্দীন, মুক্তিযোদ্ধা সদর উদ্দীন, শহিদুল্ল্যাহ খন্দকার প্রমুখ।
কপিলমুনি : কপিলমুনিতে সম্মিলিত বিজয় দিবস উদ্যাপন কমিটি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, পেশাজীবী ও সামাজিক সংগঠন দিবসটি উদযাপন করে। স্মৃতি সৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে কপিলমুনি কলেজ, হরিঢালী-কপিলমুনি মহিলা কলেজ, কপিলমুনি সহচরী বিদ্যামন্দির স্কুল এন্ড কলেজ, মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়, কপিলমুনি প্রেসক্লাব, বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ কপিলমুনি পুলিশ ফাঁড়ি, চালার সাথীসহ বিভিন্ন সংগঠন ও প্রতিষ্ঠান।
কপিলমুনি মেহেরুন্নেছা বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের মাঠ থেকে সম্মিলিত র‌্যালি বের হয়। চিত্রাঙ্কন ও রচনা প্রতিযোগিতা, সম্মিলীত বিজয় দিবস উদ্যাপন কমিটির আহবায়ক রহিমা আখতার শম্পার সভাপতিত্বে আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সম্বর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কপিলমুনি কলেজের অধ্যক্ষ মোঃ হাবিবুল্যাহ বাহার।
মাগুরা : মাগুরা নোমানী ময়স্থানস্থ শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয় । পরে বীর মুক্তিযোদ্ধা আছাদুজ্জামান স্টেডিয়ামে সকাল সাড়ে ৮ টায় জেলা প্রশাসনের আয়োজনে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রর্দশন করে পুলিশ, আনসার, ভিডিপি, ফায়ার সার্ভিস, রোভার স্কাউট,গার্লস গাইডসহ বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা । বেলা ১১টায় শেখ কামাল ইনডোর স্টেডিয়ামে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহিদ মুক্তিযোদ্ধা পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত হয়। দুপুরে বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মাগুরার আয়োজনে সৈয়দ আতর আলী গণগ্রন্থাগারে শিশুদের চিত্রাঙ্কন, রচনা প্রতিযোগিতা ও সন্ধ্যাায় আছাদুজ্জামান মিলনায়তনে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া বিজয় দিবসে সকালে স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠান সুপ্রভাত বাংলাদেশ,মাগুরা শহরে বর্ণাঢ্য র‌্যালী ও শহরের নোমানী ময়স্থানস্থ শহিদ মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পমাল্য অর্পন করে। পাশাপাশি শ্রীপুর ,শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলায় নানা আয়োজনের মধ্যে দিয়ে বিজয় দিবস পালিত হয়েছে।
কলারোয়া : কলারোয়ায় মুক্তিযোদ্ধা স্মৃতিসৌধে পুষ্পমাল্য অর্পণ করেন উপেজলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লাল্টু, ভাইস চেয়ারম্যান শাহানাজ নাজনীন খুকু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আরএম সেলিম শাহ নেওয়াজ, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) আকতার হোসেন, মুক্তিযোদ্ধা সংসদের পক্ষে সাবেক কমান্ডার গোলাম মোস্তফা, সাবেক সাংগঠনিক কমান্ডার সৈয়দ আলী, থানার পক্ষে অফিসার ইনচার্জ শেখ মুনীর-উল- গীয়াস, পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) রাজিব হোসেন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফিরোজ আহম্মেদ স্বপন, সাধারণ সম্পাদক আলিমুর রহমান, পৌরসভার পক্ষে ভারপ্রাপ্ত মেয়র মনিরুজ্জামান বুলবুল, উপজেলা সাংবাদিক পরিষদের পক্ষে সভাপতি আসাদুজ্জামান আসাদ, সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম লিটন, উপজেলা দুর্নীতি প্রতিরোধ কমিটির পক্ষে সভাপতি প্রধান শিক্ষক আখতার আসাদুজ্জামান ও সাধারণ সম্পাদক প্রধান শিক্ষক মুজিবুর রহমান, দুপ্রক সদস্য জাহিদুর রহমান খান চৌধুরী ও সাংবাদিক শেখ জুলফিকারুজ্জামান জিল্লু, পাবলিক ইনস্টিটিউটের পক্ষে সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন, কলারোয়া ফ্র্রেন্ডস স্পোর্টিং ক্লাবের পক্ষে সভাপতি আব্দুর রশিদ কচি, সাধারণ সম্পাদক জাহিদুর রহমান খান চৌধুরী, সাংবাদিক আজাদুর রহমান খান চৌধুরীসহ রাজনৈতিক, সামাজিক, ব্যবসায়িক, সাংস্কৃতিক, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পেশাজীবী সংগঠনের পক্ষ থেকে পুষ্পমাল্য অর্পণ করা হয়।
