আমির-শহিদুলের দারুণ বোলিং

ক্রীড়া প্রতিবেদক :

শুরুতে ঝড় তুললেন আন্দ্রে ফ্লেচার, মাঝে চেষ্টা করলেন জনসন চার্লস। শেষটায় বোলারদের ওপর চড়াও হলেন শেরফ্যান রাদারফোর্ড। তারপরও সংগ্রহ খুব একটা বড় হলো না সিলেট থান্ডারের। মোহাম্মদ আমির, শহিদুল ইসলামদের দারুণ বোলিংয়ে নাগালে লক্ষ্য পেয়েছে খুলনা টাইগার্স।

মিরপুর শের-ই-বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে শনিবারের দ্বিতীয় ম্যাচে ৪ উইকেটে ১৫৭ রান করেছে সিলেট।

শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আঁটসাঁট বোলিং করেন আমির। ৪ ওভারে দেন কেবল ১৭ রান। পঞ্চম বোলার হিসেবে আক্রমণে আসা শহিদুল ২৬ রানে নেন ২ উইকেট। সিলেটের ইনিংস শেষে ১২ উইকেট নিয়ে আসরে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারিদের তালিকার দুই নম্বরে উঠে এসেছেন এই পেসার।

দ্বিতীয় ওভারে রবি ফ্রাইলিঙ্কের ওপর চড়াও হন ফ্লেচার। এক ছক্কা ও তিন চারে তুলে নেন ২১ রান। এরপরও পাওয়ার প্লেতে সিলেট করতে পারে কেবল ৪৩ রান!

এক প্রান্তে ভুগছিলেন রুবেল মিয়া। পারছিলেন না টাইমিং করতে, গ্যাপ বের করতে। মন্থর হয়ে যায় সিলেটের রানের চাকা।

নবম ওভারে ফিরে শোধ তোলেন ফ্রাইলিঙ্ক। দক্ষিণ আফ্রিকান অলরাউন্ডারের বলে কট বিহাইন্ড হয়ে ফিরেন ফ্লেচার। ২৪ বলে দুই ছক্কা ও চার চারে করেন ৩৭। ভাঙে ৯ ওভার স্থায়ী ৬২ রানের উদ্বোধনী জুটি।

পরের ওভারে নিজের প্রথম বাউন্ডারির দেখা পান রুবেল। বাঁহাতি স্পিনার তানভীর ইসলামের বলে লং অফ দিয়ে ছক্কা। সেটি ছিল তার খেলা ৩২তম বল।

চার্লসের কাছে দুই ছক্কা হজম করলেও সেই ওভারেই ক্যারিবিয়ান ব্যাটসম্যানকে ফিরিয়ে দেন ফ্রাইলিঙ্ক। পরের ওভারে শহিদুলের বলে ক্যাচ দিয়ে শেষ হয় রুবেলের সংগ্রাম।

রনি তালুকদার ও আব্দুল মজিদের ব্যর্থতায় প্রথমবারের মতো সুযোগ পাওয়া রুবেল দুই চার ও এক ছক্কায় ফিরেন ৪৪ বলে ৩৯ রান করে। দুই বল পর পুল করতে গিয়ে টাইমিংয়ে গড়বড় করে ধরা পড়েন মোহাম্মদ মিঠুন।

৩৭ বলে ৫৩ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে দলকে দেড়শ রানে নিয়ে যান মোসাদ্দেক হোসেন ও রাদারফোর্ড। ২০ বলে দুই ছক্কায় ২৬ রান অপরাজিত থাকেন রাদারফোর্ড। তিন চারে ১৮ বলে ২৩ রান করেন অধিনায়ক মোসাদ্দেক।

সংক্ষিপ্ত স্কোর:

সিলেট থান্ডার: ২০ ওভারে ১৫৭/৪ (ফ্লেচার ৩৭, রুবেল ৩৯, চার্লস ১৭, রাদারফোর্ড ২৬*, মিঠুন ০, মোসাদ্দেক ২৩*; আমির ৪-০-১৭-০, ফ্রাইলিঙ্ক ৪-০-৫৮-২, তানভীর ৪-০-২৩-০, শফিউল ৪-০-৩০-০, শহিদুল ৪-০-২৬-২