ডুমুরিয়া : ডুমুরিয়ায় স্বাধীনতা স্মৃতি সৌধে পুস্পস্তবক অর্পণ, জাতীয় পতাকা উত্তোলন, চুকনগর বধ্যভুমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পণ, কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শন, মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক চলচ্চিত্র ও প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন, ক্রীড়া প্রতিযোগিতা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। সকালে উপজেলা চেয়ারম্যান এজাজ আহমেদ ও উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোছা. শাহনাজ বেগমের নেতৃত্বে স্বাধীনতা স্মৃতি সৌধের বেদিতে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে শ্রদ্ধাঞ্জলী অর্পন করা হয়। এছাড়া আওয়ামী লীগ, তাঁতীলীগ, বিএনপি, জাতীয়পার্টি, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শ্রদ্ধাঞ্জলি অর্পণ করে। উপজেলা তাঁতীলীগের আহবায়ক মোস্তফা গাজীর সভাপতিত্বে শহিদ মুক্তিযোদ্ধাদের স্মরণে দলীয় কার্যালয় আলোচনাসভা অনুষ্ঠিত হয়। বক্তব্যদেন যুগ্মআহবায়ক আলমগীর হোসেন, ইব্রাহিম হোসেন, ফরিদুল ইসলাম খান, মোসলেম উদ্দিন, রিনা পারভীন, রাখিজা বেগম, আমিরুল শেখ, শহিদ মোড়ল প্রমুখ।
সাতক্ষীরা : সাতক্ষীরা স্টেডিয়ামে এমপি মুক্তিযোদ্ধা মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, জেলা প্রশাসক এসএম মোস্তাফা কামাল, পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান ফানুস উড়িয়ে দিবসটির শুভ সূচনা করেন। এ সময় শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের রুহের মাগফিরাত কামনা করে মোনাজাত হয়।
পরে পুলিশ, বিএনসিসি, ব্যাটালিয়ন আনসার, কারারক্ষি, রোভার স্কাউট, গার্লস গাইড ও শহরের সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র-ছাত্রীদের সমন্বয়ে কুচকাওয়াজ ও শরীরচর্চা প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় মুক্তিযুদ্ধের উপর বিভিন্ন ডিসপ্লে ও শরীরচর্চা প্রদর্শনীতে অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মধ্যে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
এদিকে সাতক্ষীরা স্টেডিয়াম ভবনে সেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচী পালিত হয়েছে। এছাড়া শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্ক বঙ্গবন্ধু স্মৃতি পাঠাগারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ, ও শহীদ আব্দুর রাজ্জাক পার্কস্থ্য শহীদ আব্দুর রাজ্জাকের কবর জিয়ারত ও পুস্প্যমাল্য প্রদানের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন জেলা প্রশাসক এস এম মোস্তাফা কামাল, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ মোস্তাফিজুর রহমান, সদর সাংসদ মীর মোস্তাক আহমেদ রবি, মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার মসিউর রহমান মসু, পৌর মেয়র তাচকিন আহমেদ চিশতি, জেলা মহিলা লীগের সাধারন সম্পাদক জোৎ¯œা আর সহ বিভিন্ন সাংকৃতিক ও রাজনৈতিক সংগঠন। এছাড়া জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এছাড়া দুপুরে পৌর দীঘিতে সাঁতার ও হাঁসধরা প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
কালীগঞ্জ : কালীগঞ্জে স্মৃতি সৌধে ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুস্পস্তবক অর্পণ করেন ঝিনাইদহÑ৪ আসনের সংসদ আনোয়ারুল আজীম আনার, উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর সিদ্দিক ঠান্ডু, উপজেলা নির্বাহী অফিসার সূবর্ণা রানী সাহা ও কালীগঞ্জ থানা অফিসার ইনচার্জ মাহফুজুর রহমান মিয়া, পৌর মেয়র আশরাফুল আলম আশরাফ, জেলা পরিষদ সদস্য ও কালীগঞ্জ উপজেলা যুবলীগের সাধারন সম্পাদক জাহাঙ্গীর হোসেন সোহেল, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান শিবলী নোমানী ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদের নেতৃবৃন্দ।
নড়াইল : নড়াইলে জেলা প্রশাসন , জেলা আওয়ামী লীগ ও বিভিন্ন সংগঠন স্মৃতি সৌধ, গণকবর, বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল ও বধ্য ভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি প্রদান করে। জেলা প্রশাসক আনজুমান আরা, জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট সোহরাব হোসেন বিশ^াস, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জসিম উদ্দিন পিপিএম, জেলা আওয়মী লীগের সভাপতি অ্যাডঃ সুবাস চন্দ্র বোস, পৌর মেয়র মোঃ জাহাঙ্গীর হোসেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) কাজী মাহবুবুর রশীদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসন (সার্বিক) মোঃ ইয়ারুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সালমা সেলিম, জেলা আওয়ামীলীগ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ, জেলা বিএনপি,নড়াইল প্রেসক্লাব, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক, সাংস্কৃতিক ও সামাজিক প্রতিষ্ঠান।
শালিখা : সীমাখালী ইসামিয়া ক্যাডেট একাডেমির আয়োজনে ইসলামী ব্যাংক বাংলাদেশ লিমিটেড সীমাখালী বাজার (আউটলেট) এজেন্ট শাখার সৌজন্যে, র‌্যালি ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। একাডেমির চেয়ারম্যান শিল্পপতি খলিলুর রহমান বক্তব্য রাখেন। উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ হাফেজ মাওঃ সাখাওয়াত হুসাইন, উপাধ্যক্ষ মাওঃ আলমগীর হুসাইন, শিক্ষক মাওঃ জব্বার, মাসুদ, রুবেল প্রমুখ।
এছাড়া মাগুরা জেলা ট্রাক, ট্রাংকলরী, কাভার্ডভ্যান শ্রমিক ইউনিয়ন আলোচনা সভা করে। সভাপতিত্ব করেন ইউনিয়নের সভাপতি লালু শেখ। বক্তব্য রাখেন সাধারণ সম্পাদক রবিউল ইসলাম, সহ-সভাপতি টোকন মন্ডল যুগ্ন-সম্পাদক সহিদুল ইসলাম, সহ-সম্পাদক আক্তারুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক সাহাজান সিরাজ, কোষাধ্যক্ষ খবির হোসেন প্রচার সম্পাদক মেহেদী হাসান, দপ্তর সম্পাদক মশিউর রহমান, লাইন সম্পাদক নাজিম হোসেন ও ফিরোজ বিশ্বাস, কার্যকরী সদস্য রহিম শেখ ও তৌহিদুল ইসলাম প্রমুখ।
চুকনগর : চুকনগর বধ্যভূমিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে আটলিয়া ইউনিয়ন আওয়ামী লীগ। ইউনিয়ন বিএনপির উদ্যোগে একটি বিজয় র‌্যালি বের করে। এছাড়া সকল সরকারি বেসরকারি স্বায়ত্ব শাসিত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক, বীমা, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানসহ বিভিন্ন সামাজিক সংগঠন এ দিবসটি যথাযথভাবে পালন করেছে।
রূপসা: বীরশ্রেষ্ঠ রুহুল আমিন এবং বীরবিক্রম মহিবুলাহ’র মাজারে পুষ্পমাল্য অর্পণ, আলোচনা সভা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা হয়। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার নাসরিন আক্তারের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশা। বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান ফারহানা আফরোজ মনা, থানা অফিসার ইনচার্জ মোলা জাকির হোসেন, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম গাজী, কৃষি কর্মকর্তা মো. ফরিদুজ্জামান।
রূপসা উপজেলা আওয়ামী লীগের আলোচনায় প্রধান অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের নবনির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক সুজিত কুমার অধিকারী। উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি, উপজেলা চেয়ারম্যান কামাল উদ্দিন বাদশার সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথির বক্তৃতা করেন জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক মো. কামরুজ্জামান জামাল, জেলা কৃষক লীগ সভাপতি অধ্যাপক আশরাফুজ্জামান বাবুল, মালিক সরোয়ার উদ্দিন, সাবেক জাতীয় পুরস্কারপ্রাপ্ত ক্রীড়াবিদ আজাদ আবুল কালাম।
কালিগঞ্জ : কালিগঞ্জ উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড কালিগঞ্জ ইউনিট বিজয় স্তম্ভে ও বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। উপজেলা পরিষদ, মুক্তিযোদ্ধা সংসদ ও সন্তান কমান্ড, থানা প্রশাসন, উপজেলা আওয়ামী লীগ, প্রেসক্লাব, রিপোর্টার্স ক্লাব, সাংবাদিক সমিতি, উপজেলা জাতীয় পার্টি, লেডিস ক্লাব, রোকেয়া মনসুর মহিলা কলেজ, কালিগঞ্জ সরকারি কলেজ, সরকারি কালিগঞ্জ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, পাইলট বালিকা বিদ্যালয়, আওয়ামী তরুণলীগ, ছাত্রলীগ, সরকারি কলেজ ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠন পুষ্পমাল্য অর্পণ করে। উপজেলা পরিষদ মাঠে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান সাঈদ মেহেদী, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ মোজাম্মেল হক রাসেল, থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ দেলোয়ার হুসেন, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক ডেপুটি কমান্ডার আব্দুল হাকিম।
কচুয়া : কচুয়ায় উপজেলা পরিষদ ও প্রসাশন সকল সামাজিক , রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পুষ্প স্তাবক অর্পণ করে। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তাসমিন ফারহানা এর সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান এস এম মাহফুজুর রহমান। বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারমান মোঃ ফিরোজ আহম্মেদ, উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান মিসেস নাজমা সরোয়ার. থানা অফিসার ইনচার্জ শেখ সফিকুর রহমান, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি হাজরা দেলোয়ার হোসেন।
লোহাগড়া: উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুন্সী আলাউদ্দিন ও সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মসিয়ুর রহমান, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শিকদার আব্দুল হান্নান রুনু এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মুকুল কুমার মৈত্র পুষ্পার্ঘ অর্পণ করেন। পরে উপজেলা আওয়ামী লীগসহ অঙ্গসংগঠন ও বিভিন্ন সংগঠন শহীদদের প্রতি ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা জানান । এসময় স্বাধীন মানুষের ঢল নামে শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়ামে। কুচকাওয়াজ, নাচ, গানের প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।
ফুলতলা : শহীদ স্মৃতি ফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে বিভিন্ন সংগঠন। উপজেলা অডিটরিয়ামে ভারপ্রাপ্ত রুলী বিশ্বাসের সভাপতিত্বে মুক্তিযোদ্ধা সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ামম্যান শেখ আকরাম হোসেন। স্বাগত বক্তৃতা করেন মুক্তিযোদ্ধা কাজী জাফর উদ্দিন। মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা ফারাহানা ইয়াসমিনের পরিচালনায় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওসি মো: মনিরুল ইসলাম, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা স্বপন কুমার রায়, কৃষি কর্মকর্তা রীনা খাতুন, বিআরডিপি কর্মকর্তা আফরুজ্জামান, সমাজসেবা কর্মকর্তা শাহীন আলম প্রমুখ।
বিকালে প্রীতি ফুটবল ও ক্রিকেট ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়।
এছাড়াও আওয়ামী লীগ, বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আলোচনা সভা র‌্যালিসহ নানা কর্মসূচি পালন করে।